আমি একজন ছেলে। আমার বয়স ১৮+। আমার উচ্চতা ৫.১০' এবং ওজন ৫৮-৫৯ কেজি।।  আমি একটু মোটা হতে চাই।।  আমি বেশি বেশি করে খাবার খাই, ব্যায়াম করি না, কাজ কর্ম খুব একটা করি না, সব সময় সুয়ে বসে থাকি, এর পরো আমি মোটা হতে পারতেছি না কেন

2727 views

2 Answers

আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন মোটামোটি স্বাভাবিকেই আছে। 
বেশি মোটা হওয়াটা স্বাস্থ্যকর নয়। হার্টের অসুখ, ডায়াবিটিস, ডিপ্রেশন, ইত্যাদি নানা রোগ হবার সম্ভাবনা কমাতে হলে শরীরের ওজন একটা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখা উচিত।

আপনি মোটা হওয়ার মানসিকতা পরিবর্তন করে স্বাস্থ্যকর এবং রোগপ্রতিরোধকর একটি স্বাস্থ্য তৈরি করার চেষ্টা করুন। শক্তিশালী একজন মানুষ হবার চেষ্টা করুন। সঠিক সময়মত খাবার গ্রুহণ করুন সঠিক মাত্রায়। আশাকরি তখন স্বাস্থ্যের পরিবর্তন এমনিতেই হবে। 


আপনি প্রতিদিন ভিটামিন 'বি' এবং 'সি' জাতীয় খাবার দুগ্ধজাত খাবার বেশি করে খান।
দুগ্ধজাত খাবারগুলো বিজ্ঞানের ভাষায় প্রোবায়েটিকস হিসেবে পরিচিত। যেমন- দই, ঘোল, ছানা ইত্যাদি।

তাছাড়াও আপনি প্রতিদিন ব্যয়াম করুন, পরিশ্রম করুন, বোকডাউন দিন, সাতার কাটুন, রাতে ছোলা বোট ভিজিয়ে রেখে সকালে খান। প্রতিদিন সকালে কালোজিরা, কিসমিস খান। কাট বাদাম, চিনা বাদাম ভিজিয়ে সকালে খান। বেশি করে পানি পান করুন। 

সকল প্রকার নেশাজাতীয় দ্রব্য পরিহার করুন। চা,কফি অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত টেনশন মানসিক চাপ এড়িয়ে চলন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সকল প্রকার রুচিবর্ধক ঔষধ পরিহার করুন।

প্রতিদিন রাতে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমান। ধর্মীয় বিধানের প্রতি বিশেষ গুরুত্বদিন। স্বাভাবিক জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন। হাসিখুশি ভাবে সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে চলাফিরা করুন। আশাকরি নিয়ম মাফিক চলতে পারলে আপনার মানসিক, শারেরীক শক্তি, স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে ইনশাল্লাহ।


2727 views

বাজারজাত করে!! এগুলো সেবন করলে খাওয়ার অতিরিক্ত রুচি বেড়ে যাবে ফলে বেশি খাওয়া হবে। তাই বেশি খাওয়ার ফলে শরীরে অতিরিক্ত পানি ও চর্বি জমে সাময়িক ভাবে শরীর মোটা দেখাবে, এর ফলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সমূহ, লিভার কিডনির সমস্যা হবে। এই সব ঔষধ খাওয়া বন্ধ করলে আবার শরীর চিকন হয়ে যাবে। তখন অরুচি, খাওয়ার চাহিদা একেবারেই কমে যাবে। খিটখিটে মেজাজ ঘুমের সমস্যা, বিষন্নতার মতো উপসর্গ দেখা দিবে।


মোটা স্বাস্থ্য বংশগত, জেনেটিকভাবে পাওয়া। অনেকের শরীরে হরমোন পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাস পরিবেশগত কারণে যে কোন সময় মোটা হয়ে যেতে পারে। এর জন্য মোটা হওয়ার কোন ঔষধ খেতে হয়না।

কোন রিজিস্টার্ড ডাক্তার কাউকেই মোটা
হওয়ার পরামর্শ বা ঔষধ দিবেনা। যে যতো চিকন ই হোক না কেনো তার শরীরে কোন রোগ না থাকলে পৃথিবীর কোন ডাক্তার কাউকে মোটা হওয়ার ঔষধ দিবেনা, শরীর সুস্থ মানেই স্বাস্থ্য। আমাদের বাংলাদেশ বলে নয়! পৃথিবীর কোন ডাক্তার যদি মোটা হওয়ার ঔষধ বিক্রি করতো তাহলে তিনিই পৃথিবীর 1 নাম্বার ধনী হয়ে যেতো। যার প্রামাণ স্বরূপ বলতে পারি এই পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষ মোটা হওয়ার জন্য ডাক্তারের কাছে গিয়েছে, কিন্তু কেউ মোটা হওয়ার ঔষধ আনতে পারেনি/ ডাক্তার দেয়নি। তবে হাতুড়ে ডাক্তারগন স্টেরয়েড মিশ্রিত ঔষধ দিয়ে থাকে, যা ক্ষতিকর।

তাই মোটা হওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবার, দুধ ডিম, ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুমের প্রতি নজর দিন। শারীরিক কোন রোগ থাকলে একজন রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিবেন।
মোটা কে স্বাস্থ্যবান বলেনা। শারীরিক মানসিক ভাবে সাস্থ হচ্চে আল্লাহর দান যিনিষ সাস্থ বানানো যাই ভিবিন্ন ধরনের ঔষধ এখন বাজারে আসছে সেগুলো সাস্থের জন্য উপকারি নই ক্ষতিকর আশাকরি আপনি বুজতে পারছেন 
2727 views

Related Questions