আমার ত্বকে এক ধরনের দাগের মত হইছে। দাগ সারানোর জন্য আমি এখন কি করতে পারি?
4 Answers
আপনি যে দাগের কথা বলছেন এগুলো অনেকেরই হয়। এগুলো ফাটা দাগ বা Stretch Mark নামে পরিচিত। সাধারণত হঠাৎ বৃদ্ধি বা স্বাস্থ বেড়ে যাওয়ার ফলে এরকম হয়। যারা নতুন করে নিয়মিত ব্যায়াম করছে তাদেরও হতে পারে। এগুলো একেবারে দূর করা যায়না,, গেলেও সহজে নয়। এতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, এটি কোনো সমস্যা করবেনা (যদিনা উক্ত স্থানে জ্বালাপোড়া, লাল হয়ে যাওয়ার উপসর্গ দেখা না দেয়)। এগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেন---> ১. গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ২. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে। ৩. প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন। ৪. শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে। ৫. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে। ৬. চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। ৭. এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি। ৮. ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৯. এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন প্রতিদিন ২ বার। ১০. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।
আন্ডারআর্ম বা বগলের কালো দাগ অনেকের জীবনের খুব সাধারণ সমস্যা। নানান ক্রিম ব্যবহার করে এই দাগ সাময়িক ভাবে দূর করা যায়, কিন্তু আমাদেরই ভুলে সেটা আবার ফিরে আসে। কী করবেন? জেনে নিন ১০টি দারুণ টিপস, যেগুলো কেবল আপনার বগলের কালো দাগ দূর করবেই না বরং দাগ সরিয়ে সবসময় বগলকে ফর্সা ও সুন্দর রাখবে খুব সহজে। # বগলের কালো দাগ দূর করার জন্য শসা বা আলুর রস খুবই দারুণ একটি জিনিস। দিনে দুবার বগলে শসা বা আলুর রস লাগিয়ে রাখুন। ১৫/২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসের বদলে থেঁতো করা আলু বা শসাও ব্যবহার করতে পারেন। # বেকিং সোডার সাথে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট বগলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে বেশ কয়েকবার এটা করুন। কালো দাগ তো দূর হবেই, নতুন দাগ হবে না। # ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ, ১ টেবিল চামচ দই, ১ টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট বগলে মাখুন।সপ্তাহে ২/৩ বার নিয়মিত ব্যবহারে কালো দাগ দূর হবে আবার বগলে নতুন করে দাগও হবে না। # বগলে শেভ না কয়ে ওয়াক্স করুন। খুব ভালো হয় যদি পার্লারে করতে পারেন। সেখানে যত্ন করে করা হয় আর ত্বকের কোন ক্ষতি হয় না। শেভ করলে চুলের গোঁড়াটা রয়ে যায় ফলে কালো দাগ বেশী মনে হয়। # যদি শেভ করতেই হয়, তাহলে নারিকেল তেল ব্যবহার করুন বগলে শেভিং ক্রিমের বদলে। এছাড়াও প্রতিদিন বগলে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করুন। নারিকেল তেল নিয়মিত ম্যাসাজে বগলের কালো দাগ দূর হয়ে তো যাবেই, ত্বকও থাকবে ফর্সা ও সুন্দর। # কেবল মুখে নয়, বগলেও স্ক্রাবিং করুন। # বগলে ক্ষতিকারক ঘাম প্রতিরোধক পণ্য ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়েই ঘাম প্রতিরোধ করুন। # এমন পোশাক পরুন, যাতে বগলে খুব বেশী ঘষা না লাগে। # গোসলের সময় প্রতিদিনি বগল আলাদা ভাবে পরিষ্কার করুন। # বগলে পারফিউম লাগাবেন না। কিংবা বগলের কাছের পোশাকেও নয়
১. অ্যালোভেরার ব্যবহার : অ্যালোভেরা ত্বকের নানা দাগ দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ত্বকের স্ট্রেচ মার্কও অ্যালোভেরা দূর করে খুব সহজেই। – অ্যালোভেরার তাজা পাতা নিয়ে এর সবুজ অংশ ফেলে ভেতরের জেল বের করে নিন। – এই জেল স্ট্রেচ মার্কের উপর ঘষে নিন ১০ মিনিট। ভালো করে ঘুরিয়ে ঘষবেন, এতে ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। – প্রতিদিন এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন। কিছুদিনের মধ্যেই ঘাড়, গলা, পেট ও দেহের অন্যান্য স্থান হতে ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক মিলিয়ে যাবে।
এই দাগগুলো সাধারণত মোটা মানুষগুলোর হয়ে থাকে । এটাতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটা এমনিতেই সেরে যাবে । বয়সের সাথে সাথে এটা স্বাভাবিক হয়ে আসে ।