3 Answers

হুম আমরা অনেকেই আছি যে ঘুমাতে গেলে নানান চিন্তা মাথায় আসে ফলে ঘুমাতে ৩০মি/১ ঘন্টা লাগে।এর কারনে একটাই যা হলো দুশ্চিন্তা করা। তবে অন্যান্য রোগের কারনে বা ঔষধের কারনে ঘুমের ব্যঘাত ঘটে থাকে। যাইহোক আপনি ঘুমানোর আগে একটু হাটাহাটি করবেন। ঘুমাতে গেলে মোবাইল টিপবেন না।চিত হয়ে দিবেন না।প্রতিদিন ডান কাদ ও বাম কাদ হয়ে ঘুমাবেন, উপর হয়ে বা চিত হয়ে ঘুমাবেন না। ঘুমানোর সময় জোরে শ্বাস নিন ও চেপে ধরবেন ও আসতে আসতে ছেরে দিন এভাবে শ্বাস নেওয়ার উপর মনযোগ হলে আর দুশ্চিন্তা আসবে না ও ঘুম আসবে তাড়াতাড়ি।
2835 views
আমাদেরনেকের ই এই সমস্যা আছে। এই সমস্যা সমাধানের দুইটি উপায় আপাতত আমি ভালো মনে করছি। ১। ঔষধ খাওয়াঃ আপনি কোনো ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ খেতে পারেন। তবে এতে পার্শ প্রতিক্রিয়া আছে। ২। ইসলামী পদ্ধতিঃ আপনার ঘুম না আসলে আপনি ডান দিক হয়ে শুয়ে কোনোজিকির করতে পারেন, বা কোনো সুরা পড়তে পারেন। তখন শয়তান চাইবেনা আপনি এসব পড়ে নেকি অর্জন করেন, তাই সে আপনার গা শরীর টিপে দিতে থাকবে এবং আপনার ঘুম আসবেই। এটিরপ্রমাণ আমি নিজে পেয়েছি। ট্রাই করতে পারেন।
2835 views
বিছানায় ঘুমাতে গিয়ে অনেক সময় পর্যন্ত ঘুম না আসা অনেক বড় অস্বাভাবিক কোনো কিছু নয়, সারা দিন শেষে আমরা যখন ঘুমাতে যাই ঠিক ওই মুহূর্তটা আমাদের হাতে করনি অন্য কিছু থাকেনা । তখন আমরা সারাদিনের ভালো এবং খারাপ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে ও বিশ্লেষণ করতে শুরু করি। এই বিশ্লেষন থেকে অনেক কিছু শিখার রয়েছে তাই এটা আমাদের জন্য ভালো। আপনি যেহেতু বলছেন যে এই কারণে আপনার বেশ খানিকটা সময় কেটে যাচ্ছে এবং আপনি বিরক্ত বোধ করছেন। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কিছু কাজ নিচে বর্ণনা করছি - প্রথমত ঘুমের আগে নিজেকে ক্লান্ত করে নিবেন, অর্থাৎ শারীরিকভাবে পরিশ্রম করবেন। দ্বিতীয়তঃ আপনি ঘুমাতে গিয়ে যখন অনুভব করবেন যে আপনি অধিক মাত্রায় চিন্তাভাবনা করছেন । তখন আপনি আপনার মনকে অন্যদিকে ডাইভার্ট করার চেষ্টা করবেন। এমন কিছু করবেন যা তেমন মিনিংফুল নয় যেমন উল্টোভাবে এক দুই গণনা করা। এছাড়াও নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে ফলো করতে পারেন বা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, এটা খুবই কার্যকরী একটা উপায়। এতে করে আপনার মাথায় নতুন কোন চিন্তা আসবে না।
2835 views

Related Questions