১/তলপেট ব্যাথা হয় এবং মোচড় দিয়ে শুরু হয় এবং পায়খানা করার পর কমে যায় ২/পেটের মধ্য সারাদিন বুদবুদ আওয়াজ করে ৩/পায়খান পাতলা বা পাতলা পায়খার মত হয় ৪/পায়খানার মধ্য প্রচুর পরিমানে আম যায় এই গুলো সমস্যয় ভুগতেছি অনেক দিন যাবত সমাধান চাই ? ''২০বছর বয়স''
2968 views

2 Answers

আপনি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের দোকান থেকে বায়োকেমিক "ফেরাম ফস 6x" এবং "কেলি মিউর 6x" এই ঔষধ দুইটা কিনে নিবেন। এরপর সকালে খাওয়ার এক ঘন্টা আগে ফেরাম ফস ৪ টা বড়ি খাবেন এবং খাওয়ার একঘণ্টা পরে কেলি মিউর ৪ টা বড়ি খাবেন। এভাবে রাতেও খাবেন। টানা ১৫ - ২০ দিন এভাবে খেতে থাকেন। আশা করি অনেক উপকার পাবেন।

2968 views

আপনার IBS আই বি এস হয়েছে,

অসস্থিকর পেটের অসুখ কে আইবি এস বলে

*তলপেটে ব্যথা হয়। ব্যথা মোচড় দিয়ে শুরু হয় এবং পায়খানা করার পর ব্যথা কমে যায়।

*পেটের মধ্যে সারা দিন বুদবুদ আওয়াজ হতে থাকে। মনে হয় পেটের মধ্যে গ্যাস ভরে আছে।

*কখনো পাতলা পায়খানা, কখনো কষা পায়খানা (কনস্টিপেশন) হয়। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে সব সময় পাতলা পায়খানা বা কষা পায়খানা হয়।

*যাদের সব সময় পাতলা পায়খানা হয় তাদের ক্ষেত্রে প্রথমে পেটে ব্যথা হয় এবং পরে পাতলা পায়খানা হওয়ার পর তা কমে আসে। ঘন ঘন বাথরুমে যেতে হয় এবং প্রতিবার খুব অল্প পরিমাণে পায়খানা হয়।

*ঘুমের মধ্যে সাধারণত কখনোই পায়খানার বেগ হয় না।

*পায়খানার সময় প্রচুর পরিমাণে আম বা মিউকাস যায়। আম যায় বলে অনেকে অজ্ঞতাবশত একে আমাশয় বলে।

*যাদের কষা পায়খানার প্রবণতা বেশি তারা পেটে ব্যথা নিয়ে টয়লেটে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও অতৃপ্তি নিয়ে টয়লেট থেকে বের হতে হয়।

*পায়খানা সমস্যা থাকলেও এসব রোগীর ওজন তেমন হ্রাস পায় না।

*পায়খানার সমস্যার পাশাপাশি এসব রোগীর ক্ষুধামন্দা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, মাথা ব্যথা, পিট ব্যথা, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া.

* যে কোন খাবার খেতে খুত খুতে ভাব মনে আসা।

* Colonoscopy ও Endoscopy করলেও

কোন সমস্যা ধরা পড়েনা।


এটি পরিপাকতন্ত্রের রোগ হলেও

প্রায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ রোগটি মানসিক চাপের কারণে আই বি এস ibs হয়ে থাকে।


সকালে বাথরুম সেরে অফিসে যাওয়ার জন্য প্যান্ট-শার্ট পরেছেন অমনি দেখা যায়, তলপেট মোচড় দিয়ে ব্যথা ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে টয়লেটে দৌড়। দূরে কোথাও যাবেন তাই বাসে উঠেছেন। যখন মনে হবে বাসে তো বাথরুম করার সুযোগ নেই অমনি দেখবেন তলপেটে ব্যথা শুরু হয়ে গেছে। প্রস্রাব-পায়খানা যতোই পরীক্ষা করান না কেন এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যাবে না। যারা সবসময় দুশ্চিন্তায় ভোগেন, স্ট্রেস যাদের নিত্যদিনের সঙ্গী তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।

পুকুরে ঢিল ছুড়লে পানি যেমন তরঙ্গের আকারে পাড়ের দিকে এগিয়ে যায়, পেটের নাড়িভুড়িও তেমনি তরঙ্গের আকারে খাদ্যজাত বর্জ্য পদার্থ পায়খানার আকারে বের করে দেয়। অন্ত্রের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে এ গতিময় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। কোনো কারণে এ সংকোচন প্রসারণের পরিমাণ বেড়ে গেলে পাতলা পায়খানা এবং কমে গেলে কষা পায়খানা হতে পারে।

কিছু মানুষ আছে যারা সামান্য কথাতেই মুখ গোমড়া করে গাল ফুলিয়ে বসে থাকে। তেমনিভাবে কোনো কারণে অন্ত্রের সংবেদনশীলতা বেড়ে গেলে ঘন ঘন পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অন্ত্রের প্রদাহের কারণে অনেকের ঘন ঘন পায়খানার সমস্যা হতে পারে। এছাড়া দুগ্ধজাত খাবারসহ অনেক খাবার আছে যেগুলো অনেকে হজম করতে পারে না। আইবিএস তাদের ক্ষেত্রেও হতে পারে।

একজন সাইকিয়াট্রিস ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেলে সুস্থ থাকা যায়।



অনেক আই বি এস রোগী ভাল হয়েছে

উনার কাছ থেকে, চাইলে আপনিও উনার

পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন।


সাইকিয়াট্রিস ডাক্তার মোঃ জহির উদ্দিন।

সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

রোড=113/A গুলশান 2 ঢাকা 1212.


প্রয়োজনে আপনার আই বি এস নিরাময়ে

আমিও আপনাকে সাহায্য করবো, টিপস

দিবো মেসেজ করতে পারেন।

2968 views

Related Questions