আমার বয়স ২০,আমি গত বেস কিছুদিন যাবত একটা সমস্যায় ভূগছি..!আমার সমস্যা টা উল্লেখ করার আগে বলে রাখি আমি একজন পজেটিভ মাইন্ড এর মানুষ. সমস্যা টি হচ্ছে আমি একটা মেয়েকে খুব ভালবাসি,মেয়েটি নেগেটিভ মাইন্ড এর, মেয়েটি আমার প্রায় একই বয়সের , আসলে বয়সের ৩বছর  গ্যাপ হলেও পড়াশোনায় একই ক্লাসের. কিন্তু মেয়েটি আর সাভাবিক মেয়েদের থেকে আলাদা মন অমানুষিকতা অনেক টা ছোট মানুষ দের মতো...তার কিছু ব্যবহার এ মনেহয় আমাকে সে ভালই বাসে না,,  যাইহোক ভালবাসুক আর নাই বাসুক সেটা সমস্যা না, সমস্যা টা হচ্ছে.. আমি তাকে ছরতেও পারিনা ধরতেও পারি না. আই মিন আমি তাকে খুব বেশি বুঝতে গেলে কিছু বিহ্যাভ এ কষ্ট পাই, আবার তাকে ভুলে যাবো ভেবে আমিই কষ্ট পাই..আমি মানুষিক ভাবে খুবই চাপে আছি,এমন কি আমার ঘুম ও হয়না ঠিক ঠাক, আমার এখন কি করা উচিত যদি একটু সঠিক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেন উপক্রিত হবো

2904 views

1 Answers

এই বয়সের সবচেয়ে ক্রিটিকাল সময় হচ্ছে এই সময়টা। বর্তমান যুগের সকল ছেলেমেয়েকে এই সময়টা খুব বেশি সমস্যায় ফেলে। আসলে প্রধান সমস্যাটা হচ্ছে গিয়ে এই সময় আমরা চাই যে কাউকে ধরে রাখতে তো যখন আমরা তাকে ধরে রাখতে পারছি না তখন আমরা চাই তাকে সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দিতে। ছেড়ে দিতে গিয়ে পড়ি আমরা আরো বেশি বিপাকে তখন দেখি ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে ধরে রাখাটাই বেশি উত্তম ছিল, কষ্ট হলো ও আমাদের তাই করা উচিত ছিল এরকমটা মনে হয়৷ কিন্তু এতসব হওয়ার পরও আমরা এই সময়টায় বিশেষ ভালো কোনো সলিউশন পাইনা - এর প্রধান কারণ হলো আমাদের এই বয়সে কোন কিছু পাওয়ার চিন্তা করলে, বা স্বপ্ন দেখলে - আমরা তা পাওয়া বা পূরণ করার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে যাই। আর এই ব্যাপারটা যখন আমরা করতে না পারি তখন আমরা ভুল পথে চলতে শুরু করি। এবার আলোচনা করবো সমাধান নিয়ে - আমার মনে হয় তাকে পাওয়া বা না পাওয়ার ইচ্ছাটা প্রখর না করে তার সাথে যোগাযোগ রাখা তার সাথে থাকার ব্যাপারটা প্রখর করা উচি। আমরা যখন দাবি করা ব্যাপারটা থেকে বের হয়ে আসতে পারবো তখন আমাদের জন্যই ব্যাপারটা আরো বেশি সহজ হবে এবং আরো বেশি বাস্তব মুখি হবে৷ তার সাথে ভবিষ্যতে কি দিবেন না দিবেন এই ব্যাপার অনেক বেশি আলোচনা করে এখন তিনি আর আপনি কি করতে পারেন - কিভাবে নিজেকে আরো বেশি দক্ষ করে তুলতে পারেন এই ব্যাপার নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করাটা বেশি জরুরী। তাকে এবং আপনার নিজেকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং সে অনুপাতে চলুন৷ চেষ্টা করুন নিজেকে আরো অন্য কোন দিকে কাজে লাগানোর জন্য এতে করে মানসিক চাপ আরো অনেকটা রিলিজ হবে। এই সমস্যাটার নির্দিষ্ট কোন সমাধান নেই তবে এই সমস্যাটা বুঝতে পারাটাই এর আসল সমাধান।
2904 views

Related Questions