3 Answers
আলীবর্দী খানের তিন কন্যা ছিল। ক্রমানুসারে( বড় থেকে ছোট) তাদের নাম: ঘষেটি বেগম,মায়মুনা বেগম ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মা আমেনা বেগম।
ঘষেটি বেগম নিঃসন্তান ছিলেন। মেজো বোন মায়মুনার ছেলে শওকত কে তিনি সিংহাসনে দেখতে চাইতেন।কারণ সে ছিল মদ্যপ এবং চাটুকারদের কথামতো কাজ করত। তাই তাকে কৌশলে ভুলিয়ে রাজ কোষাগারের অর্থ আদায় তার পক্ষে সহজ হতো। অপরপক্ষে সিরাজউদ্দৌলা একজন সুন্দর চরিত্রের যুবক ছিলেন। তাই আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর সিরাজের সিংহাসনে আরোহণ সে কোনোভাবে মেনে নিতে পারেনি।
2998 views
Answered
সিরাজউদ্দৌলার প্রতি তার খালা ঘসেটি বেগমের আক্রোশের কারণঃ
ঘসেটি বেগমের স্বামী নওয়াজিস মোহাম্মদ ছিলেন ভগ্ন-স্বাস্থ্য ও দুর্বল চিত্তের অধিকারী ব্যক্তি। তিনি নিজে শাসনকার্য পরিচালনা করতে পারতেন না। শাসনকার্য পরিচালনা করতেন তার সেনাপতি হোসেন কুলি খাঁ। এই হোসেন কুলি খাঁয়ের সঙ্গে ঘসেটি বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে অনুমান করা হয়। ফলে আলিবর্দি খানের নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলা হোসেন কুলী খাঁকে হত্যা করেন। ঘসেটি বেগম এই হত্যাকাণ্ডকে কখনই মেনে নিতে পারেননি ।এটাই ছিল তার আক্রোশের কারণ । তাই তিনি সিরাজউদ্দৌলার প্রতি সর্বদাই ছিলেন প্রতিশোধ পরায়ণ ।
ঘসেটি বেগমের স্বামী নওয়াজিস মোহাম্মদ ছিলেন ভগ্ন-স্বাস্থ্য ও দুর্বল চিত্তের অধিকারী ব্যক্তি। তিনি নিজে শাসনকার্য পরিচালনা করতে পারতেন না। শাসনকার্য পরিচালনা করতেন তার সেনাপতি হোসেন কুলি খাঁ। এই হোসেন কুলি খাঁয়ের সঙ্গে ঘসেটি বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে অনুমান করা হয়। ফলে আলিবর্দি খানের নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলা হোসেন কুলী খাঁকে হত্যা করেন। ঘসেটি বেগম এই হত্যাকাণ্ডকে কখনই মেনে নিতে পারেননি ।এটাই ছিল তার আক্রোশের কারণ । তাই তিনি সিরাজউদ্দৌলার প্রতি সর্বদাই ছিলেন প্রতিশোধ পরায়ণ ।
2998 views
Answered