4 Answers
ইন্টারনেট আসক্তি দূর করতে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করুন। দৈনন্দিন ইন্টারনেট ব্যবহারের মাত্রা নির্ভর করে আপনার নির্ধারিত সীমানা মান্য করার উপর। দৈনিক ১ ঘন্টার বেশি নয়,বা ৩ ঘন্টার বেশি নয় এইভাবে। নির্ধারণ করুন এখন থেকে আপনি দিনে কতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন, কেন ব্যবহার করবেন, কী কী কাজ ব্যবহার করবেন? এসব কিছু আগে নির্ধারণ করুন। তারপর কাজে নেমে পড়ুন। পরিকল্পনা করার পর কোনোক্রমেই পরিকল্পিত সীমারেখা অতিক্রম করবেন না। তাহলে খুব দ্রুতই আপনার ইন্টারনেট আসক্তির মাত্রা কমে আসবে।
প্রথমেই হঠাৎ করে অনলাইন ব্যবহার কমিয়ে দিলেই আসক্তি যাবে না।আপনি প্রথম দিন ৩ ঘন্টা,পরের দিন ২ ঘন্টা,পরের দিন ১.৩০ ঘন্টা এভাবে আস্তে আস্তে অনলাইনে থাকার সময়সীমা কমিয়ে দিন।এর পর নিয়ম করে অনলাইনে থাকবেন।আশা করি অনলাইনে আসক্তি কমে যাবে।
১) বাস্তবসম্মত লক্ষ্য সেট করুন- ফোন না দেখে পার করুন ৩০ মিনিট বা সারাদিন, যেটা আপনার সম্ভব মনে হয়। শুরুতেই নিজেকে বেশি চাপ না দিয়ে, আস্তে ধীরে সময় বাড়াতে থাকুন। প্রয়োজনে টাইমার ব্যবহার করুন।
২) ‘পুশ নোটিফিকেশনস’ বন্ধ করুন - প্রতিবার একটি নোটিফিকেশন আসার সাথে সাথে আপনার মনোযোগ ফোনের দিকে চলে যায়। অতঃপর ফেইসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে পার হয়ে যায় অনেক সময়। তাই বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, কাজ ইত্যাদির মত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলিতে ফোকাস রাখতে সব অ্যাপ থেকে পুশ নোটিফিকেশন অফ করে দিন। এতে শুধু নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চেক করা সম্ভব হবে।
৩) আপনার `ফ্রেন্ডস` এবং `ফলো` লিস্ট সাফ করুন- ব্যাপারটা খুব সহজ। যত বেশি মানুষ, তত বেশি সময় নষ্ট। তাই একটু ভেবে দেখুন এই মানুষটি আপনার জীবনে কোন ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে কি না। যদি উত্তরটি `না` হয় তবে "ডিলিট ফ্রেন্ড" বা "আনফলো" চেপে দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণের দিকে এগিয়ে যান।
৪) ফোন থেকে দূরত্ব- আমরা সুবিধাবাদী প্রাণী। ফোন যদি নাগালের বাইরে থাকে, তাহলে বারবার উঠে ফোন চেক করতে ইচ্ছা করবে না। তাই ফোনটি রাখুন নাগালের বাইরে, তখন আর ঘনঘন ইন্টারনেটে যাওয়া হবে না।
৫) সময় ব্যয় যেন ফলদায়ক হয়- যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করতে থাকবেন, তখন বিভিন্ন ডিজিটাল ব্লগ পড়া বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনার ফোকাস এমন দিকে নিয়ে যান যা কাজে লাগবে।