1 Answers

Plasmodium গণভুক্ত আণুবীক্ষণিক পরজীবী। এরা মানুষ ও আন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী।

মানুষের যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবী অযৌন পদ্ধতিতে জীবনচক্র সম্পন্ন করে

এদের জীবনচক্রে "'সাইজন্ট"' নামক একটু বিশেষ দশা বিদ্যমান থাকেন

এ ধরনের "'অযৌন"' জননকে "'সাইজোগনি"' বলে। সাইজোগনি দুটি প্রধান পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়-

  • হেপাটিক বা যকৃত সাইজোগনি
  • এরিথ্রোসাইটিক বা লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি

হেপাটিক বা যকৃত সাইজোগনি

হেপাটিক সাইজোগনি দুটি পর্যায়ের মাধ্যমে সংঘটিত হয়-

  • প্রি এরিথ্রোসাইটিক হেপাটিক সাইজোগনি
  • এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক হেপাটিক সাইজোগনি

প্রি-এরিথ্রোসাইটিক হেপাটিক সাইজোগনি

  • Anopheles মশকীর লালাগ্রন্থিতে অবস্থিত Plasmodium এর স্পোরোজয়েট দশার জীবাণু মশকীর দংশনের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং প্রায় ৩০মিনিট এর মধ্যেই রক্তস্রোতের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায় এবং হেপাসাইটিক র আক্রমণ করে।
  • যকৃত থেকে খাদ্য গ্রহণ করে মাকু আকৃতির স্পোরোজয়েট গুলো গোলাকার ক্রিপজয়েট এ পরিণত হয়।
  • প্রতিটি ক্রিপ্টোজয়েট এর নিউক্লিয়াস ক্রমাগত বিভক্ত হয়ে কয়েকদিন এর মধ্যে বহ নিউক্লিয়াস (প্রায় ১২০০) বিশিষ্ট দশায় পরিণত হয়।পরজীবীর এ দশাকে সাইজন্ট বলে।
  • পরবর্তী পর্যায়ে সাইজন্ট এর প্রতিটি নিউক্লিয়াস কিছু পরিমাণ সাইটোপ্লাজম এবং চারপাশে! প্লাজমামেমব্রেন সৃষ্টি করে। পরজীবীর এ দশাকে ক্রিপ্টোমেরোজয়েট বলে।
  • চক্রের শেষ পর্যায়ে হেপাসাইট বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং ক্রিপ্টোমেরোজয়েটগুলো যকৃতের সাইনুসয়েডে আশ্রয় নেয় এবং এখান থেকে পরবর্তী চক্র শুরু হয়।
2842 views