1 Answers

আসাদ দুধ সংরক্ষণের জন্য যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল তা হলো পাস্তুরিতকরণ।

দুধ নষ্ট হওয়ার কারণ হিসেবে প্রধানত ব্যাকটেরিয়া জীবাণুকে দায়ী করা হয়। অতি উচ্চ ও নিম্ন তাপমাত্রায় এ জীবাণু জন্মাতে ও বংশ বিস্তার করতে পারে না। তাই এই উচ্চ বা নিম্ন তাপমাত্রা ব্যবহার করে দুধের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করার উপায় হলো পাস্তুরিকরণ। সাধারণত ৩ ভাবে দুধ পাস্তুরাইজেশন করা যায় -

১. অল্প তাপমাত্রা বেশি সময়: এ পদ্ধতিতে ৬২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৬০ মিনিট সময় ধরে দুধ গরম করা হয় এবং পরবর্তীতে দ্রুত ৪ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করা যায়। 

২. বেশি তাপমাত্রায় অল্প সময়: এ পদ্ধতি ৭২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১৫ সেকেন্ড সময় ধরে দুধ গরম করা হয় এবং পরবর্তীতে ৪ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করা হয়। 

৩. অত্যধিক তাপমাত্রা অতি অল্প সময়: এ পদ্ধতিতে ১৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২ সেকেন্ড সময় ধরে দুধ গরম করা হয়। এর ফলে সর্বপ্রকার ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তারপর স্বাভাবিক তাপমাত্রায় দুধ সংরক্ষণ করা যায়।

দুধ পাস্তুরাইজেশন আধুনিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী খামারে অতি পরিচিত ও প্রচলিত একটি পদ্ধতি পাস্তুরিত দুধ যেমন ৪ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যায়, তেমনিভাবে প্যাকেটে করে বাজারজাতও করা যায়।

4 views

Related Questions