1 Answers
সহজাত প্রতিরক্ষা হচ্ছে দেহের সেই প্রতিরক্ষা স্তর যা আপনা আপনি প্রকাশিত হয় ও জীবানুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। সময়ের সাথে সাথে এই প্রতিরক্ষা নিয়ন্ত্রক জিন সক্রিয় হয়। দেহে কোন জীবানু আসুক বা না আসুক এই প্রতিরক্ষা চালু থাকে। যেমন রক্তে জীবানু প্রবেশ করলে শ্বেত কনিকার পরিমান বেড়ে যায় এবং জীবানুকে আক্রমন করে। আবার দেহ কেটে গেলে ক্ষতস্থানে দ্রুত রক্ত জমাট বাধে অনুচক্রিকা, ক্যালসিয়াম থ্রোম্বপ্লাস্টিন উপাদান। এগুলো সহজাত ভাবেই ঘটে।
আবার দেহের অপরিচিত কোন বিষাক্ত পদার্থ প্রবেশ করলে দেহের সমস্ত প্রতিরক্ষা ইউনিট নিজ নিজ কাজ করে। যে ইউনিট নির্বিশ করতে সামর্থ হয় সেটি মস্তিষ্ক মনে রাখে। পরবর্তী একই বিশ আবার আসলে মস্তিষ্ক উদ্দিপিত হয়ে সাথে সাথে পূর্বের সফল ইউনিটকে সক্রিয় করে দেয়। এভাবে দেহ এক সময় ঐ বিশের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। একে শিক্ষন বা অর্জিত প্রতিরক্ষা বলে। সাপে কাটা ঔষধ এন্টিভেনম এই প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। বিভিন্ন বিষাক্ত জীবের কামড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার অধিকাংশ অর্জিত প্রতিরক্ষা।