4 Answers

ব্রন দুর করার সঠিক ক্রীম আজে অবধি

আবিষ্কার হয়নি,  আজে বাজে ক্রীম

 ব্যবহারে ব্রন সমস্যা বাড়তে পারে বলেই

অভিমত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের

ব্রন উঠা কমানো যায়।

নিয়মিত মুখ পরিস্কার রাখুন,

ফেসওয়াস ব্যবহার করুন নিয়মিত।

নিয়মিত ঘুমতে হবে, পানি বেশি পান করুন,

শরির কষা থাকলে ব্রন বেশি হয়,

তরল খাবার বেশি খেতে হবে।

শাক সবজি নিয়মিত খান

বেশি আজেবাজে

ক্রীম ব্যবহারে ব্রন সমস্যা বাড়তে পারে

বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের,

বেশি টেনশন ফিল করলে ব্রন বাড়ে।

একটা সময় ব্রন এমনিতেই সেরে যাবে।

বেশি সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই

উত্তম।

2961 views Answered

অনেক ক্রীম ব্যবহার করেছেন,তো এবার প্রাকৃতিক উপায় এ সমাধান এর চেষ্টা করুন:- ব্রণ থেকে বাঁচতে কিছু উপায় অবলম্বন করুন। বাজারের দামি কসমেটিক্স এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি যা সহজেই আপনার ব্রণ কমাতে সাহা্য্য করবে। আর ঘরোয়া সামগ্রীই সবচেয়ে ভালো আর নিরাপদ। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও ভয় থাকেনা। -গ্রীষ্মকালে ত্বকে অতিরিক্ত তেল তেল ভাবের ফলে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে মুখে মুলতানি মাটি পানি দিয়ে পেস্ট করে লাগাতে পারেন। মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ বন্ধ করে সাহায্য করে। -শশার রস তৈলাক্ততা দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। -এ ছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তারা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না। - কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে। -আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং গায়ের রঙ হালকা করে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন। -ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। -প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না। তারা সেই ক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

2961 views Answered

ক্রিম ব্যবহার করে উপকার তেমন পাবেন

না, এতে পাশ্বপ্রতিক্রীয়া দেখা দিতে পারে। 

 আপনি রোজ রাতে ঘুমোনোর আগে,  মুখে লেবুর রস তুলো দিয়ে ঘসে লাগিয়ে রাখতে পারেন এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আপনি কোনো ভালো একটি facewash দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে দেন।  আপনার ব্রণ আস্তে আস্তে একেবারেই কমে যাবে, দাগ গুলিও মুছে যাবে। যদি দেখেন আপনার মুখ জ্বলছে লেবুর রস লাগানোর সময়, তাহলে লেবুর রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে নেন, এতে আপনার মুখ জ্বলাটাও কমবে, আবার মুখ আরও ফর্সা হবে)

2961 views Answered

“বেটনোভেট-এন” ক্রিম

নিয়মিত ব্যবহারেও ব্রণঃ, যে

কোন ব্রনের দাগ, কাটা দাগ, আস্তে

আস্তে হালকা হয়ে যায়। এই ক্রিমটি ঘুমাতে

যাওয়ার আগে, মুখ ভালো করে ধুয়ে,

লাগিয়ে নিবেন। মুখের সব জায়গায়

লাগাবেন না। ব্রণঃ এর দাগ যেখানে আছে

শুধুমাত্র সেখানে হালকা করে ম্যাসেজ করুন

এইভাবে ব্যবহারে উপকার পাবেন। 

এর পাশাপাশি আপনি রেমিস্পট ক্রীম টি ব্যবহার করতে পারেন।

2961 views Answered

Related Questions

Next steps