দেয়াল ঘড়িতে ঘন্টার কাঁটা কেন সবচেয়ে মোটা থাকে , এবং পর্যায়ক্রমে মিনিট ও সেকেন্ডের কাটা চিকন থাকে?
.ঘন্টার কাঁটা কেন সবচেয়ে মোটা থাকে , এবং পর্যায়ক্রমে মিনিট ও সেকেন্ডের কাটা চিকন থাকে ?
.ঘন্টার কাঁটা কেন সবচেয়ে নিচে থাকে , এবং পর্যায় ক্রমে মিনিট ও সেকেন্ডের কাঁটা উপরে থাকে ?
.ঘন্টার কাঁটা কেন সবচেয়ে ছোট হয় , এবং পর্যায় ক্রমে মিনিট ও সেকেন্ডের কাটা বড় হতে থাকে ?
.
.
সব ঘড়ির ক্ষেত্রেই এরকম দেখা যায়..... এর ব্যাতিক্রম কেন হয় না ?
3 Answers
এটা প্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে। ঘড়িতে কাটার আকৃতি সময়কে নির্দেশ করে।কাটার প্রস্থের দৈর্ঘের সাথে সময়ের ব্যবধান করা হয়।তাই,ঘন্টার কাটার প্রস্থ বেশি।সময়ও বেশি। মিনিটের কাটার প্রস্থ ঘন্টার কাটার চেয়ে কম।সময়ও কম। এভাবে সেকেন্ডও কে বিবেচনা করা হয়। আশা করি বুঝতে পারছেন।
আপনার তিন ধরণের প্রশ্নের একটির সাথে অন্যটির সম্পর্কের ভিত্তিতেই ঘড়ির ঘন্টা , মিনিট ও সেকেন্ডের কাটার বৈশিষ্ট্য গুলো পরিলক্ষিত হয় ।
যেকোনো কাজ করতে হলে যেকোনো একটিকে প্রথম ধরে পর্যায়ক্রমে করতে হয় । তেমনি ঘড়ির কাটা স্থাপনেও করা হয়েছে।
ঘন্টার কাটা নিচে তার উপর মিনিট এবং তার উপর সেকেন্ডের কাটা স্থাপন করা হয়েছে ।
ঘন্টার কাটা নিচে রাখার কারণে মোটা করা হয়েছে যাতে ঘন্টা এবং মিনিটের কাটা একত্র হলে ঘন্টার কাটার পার্শ্ব সাইট দেখে মিনিটের কাটা দেখা যায় ( যেহেতু কাটাগুলোর প্রায় একই রঙ থাকে)।কিন্তু ঘন্টার কাটা এবং মিনিটের কাটা একত্র থাকলেও ঘন্টার কাটার পার্শ্ব সাইট দেখে মিনিটের কাটা দেখা যাবে না যদি না মিনিটের কাটা লম্বা না হয় ।তাই মিনিটের কাটা ঘন্টার কাটার চেয়ে লম্বা করা হয়েছে ।এভাবে মিনিটের কাটা ও সেকেন্ডের কাটার তুলনা ঘন্টা ও মিনিটের কাটার সাপেক্ষে ।
তিনটি কাটার বৈশিষ্ট্য তিন রকম না হলে ঘন্টা , মিনিট এবং সেকেন্ড চেনা যাবে না তাই ঘন্টা , মিনিট এবং সেকেন্ডের কাটার বৈশিষ্ট্য আলাদা হয়েছে যা পর্যায়ক্রমে মোটা থেকে চিকন এবং খাটো থেকে লম্বা করা হয়েছে ।
তাছাড়া ঘন্টার কাটার চেয়ে মিনিট এবং মিনিটের চেয়ে সেকেন্ডের কাটা বেশি ঘোরার প্রয়োজন হয় তাই বিদ্যুত্ খরচ এড়াতে পর্যায়ক্রমে পাতলা বা চিকন করা হয়েছে ।
সব ঘড়ির একই রকম করা হয়েছে কারণ ভিন্ন ধরণের করলে ঘড়ির সময় চেনা কঠিন হয়ে পড়বে । সময় হচ্ছে সব চেয়ে মূল্যবান তাই এর সামান্য হেরফের কারোরই কাম্য নয় ।
বিঃদ্রঃ হয়তোবা অন্য যুক্তিও থাকতে পারে।
সময়ের ক্ষুদ্রতম একক সেকেন্ড,৬০ সেকেন্ড এ এক মিনিট আবার ৬০ মিনিট এ এক ঘন্টা।হয়তো সময়ের ব্যাপকতা ও স্বল্পতা বঝানোর জন্য ঘন্টার কাটা সব চেয়ে মোটা এবং পর্যায়ক্রমে মিনিট ও সেকেন্ডের কাটা চিকন থাকে। আর ঘড়ি দেখার সুবিধার জন্য হয়তো ঘন্টার কাটা সব চেয়ে নিচে তারপর মিনিট ও সেকেন্ড এর কাটা থাকে যাতে মোটা ঘন্টার কাটা দিয়ে মিনিটের কাটা বা মিনিটের কাটা দিয়ে সেকেন্ডের কাটা ঢেকে না যায়। এবং সঠিক সময় নির্ণয় করার সুবিধার জন্য ঘন্টার কাটা দৈর্ঘে ছোট ও পর্যায়ক্রমে মিনিটের ও সেকেন্ডের কাটা বড় হয়। ঘড়ির এই কাঠামোর পেছনে হয়তো অন্য কোন বিশেষ কারণ থাকতে পারে সেটা আবিষ্কারকরা জানতেন।এবং তারা হয়তো এ তথ্য সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন বলে আজ এই ব্যাপার এ সঠিক তথ্য অজানা। বিঃদ্রঃআমার উত্তরটি অনুমান ভিত্তিক এই প্রশ্নের অন্য উত্তর থাকতে পারে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy