আমার শরীরে প্রচুর ঘাম হয়, বিশেষ করে বগল ও রানের ভাঁজে বেশি ঘামায়৷ 

2841 views

1 Answers


-জ্বর হলে ও জ্বর ছাড়ার সময় দেহ তাপমাত্রা দ্রুত হারায় ও প্রচুর ঘাম হতে পারে। এটি স্বাভাবিক ব্যাপার। আবার ব্যায়াম বা ভারী কায়িক শ্রমেও ঘাম হবেই। কারও কারও উদ্বেগ বা টেনশনে ঘাম হয়। সাধারণত উদ্বেগজনিত রোগে হাত-পায়ের তালু বেশি ঘামে। ওজনাধিক্য ও স্থূল ব্যক্তিরাও বেশি ঘামেন। এটা দেহের বিপাক ক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।
-থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য হলে অতিরিক্ত ঘাম হতে থাকে। এর সঙ্গে থাকে ওজন কমে যাওয়া, বুক ধড়ফড়, হাত-পা কাঁপা ইত্যাদি উপসর্গ। ডায়াবেটিসের রোগী হঠাৎ খুব ঘামতে থাকলে সতর্ক হবেন। রক্তে শর্করা কমে গেলে এমন হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে গ্লুকোমিটারে শর্করা পরীক্ষা করুন, কম থাকলে চিনি বা শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।
-বুকে ব্যথা ও ঘামতে থাকা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হলে সাবধান হওয়া উচিত। নানা ধরনের ওষুধ আছে, যাতে বেশি ঘাম হয়। চিকিৎসককে সে বিষয়ে বলুন।
-কিছু ক্যানসার, যেমন লসিকা গ্রন্থির ক্যানসারে প্রচুর ঘাম হয়। এই ঘাম বেশি হয় রাতের বেলা। আড্রিনাল গ্রন্থির টিউমার ফিওক্রমোসাইটোমাতেও প্রচুর ঘাম হয়। যক্ষ্মা রোগীরও বেশি ঘাম হয়। রাত্রিকালীন ঘামের সঙ্গে জ্বর জ্বর ভাব, কাশি, লসিকা গ্রন্থি ফোলা, দুর্বলতা ইত্যাদি আছে কি না খেয়াল করুন। 
-মেনোপজের পর নারীদের হঠাৎ গরম লাগে, ভাঁপ বোধ হয় ও প্রচুর ঘাম হয়। একে হট ফ্লাশ বলে। বিষয়টা কষ্টদায়ক হয়ে উঠলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। এর সুচিকিৎসা আছে।

2841 views

Related Questions