1 Answers

উদ্দীপকে স্বাস্থ্য পরিদর্শক কুমিল্লার দুধের বাজারে ল্যাক্টোমিটারের সাহায্যে দুধের ভেজাল নির্ণয়ের পরীক্ষা করেন। ল্যাক্টোমিটার দ্বারা পরীক্ষা করে দুধে ভেজাল মিশানো হয়েছে কি-না তা নির্ণয় করা যায়।স্বাভাবিক দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০৩২ থেকে ১.০৩৪ এর মধ্যে থাকে। তাই দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব যদি ১.০৩২ এর নিচে হয় তবে দুধে পানি মিশানো হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। আবার, দুধের আপেক্ষক গুরুত্ব যদি ১.০৩৪ এর অধিক হয় তবে দুধের ফ্যাট তুলে | নিয়ে গুঁড়া দুধ বা ময়দা মিশানো হয়েছে বলে অনুমান করা যেতে পারে।

বর্তমানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দুধে পানি মিশিয়ে দুধের গুণগত মান নষ্ট করছে। দুধ একটি আদর্শ খাবার। এতে পানি মিশালে এর ঘনত্ব নষ্ট হয় যা শরীরের উপকারে আসে না। স্বাস্থ্য পরিদর্শক দুজন বিক্রেতার দুধে ভেজাল পান এবং তাদের জরিমানা করেন। ফলে পরবর্তীতে দুধে ভেজাল পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ দুধের ভেজাল নির্ণয় পরীক্ষা পরবর্তীতে দুধের গুণগত মান ঠিক রাখতে সহায়তা করেছে। 

পরিশেষে বলা যায় যে, দুধ পরীক্ষা কার্যক্রমটি যথার্থ ছিল।

6 views

Related Questions