Mdazadbd

Mdazadbd

Mdazadbd

About Mdazadbd

Experience and Highlight
Male
Work Experiences
Skills
Language
Trainings
Education
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 30.32k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 5.65k বার
8 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 5.62k বার
19 টি উত্তর দেখা হয়েছে 24.70k বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
টাইমলাইন


পৃথিবীর সব প্রাণীর ক্ষেত্রেই ঘুম একটি জরুরি প্রক্রিয়া। যা কি না মানুষের ক্ষেত্রে সঠিক শ্বাসক্রিয়া, রক্ত সঞ্চালন, শারীরিক বৃদ্ধি ও সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এই সময় আমাদের শরীরের পাঁচ শতাংশ বেশি রক্ত মস্তিষ্কের দিকে সঞ্চালিত হয়। যখন আমরা ঘুমোই, তখন আমাদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন ‘কেন্দ্র’ এক টানা কাজ করে।

নিদ্রা আর জাগরণের প্রক্রিয়াটি সঠিক ভাবে চালু রাখার জন্য। প্রতি দিন ২৪ ঘণ্টায় আমরা ১৬ ঘণ্টা জেগে কাটাই আর ৮ ঘণ্টা থাকি ঘুমিয়ে। আর তার জন্য যে ‘কেন্দ্র’টির ভুমিকা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, সেটি হল- আমাদের মস্তিষ্কের নীচের দিকে থাকা ছোট্ট বাদামের মতো একটি অংশ। যার নাম-‘হাইপোথ্যালামাস (Hypothalamus)’। আমরা জেগে থাকব নাকি ঘুমিয়ে পড়ব, তার অনেকটাই নির্ভর করে ‘হাইপোথ্যালামাস’ আর ‘ব্রেন স্টেম’ নামে দু’টি বিশেষ অংশের ওপরে।

মস্তিষ্কের যে দু’টি অংশের কথা বললাম, তার কিছু নিউরন বা স্নায়ুকোষই এই কাজটার জন্য দায়ী। এদের দু’ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে যে স্নায়ুকোষগুলি উত্তেজিত থাকলে আমরা এক টানা ১৬ ঘণ্টা জেগে থাকতে পারি, তারাই তখন ক্রমাগত ‘ঘুম আনার জন্য দায়ী’ স্নায়ুকোষগুলিকে দাবিয়ে রাখে।

নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের ‘হাইপোথ্যালামাস’ আর ‘ব্রেন স্টেম’-এর বিশেষ কিছু স্নায়ুকোষ উত্তেজনার সঙ্কেত (সিগন্যাল) মস্তিষ্কের ‘হায়ার সেন্টার’ বা ‘কর্টেক্সে’ (মস্তিষ্কের ওপরের অংশটিকে) পাঠাতে থাকে যতক্ষণ আমরা জেগে থাকি বিশেষ ‘রাসায়নিক সংবাদদাতা’ বা ‘কেমিক্যাল নিউরো-ট্রান্সমিটার’-এর মাধ্যমে।

মস্তিষ্ককে উত্তেজিত রাখতে গিয়ে ‘হিস্টামিন’ নামে এক ধরনের নিউরো-ট্রান্সমিটার নিঃসরণ করে ‘হাইপোথ্যালামাস’-এর ‘টিউবারো-ম্যামালিয়ারি নিউক্লিয়াস’ বা ‘TMN’ নামে স্নায়ুগুলি থেকে। ঘুমের সময়, ‘হাইপোথ্যালামাস’-এর ‘ঘুমের জন্য দায়ী’ ‘ভেনট্রোল্যাটেরাল প্রি-অপটিক নি‌উক্লিয়াস’ বা, ‘VLPO’ স্নায়ুকোষগুলো উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এই সময়টিতে তারা ক্রমাগত ‘জাগিয়ে রাখার’ স্নায়ুকোষগুলোকে পুরোপুরি দাবিয়ে রাখার চেষ্টা চালায়।

ইশ্বর লীলা করেন এটা বোঝাতে যে, আমরা সাময়িক যা করছি তার ভবিষ্যত আমাদের পরিকল্পনার মত সাজানো নয়। নিয়তি সব কিছু পরিবর্তন করে দিতে পারে। তাই আজকের কর্ম ভবিষ্যতকে ভেবেই করা উচিত। 

এই কারনে সনাতন ধর্মে শ্রী কৃষ্ণ বলেন "আমি যা করি তোমরা তা করোনা, আমি যা বলি তাইই কর"


