1 Answers
আসাদের দুধ সংরক্ষণ পদ্ধতিটি হলো পাস্তুরিকরণ। যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের দেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এদেশে গবাদিপশু পর্যাপ্ত নয়। তাছাড়া এ সব গবাদিপশুর জাত উন্নত নয় বলে তাদের থেকে আমরা পর্যাপ্ত দুধ পাই না। দেশের দুধের চাহিদা মেটাতে বিশেষ করে শিশু খাদ্য হিসেবে প্রতি বছর পর্যাপ্ত পরিমাণ গুড়ো দুধ বিদেশ থেকে চড়া দামে আমদানি করতে হয়। তবে আমাদের দেশে বর্তমানে বেশ কিছু সরকারি বেসরকারি ডেইরি শিল্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেখান থেকে দেশের চাহিদার বেশ কিছু অংশ বিশেষ করে তরল দুধের ঘাটতি পূরণ হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো দুধ সংরক্ষণ নিয়ে। কারণ দুধ একটি দ্রুত পচনশীল তরল পদার্থ। দ্রুত এ তরল পদার্থ জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হয়ে খাবার অনুপযোগী হয়ে যায়। পাস্তুরিকরণ পদ্ধতিতে দুধ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গরম করে আবার হঠাৎ করে নিম্ন তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করা যায়। এ পদ্ধতিতে দুধের এনজাইম নষ্ট হয় বলে দুধ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে।