একটি অপ্রকাশিত প্রেমের সমাধান চাই?
আমাদের বাড়ির পাশের একটি মেয়েকে আমি খুব পছন্দ করি, কিন্তু প্রথম প্রথম ওকে আমি বেশ গুরুত্ত্ব দেয় নি, সে কাছের প্রতিবেশি বলে প্রায় আমাদের মধ্য দেখা হতো।আমি মেয়েদের সামনে কম কথা বলি যার কারণে ওর সাথে আমি কোনদিন কথা বলিনি শুধুমাত্র কিছু প্রয়োজনে দু একদিন ওর সাথে কথা বলছি-তাও ১মিনিটের বেশি হবে না।কিন্তু গ্রামে চলাফেরার সময় আমাদের মধ্যে ঘন ঘন দেখা হলে ও আমার দিকে তাকিয়ে থাকত,আমিও থাকিয়ে থাকতাম-সবসময়ি আমাদের মধ্যে এরকম হতো -কিন্তু কোন কথা হতো না-ঠিক এরকম ৫-৬মাস চলতে থাকে-আস্তে আস্তে ওর প্রতি আমার একটা ভালোলাগা কাজ করে-একবার আমার চাচাতো ভাইকে টিউশনি পড়ানোর জন্য তাকে রাখা হলো।তারপর থেকে প্রতিদিনই সে চাচাতো ভাইকে পড়ানোর জন্য আমাদের বাড়িতে আসতো- যার কারণে প্রতিদিনই ওর সাথে আমার দেখা হতো। দেখা হলেই ও আমার দিকে সুন্দরভাবে তাকিয়ে থাকত কিন্তু কোন কথা হতো না।অকে আমি সাহস করে কোন দিন ওর সাথে দু-একটি কথাও বলিনি-তারপর থেকে ওর প্রতি আমার আরো ভালোবাসার সৃষ্টি হয়-কিন্তু তা কোনদিন ওর সামনে প্রকাশ করিনি-প্রতিদিনই দেখা হতো -প্রতিদিনই একজন আরেকজনের দিকে তাকাথাম।একদিন ভাবলাম যা হবারতো হবেই ওকে আমার মনের কথা বলেই দিবো - কিন্তু ওর সামনে গিয়ে ৬-৭ বার ফিরে এসেছি বলতে পারিনি।তাই আমার চাচতো ভাইকে একটা চিঠি দিলাম -আর বল্লাম সে যখন তোকে পড়াতে আসে তখন এই চিঠিটা অকে দিয়ে দিস বলবি আমি দিয়েছি-চিঠিতে লিখা ছিল ইংরেজিতে-unexposed affair অর্থাৎ অপ্রকাশিত প্রেম - যাস্ট এতোটুকুই আর কিছু লিখা ছিল না। সে চিঠিটি আমার চাচাতো ছোট ভাইয়ের কাছ থেকে নিয়ে গেলো,কিন্তু চিঠিটি পাওয়ার পরও আমাকে সে এখনো কিছু বলে নি-এখন আমি জানতে চাই ও কী আমাকে ভালোবাসে-এখন আমার করণিয় কি?
2 Answers
হুম শতভাগ নিশ্চিত থাকেন।
সে আপনাকে ভালোবাসে।
কিন্তু মেয়েরা সহজে উ্ত্তর দিতে চায়না। যেহেুতু আপনার চিঠিটার ভাষা অত্যন্ত অর্থপূর্ণ তাই তার বুঝতে হয়তো একটু প্রব্লেমও হচ্ছে।
তাই একটু সময় নিয়ে চিঠির উত্তর দিবে।
অপেক্ষা করেন।
ধন্যবাদ।
ভাই সে কিছু বলুক বা না বলুক, আপনি এখন কিছু বলতে যেয়েন না। উত্তর পাওয়ার চেষ্টাও করার দরকার নাই। কেন উত্তর দিলেন না, উত্তরটা কি পাবো? ইত্যাদি কিছু বলার দরকার নাই। যেভাবে চলছে এভাবেই থাক, তবে নিজেকে একটু পাল্টাতে পারেন। যেমন কথা বলা শুরু করুন তবে তা ফর্মাল। আপনি যে তাকে ভালবাসেন এ ধরনের কথা না। ভালমন্দ জিজ্ঞাসা করুন, আব্বু আম্মু কেমন আছে খোজ খবর নিন। বাসায় পড়াতে অসুবিধা হচ্ছে কিনা এসমস্ত ফর্মাল কথা বলেই শুরু করুন। ভালবাসার ব্যাপারে অপেক্ষা করুন। সে নিজে কিছু বললেই ভাল। না বললে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। সে যেদিন টিউশন শেষ করবে আপনাদের বাড়িতে, তারপর বলুন। হতে পারে আপনাকে ভালবাসে। আর এটি হলে আপনার ব্যবহারে সে আরও বেশি ভালবাসবে। আর যদি ভাল না বাসে তাহলে এখন বললেই তার সমস্যা। এই মুহুর্তে সে কনফিউশনে। কি বলবে জানেনা। কারন যারা টিউশন করে, এই ক্ষেত্রে সবাই এমন বিপদে থাকে। না বলিলে টিউশনটা ছাড়তে হবে। কারন লজ্জায় না বলা জায়গায় যাওয়া যায়না। টিউশন চলে গেলে নিজের আর্থিক সমস্যা। আমরা যারা টিউশন করি তাদের এগুলো ভাবায়। আমি ছেলে। বড় একটা সময় টিউশন করেছি। ছাত্রীদের কাছ থেকে এমন আবেগী ভালবাসার ইঙ্গিত পেয়েছি। কিন্তু না বলা যায়না, হ্যাও বলা যায়না। নিজ টিউশন আগে কেননা আমাকে পড়াশুনা করতে হবে। বাবা মায়ের বোঝা হ যাবেনা। এসব ভাবায়। তাই উভয় সংকটে চলতে হয়। এটি সব টিউশনারদের জন্য। তবে অনেকেই আছে এসব তাদের ভাবায়না। যায় হোক তার টিউশন শেষ হলে বলবেন যাতে সে মুক্ত ভাবে সির্ধান্ত নিয়া বলতে পারে। এখন জাস্ট কথা বার্তা বলে বন্ধু হতে চেষ্টা করুন যাতে দুজন দুজনকে বুঝতে পারেন। একে অন্যের সম্পর্কে জানতে পারেন।