শরীল খুবই দুবল...?
আমার শরীল দুবল কোন কাজ করতে মন চায় না... আর প্রচুর ঘাম হয়... এটার থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে??? বা কোন ঔষধ আছে...
2 Answers
শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে প্রয়োজন একটু সতর্কতা আর কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলা। যা নিচে দেয়া হলো:
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়ুন
সকাল সকাল বিছানা ছাড়ার অভ্যাস করতে হবে। বেশি সময় বিছানায় থাকাটাও শারীরিক দুর্বলতার কারণ। সকাল ৮-৯ টায় সূর্যের আলোর মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে দেহে ভিটামিন ডি পৌঁছায় যা আমাদের দেহের হাড়ের গঠন সুগঠিত করার পাশাপাশি আমাদের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে সহায়তা করে।
কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া
কাজের ফাঁকে কিছুটা সময় বিশ্রাম নেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে দেহের কোষগুলোকে তরতাজা করে তোলে। বিশ্রাম হারিয়ে যাওয়া শক্তি আবারো ফিরিয়ে নিয়ে আসে। আমাদের শারীরিক দুর্বলতাও কেটে যায়।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শরীরে পানির অভাব হলে আমরা শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে যাই। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ সকলের। দেহ হাইড্রাইট থাকলে শারীরিক দুর্বলতার সমস্যা কেটে যায় একেবারে।
এনার্জি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন করুন
শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক ভাবে শক্তিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিৎ যা দেহে শক্তি ফিরিয়ে দেবে। যেমন- বাদাম, কলাই, কমলা এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার। এতে করে শারীরিক দুর্বলতাকে কাটিয়ে উঠা সম্ভব।
পর্যাপ্ত ব্যায়াম করা
প্রতিদিন সকালে হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। হালকা ব্যায়ামে দেহের সব জায়গায় রক্ত চলাচল ঠিকভাবে বজায় থাকবে। আপনিও সুস্থ থাকবেন এবং ফিরে পাবেন দেহের হারানো শক্তি।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান
কারণ ঘুমের মাধ্যমে আমাদের দেহ নতুন করে শক্তি অর্জন করে। তাই ঘুমের পরিমাণ কম হলেও আমরা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যাই। তাই পর্যাপ্ত ঘুমই দূর করতে পারবে শারীরিক দুর্বলতা।
অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়
০১. ভিটামিন বি-১২র অভাবে এই রোগ হয়। তাই ভিটামিন বি-১২ যেসব খাদ্যে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় সেসব খাদ্য গ্রহণ করুন। যেমন কলা, ডিম, দুধ, গাজর, টমেটো, সবুজ শাক, মাছ, কাঠ বাদাম ইত্যাদি।
০২. ভিটামিন বি পরিবার যেমন, বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫যুক্ত খাদ্য। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন বি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন।
০৩. বেশি করে পাকা ফলমূল ও শাকসবজি খাবেন। পাকা পেঁপে, তরমুজ, আম, কামরাঙ্গা, ফুলকপি, গাজর, বরবটি খুব উপকারী।
০৪. শারীরিক দুর্বলতা থেকে এটি হয়ে থাকে। তাই পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি, ফলমূল বেশি পরিমাণে খান।
০৫. আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন – এসপারাগাস, ব্রকোলি, টারকি, গরুর মাংস, যকৃত, সাদা পেঁয়াজ, খাবার লবণ প্রভৃতি থেকে এটি হয়ে থাকে। তাই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
০৬. চায়ের মধ্যকার টনিক এসিড প্রাকৃতিক ঘাম বিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই দেড় লিটার পানির মধ্যে পাঁচটি চায়ের ব্যাগ মিশিয়ে সেটার মধ্যে ১০-১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। তাছাড়া সবুজ চা পান করুন। এতেও উপকার পাবেন।
০৭. হাতে-পায়ে কোনও ধরনের পাউডার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এটি ঘাম দূর করার পরিবর্তে আরো বাড়িয়ে দেবে।
০৮. পান, ক্যাফেইনযুক্ত কফি, ধূমপান প্রভৃতি থেকে বিরত থাকুন কারণ এগুলো অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন করে।
০৯. বেশি বেশি পানি পান করুন। পানি দিয়ে মুখ, হাত, পা বারবার ধুয়ে ফেলুন।
১০. শশাতে লবণ না মেখে খাবেন। এতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকবে এবং ঘাম কমে যাবে।
অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ডাক্তারি পরামর্শ
ঘামের বিরক্তিকর অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসাবিজ্ঞান মেডিসিনিকল এবং সারজিকল দুই উপায়েই চেষ্টা করে কিছু ঘামবিরোধী ক্রিম, ইনজেকশন, ইলেকট্রিক থেরাপি ও ড্রাইসল বের করেছে। সারজিকল চিকিৎসা হিসেবে অতিরিক্ত ঘাম উৎপাদনকারী স্নায়ুর বিশেষ অংশ কেটে ফেলে দেয়া হয়। স্থায়ীভাবে ঘাম দূরীকারক এই পদ্ধতিটি তেমন সুবিধার নয়। কারণ অপারেশনের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত এবং অপারেশন-পরবর্তী ওষুধে যাদের এলার্জির সমস্যা আছে তাদের জীবনের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই অতিরিক্ত ঘাম থেকে রক্ষা পেতে সাময়িক উপশমকারী ড্রাইসল বা অ্যালুমিনিয়াম কোরাইড হেক্সাড্রেট এলকোহোলিক সলুশনজাতীয় (ড্রাইসল) ওষুধ অনেক কার্যকর।
আপনার শরীর দুর্বল এর মুলত কারন হতে পারে ভিটামিন, আয়রনের ও ক্যালসিয়াম এর অভাব যার কারনে বিপি লো থাকায় আপনি শারীরিক ভাবে খুবেই দুর্বল ফিল করতেছেন।
এ থেকে মুক্ত পেতে নিয়মিতভাবে খাবারের প্রয়োজন রয়েছে, যেমন পুষ্টিকর খাবার,সিদ্ধডিম, কলা,পাকা পেপে,আপেল,আঙ্গুর এছাড়াও ইত্যাদি ফলমূলাদি খাওয়ার অভ্যাস করুন।পাশাপাশি জিম করুন। প্রতিদিন সকালে হাটুন।পর্যাপ্ত পানি পান করুন ও ভিটামিন সি,বি,এ, এবং আয়রন ও ক্যালসিয়াম জাতীয় ঔষধ সেবন করুন।
ধন্যবাদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy