দোয়া কবুলের নিশ্চয়তা ঠিক কতটুকু?
আমি জানি যে দোয়া করলে তার কোনো না কোনো বেনেফিট আছেই । কিন্তু আমি জানতে চাই এমন কী কোন উপায় আছে যে দোয়া করলে তা কবুল হবেই শিউর থাকা যায় । ১০০ %
ধরুন আমার এমন কিছু বিষয়ের ব্যপারে অথবা আমার এমন কিছু প্রোয়জন হল , আমি আল্লাহর কাছে চাইলাম । আর তা আল্লাহ আমায় দিলেন । অর্থাৎ আমি যা চাইলাম তাই দিলেন ।
অনেক ক্ষেত্রে দোয়া কবুল হয় না এই অর্থে যখন আমরা যা চাই তা পাই না ।যদি এমন কোনো উপায় বা আমল থাকতো যাতে যত কষ্টই হোক না কেন দোয়াটা কবুল হতো !
1 Answers
দোয়ার ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করা। তাড়াহুড়া করা দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে বড় বাধা। হাদিসে এসেছে, “তোমাদের কারো দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তাড়াহুড়া করে বলে যে: ‘আমি দোয়া করেছি; কিন্তু, আমার দোয়া কবুল হয়নি”[সহিহ বুখারী (৬৩৪০) ও সহিহ মুসলিম (২৭৩৫)]
দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া না হওয়া; যেমনটি ইতিপূর্বে উল্লেখিত হাদিসে এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে।”
রাসূল (সা.) দোয়া কবুলের যে সময়গুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলো বুঝে এবং জেনে এই সময়ে যদি আল্লাহর বান্দা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করেন, আল্লাহ সুবানাহুতায়ালা মেহেরবানি করে বান্দাদের দোয়া কবুল করবেন।
আজান ও একামতের মধ্যে দোয়া কবুল হয়ে থাকে। সিজদারত অবস্থায়, সিজদাহে দোয়া কবুল হয়ে থাকে। বৃষ্টি যখন অবতীর্ণ হয়, তখন দোয়া কবুল হয়ে থাকে। জুমার দিন ইমাম সাহেব খুতবা দেওয়া শুরু করা থেকে আরম্ভ করে সালাত শেষ করা পর্যন্ত এবং বিকেল বেলায় ‘সালাতুল আসর’-এর পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়ে থাকে।
প্রতি রাতে যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে তখন আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন। তখন তিনি বলেন, কে আছে আমার কাছে দোয়া করবে আমি কবুল করব? কে আমার কাছে তার যা দরকার প্রার্থনা করবে আমি তাকে তা দিয়ে দেবো? কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি ক্ষমা করে দেবো।’