এটা কি ভালো লক্ষণ নাকি খারাপ লক্ষণ?
আমার ৭/৮ দিন যাবত কিছুক্ষণ পর পরই ক্ষুধা লাগে। বলি রাখি, আমি যখনই খাই যে খাবারটাই খাই তা একেবারে কমও খাই না আবার খুব বেশিও খাই না অর্থ্যাৎ পেট ভরেও খাই না। এই ধরুন ফজরের নামাজ পড়ে খালি পেটে কাঁচা ছোলা ও ইসুবগুলির ভুষি এবং ৩/৪ টা খেজুর খাই। এর পর ২/৩ ঘন্টা পর আবার নাস্তা খাই। ৩ টা রুটি ও সাথে সবজি এর পর আবার ১০/১১ টার দিকে আবার খিদা লেগে যায়, তখন গাজর বা কমলা বা বিস্কুট বা মুড়ি ইত্যাদি হালকা খাবার খাই। দুপুরে ২ টার আগেই আবার ক্ষুধা লেগে যায়,, তখন খুব ক্ষুধা থাকা স্বত্ত্বেও আমি ৩/৪ কাপ ভাতের বেশি খাই না। সবজি অর্থ্যাৎ তরকারি খাই বেশি আমি। আবার বিকাল ৪/৫ টার দিকে খুব ক্ষুধা লেগে যায়।তারপর হালকা কিছু খাই। আবার সন্ধ্যা ৭/৮ টার দিকে ক্ষুধা লেগে যায় তখন আবার খেজুর, মুড়ি, বিস্কুট রঙ চা ইত্যাদি হালকা খাবার খাই। আবার ৯/১০ টার দিকে খুব ক্ষুধা লেগে যায়। রাতে রুটি ২ টা ও সবজি বা ডিম ভাজি খাই , শোয়ার আগে আবার দুধ,মধু কালোজিরা এইগুলা খেয়ে ঘুমাই। এখন আমার প্রশ্ন হলো এই গুলা তো আমি আজ ৩/৪ মাস ধরেই খাচ্ছি। কিন্তু আমার তো আগে এত ক্ষুধা লাগতো না। তাহলে খাবার তো আগের মত বর্তমানেও খাচ্ছি তাহলে আমার বর্তমানে(৭/৮ দিন ধরে) এত ক্ষুধা লাগে কেন? বলে রাখি আমি আবার দুপুরে গোসল করার আগে বা কখনও সকালে ২০/৩০ মিনিট ব্যায়াম করি। তবে সপ্তাহে ৪ দিন এই ব্যায়াম করি। কিন্তু ব্যায়াম তো আগেও করতাম। বরং এখন থেকে ব্যায়াম তখন আরও বেশি করতাম। তারপরেও আমার এত ক্ষুধা লাগত না। এটা কি দেহের কোনো খারাপ লক্ষণ নাকি আমি সুস্থ? আমার বয়স ২৪ বছর। উচ্চতাঃ ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি। ওজনঃঃ ৭৩ কেজি।। অবশ্যই ভালো পরামর্শ দিবেন?
1 Answers
এটা দেহের খারাপ লক্ষন না। আর হ্যা আপনি নাস্তা টা বেশিই খাচ্ছেন অর্থাৎ ভাতের চেয়ে নাস্তা জাতীয় খাবার গুলো ঘন ঘন খাচ্ছেন।কিন্তু পেট ভরে ভাত খাওয়ার মত খুদা নিবারণ এর চেয়ে কিছু নেই।
কাজেই আপনি নিয়মের বাহিরে। এরকম ঘন ঘন নাস্তা খেয়ে ভাতের প্রতি বা ভাতের রুচির প্রতি আসতে আসতে দুরে চলে যাচ্ছেন ফলে ফলমূল বা নাস্তা খাওয়ার উপর অভুস্ত হচ্ছেন।
আপনি নিয়ম মেনে চলুন ঘরে নাস্তা থাকলেই তা বার বার খেতে হবে তা কিন্তু না।
আপনি সকালের খালিপেটের খাবার গুলো খাওয়ার পর নাস্তা করুন।এর পর ৯ টার মধ্যে ভাত খেয়ে নিন পেয় ভরে খাওয়ার চেস্টা করবেন।
তার পর ১১/১২ টায় খিদা লাগলেও কোন নাস্তা /ফল খবেন না তানা হলে ভাত খেতে পারনেন না।আর খেলে ভাত সামান্য খেতে পারবেন ফলে আবার দুপুরের পর খিদা লাগবে।তাই ১১/১২ টায় খিদা লাগলেও আপনি দুপুরে নামাযের পর খেয়ে নিন তাহলে খিদার কারনে অনেক ভাত খেয়ে পারবেন ও খিদা পূর্ন হবে।
এর পর আছরের নামাযের পর হালকা নাস্তা করুন। তার পর রাত এশার নামাযের পর বা ৮/৯ টার মধ্যে খেয়ে ৩০ মিনিটের মত রেস্ট নিয়ে ঘুমাতে যান।এভাবে মেনে চলুন।ইনশাআল্লাহ এরকম ঘন ঘন ক্ষুদা থেকে মুক্তি পাবেন।
ধন্যবাদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy