1 Answers

ইসলামের দৃষ্টিতে ফেসবুক কমেন্টে বিধর্মীরা আল্লাহ বা ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করলে তাদেরকে শুধরানের চেষ্টা করা।

কারণ হতে পারে, অজ্ঞাতবশত, ভুলবশত ও অসতর্কতায় মানুষ অন্যায়ে জড়িয়ে পড়ে। তাই প্রকৃত মুসলিম ও সচেতন মানুষের অবশ্য কর্তব্য হলো মন্দ কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখার সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করা।

ইসলামের মৌলিক অবশ্যপালনীয় কর্তব্যের মধ্যে সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা কখনও শক্তির মাধ্যমে হতে পারে, আবার কখনও রসনা ও শুভবুদ্ধি সৃষ্টির মাধ্যমে হতে পরে।

আবার কখনও শুধু অন্তরের ঘৃণা দ্বারাই হয়ে থাকে। অন্তর দিয়ে সেটা করা সর্বাবস্থায়ই ওয়াজিব হবে। যে ব্যক্তি এতটুকু ঘৃণাও পোষণ করে না, সে প্রকৃত মুমিন নয়।

আল্লাহ তাআলা যে দুইটি মৌলিক উপাদানের কারণে মুসলিম উম্মাহকে শ্রেষ্ঠ ও কল্যাণকামী জাতি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন, তন্মধ্যে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ অন্যতম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,

তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানুষের কল্যাণে তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎকাজের বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১১০)।

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি জাতি হওয়া উচিত যারা সব ভালো কাজের দিকে আহ্বান করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে, প্রকৃতভাবে তারাই সফলকাম সম্প্রদায়। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০৪)।

হাদিসে অন্যায় প্রতিরোধের কথা এভাবে বলা হয়েছে যে, নবি (সাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর। (বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)।

সুতরাং ফেসবুক আইডিতে আল্লাহ ও ইসলাম ধর্মকে কুটক্তি করে সোসাল মিডিয়া ফেসবুকে স্ট্যাটাস ছড়িয়ে দিলে আইডির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।


1671 views Answered

Related Questions

হেবা কিঃ?
1 Answers 6830 Views
দান কিঃ?
1 Answers 8665 Views

Next steps