ঈশ্বর এর অবস্থান সর্বত্র। আমাদের মাঝেই তিনি অবস্থান করেন। নিরাকার এই ঈশ্বর আমাদের উপর তার লীলা প্রকাশ করে এবং কৃপা ববর্ষণ করে। আমাদের বিশ্বব্রক্ষ্মাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে তিনি তার মাহাত্ম্য প্রকাশ করেন। আকাশে-বাতাশে,  দূল্যকে ভূলকে সর্বোত্রই ছড়ানো তার মহাত্ন্য। 

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পূর্বে, পশ্চিম পাকিস্থানের শাসন শোষন ও কৃষি বৈষম্যের জন্য এদেশের কৃষি ক্ষেত্রে খুব বেশি অগ্রগতি লাভ করেনি। স্বাধীনতার পর কয়েকটি মাত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্সটিটিউট ভেটেরিনারী প্রতিষ্ঠান ছিল। মানুষের তেমন কোন প্রশিক্ষন ছিলনা। কিন্তু আজ আর সে অবস্থা নাই। এখন দেশে চারটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি ভেটেরিনারী প্রতিষ্ঠান ও জেলা পর্যায়ের অধিদপতের শাখা ছড়িয়ে আছে। এখন বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষিতে অনেক এগিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানি ও ব্যবহারের মাধ্যমে  বহুগুনে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছে। বলা যায় যে তাই বাংলাদেশ কিছু কিছু কৃষি পন্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ন অর্জন করেছে। কিন্তু তবুও ছোট একটি দেশ তার জনসংখ্যা বিশাল। দিনের পর দিন বাড়তি জনস্নগখ্যার জন্য কৃষি জমি কমে যাওয়ায় অল্প যায়গায় অধিক ফসল উৎপাদন ও সারাবছর চাষের জন্য উন্নত প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। সর্ব ক্ষেত্রে সেচ ব্যবস্থা এখনো উন্নত হয়নি। কৃষি যন্ত্রপাতী, জৈব সার সবুজ সার তৈরি ইত্যাদিতে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে।

অন্যদিকে ভিয়েতনামের কৃষি অনেক উন্নত। তারা কয়েক বছরের মধ্যে কৃষি যন্ত্রপাতী উন্নায়ন ও নানা কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে তা ব্যবহার করছে। এর ফলেই বর্তমানে ভিয়েতনাম চাল উৎপাদন ও রপ্তানিতে প্রধান দেশে পরিণত হয়েছে। ভিয়েতনাম আজ উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সময়ে অনেক বেশি কৃষি পন্য বা ফসল উৎপাদন করছে। যার সাথে বাংলাদেশের খুব কমই মিল রয়েছে।



ভিয়েতনামের সাথে বাংলাদেশের ধান উৎপাদনে বেশি মিল রয়েছে। ২৫ বছর আগে ভিয়েতনাম কৃষিতে অনগ্রসর ও দুর্বল ছিল। তারা আজ প্রায় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে।

ভিয়েতনামের কৃষি সমবায় অত্যান্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল। সেখানে সকল কৃষক কোন না কোন সমবায়ের সাথে যুক্ত ছিল। এসকল সমবায় গুলো কৃষকদের নগদ অর্থসহ বীজ, সার, উন্নত ও নতুন নতুন প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করত। এবং ফসল বিক্রিও করে দিত সঠিক মূল্যে ফলে কৃষকগন শোষনের শীকার হতনা বলে তারা আর্থিক লাভবান হয়ে সবসময় উন্নত প্রযুক্তি গ্রহনে আগ্রহী ছিল। এসকল কারনে ভিয়েতনামের কৃষি বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে দ্রুত উন্নত হয়েছে।

জোড়া কলম করতে দুইটি পৃথক গাছকে একত্রে জোড়া লাগানো হয়। এই পৃথক দুইটি গাছের অংশের একটিকে রুট স্টক বলে এবং অন্যটিকে সায়ন বলে।

জোড়া কলম প্রধানত দুই ধরনের হয়।

১) যুক্ত জোড়া কলম এবং

২) বিযুক্ত জোড়া কলম।

জোড়া কলমের মাধ্যমে আম, কুল, পেয়ারা, লেবু ইত্যাদি গাছের বংশবিস্তার


আমি অনেকনি ধরে তাকে ভালোবাসি অনেক অফার দিয়েছি কিন্তু সে আমাকে কোন মুল্য দেয় না এবং আমার প্রস্তাব অনেক বার ফিরিয়ে দিয়েছে এখন আমার কি করা উচিত?