1 Answers
উদ্দীপকের সাধন শুঁটকিকরণ পদ্ধতিতে মাছ সংরক্ষণ করেন। বাংলাদেশে সূর্যালোকের সাহায্যে মাছ শুঁটকিকরণ খুবই জনপ্রিয় এবং লাভজনক পদ্ধতি। আমাদের দেশে সাধারণত শীতকালে এত বেশি মাছ ধরা পড়ে যে, সব মাছ বাজারজাত করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণেও সঠিক সময়ে মাছ বাজারজাত করা যায় না। ফলে অনেক মাছ পচে যায়। শুঁটকিকরণ পদ্ধতিতে মাছ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করে রাখা যায়। বাজারে যখন মাছের সরবরাহ কমে যায় তখন এ এ সংরক্ষণ করা মাছ সরবরাহ করে মানুষের প্রয়োজনীয় আমিষের চাহিদা পূরণ করা যায়। দেশের দরিদ্র মৎস্যজীবীরা
আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মাছ সংরক্ষণ ম করতে পারেন না। ফলে শুঁটকিকরণ পদ্ধতি তাদের জন্য বিশেষভাবে ও উপযোগী। এ পদ্ধতিতে কোনো তাপ অপরিবাহী কক্ষের প্রয়োজন হয় না এবং পরিবহন খরচও কম লাগে। অর্থাৎ, এই পদ্ধতিতে মাছ সংরক্ষণে অতিরিক্ত ব্যয় হয় না। তাছাড়া বাংলাদেশের শীতকালের আর্দ্রতা ও সূর্যালোকের স্থায়িত্ব শুঁটকিকরণের জন্য উপযুক্ত। শুঁটকি মাছে প্রচুর আমিষ ও ভিটামিন ডি থাকে। এ পদ্ধতিতে মাছ সংরক্ষণে করে সারাবছর মাছ ও আমিষের চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। এছাড়াও শুঁটকি মাছ বর্তমানে হাঁস-মুরগির অত্যন্ত পুষ্টিকর আমিষ জাতীয় খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
শুঁটকিকরণ মাছ সংরক্ষণের সহজতম পদ্ধতি এবং এ পদ্ধতিতে খ খুবই কম। তাছাড়া বাজারে শুঁটকি মাছের চাহিদাও প্রচুর। তাই বলা যায়, শুঁটকিকরণ পদ্ধতিতে মাছ পরক্ষণ বেশ সহজ ও লাভজনক কথাটির যথার্থতা রয়েছে।