আমি কি সত্যিই পাগল হয়ে যাচ্ছি?
আমি কিছুদিন আগেও খুব ভালো পড়াশুনা করতাম। কিন্তু হঠাত আমার কি যে হল আমি নিজেকে আর খুজে পাচ্ছি না। হারিয়ে ফেলেছি। আমার মনে কে যেন বলছে আমার মারা যাওয়া উচিত। আমার জীবনের লক্ষ নিয়ে কেন জানি আমি উদাসীন হয়ে পড়ছি। যখন পড়তে বসি তখনই এইটা মাথায় আসে যে আমি তো কিছুই হতে চাই না। আমি তো জীবনে উন্নতি ই করতে চাই না। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না আমার কেন এমন হচ্ছে? আমি কেন ওসব উলটা পালটা জিনিস ভাবছি। এইসব ভেবে ভেবে আমি বইয়ে হাত ই দিতে পারছি না। এগুলো চিন্তা ভাবনা গুলো ভুলতে পারছি না। আমি কি চচিন্তার ভারসাম্য হারিয়ে ফফেলছি? কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি জীবনে অনেক বড় হতে চাই।লেখাপড়া করতে চাই। কিন্ত না পারি পড়তে, না পারি আনন্দ করতে, অন্যদের আনন্দ দেখলে আমার খুব কান্না পায় এটা ভেবএ যে আমি কাজে,খেলায় আনন্দ করতে পারছি না। পড়াশুনা একটু এদিক সেদিক হলে যে আমি অস্থির হয়ে পড়তাম সেই আমি আজ পড়াশুনায় উদাসীন। এটা ভেবে আমার প্রচুর কান্না পায়। কি করবো বুঝতে পারছি না। খুব কান্না পাচ্ছে।
3 Answers
আর কোন ঘটনার সাথে এই হতাশার সম্পর্ক থাকলে শেয়ার করুন।
সবচেয়ে বড়কথা আপনি নিজেই আপনার সমস্যা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। এটা যেকোনো কারনেই হতে পারে, এটা এক ধরনের বিষণ্ণতা থেকেই হয়। আপনি একজন ভালো মনোবিজ্ঞানির সাথে আলাপ করুন। উনাকে সব খুলে বলুন। আশা করি আপনি আপনার বিষণ্ণতা থেকে বের হতে পারবেন।
আর চেষ্টা করবেনঃ
১. সকালে ঘুম থেকে উঠুন,
২. নামাজ আদায় করুন (মসজিদে),
৩. ১/২ ঘন্টা হাটুন (ব্যায়াম করুন),
৪. ভালোভাবে নাস্তা করুন, (সকালের নাস্তায় ডিম রাখুন),
৫. তারপর পড়তে বসুন।
তারপর দেখুন আপনার মনে কতটা প্রশান্তি অনুভব করছেন। আশা করি, এতে আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে ।
আপনি নিজে নিজের সমস্যা মনে করতেছেন কিন্তু এইটা সমস্যা না। এই এখন আপনার ভালো করে পড়ালেখা করা দর কার আপনি তা করেন।
আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরেন।দেখবেন আপনার অনেক চিন্তা কমে গেছে। আপনার আশেপাশে মানুষ গুলো কে দেখে সবাই অনেক কিছু পারে না তাই বলে কেউ থেমে আছে। সব মানুষ মারা যাবে এইটা স্বাভাবিক।এইটা নিয়ে চিন্তা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না যা পারবেন না তা নিয়ে চিন্তা করার কি দরকার। আপনি যদি বর্ত্তমানের কাজ গুলো ভালো করতে পারেন তো ভবিষ্যৎ ও ভালো করতে পারবেন তাই এই সব চিন্তা করবেন না।আল্লা আপার সাহায্য করুক।