স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি চাই?

ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন, বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে পর্ন দেখে হন্তমৈতুন শিখি।তারপর থেকে ক্লাস নাইন পর্যন্ত প্রায় ৩ বছর প্রতিদিন হস্তমৈতুর করতাম।তখন বুঝতাম না অামি কি করছি,এর পরিণাম কি! এমন ও দিন গেছে দিনে ২-৩ বার পর্যন্ত হস্তমৈতুন করেছি।ক্লাস টেনে উঠে ভুল বুঝতে পেরে হন্তমৈতুন ছেড়ে দিই। তারপর থেকে অামার স্বপ্নদোষ শুরু। প্রায় ৬ বছর ধরে সপ্তাহে ৪-৫ দিন করে স্বপ্ন দোষ হচ্ছে। অামার শরীর খুব চিকন,ওজন ৫৫ কেজি।উচ্চতা৫.'৫"।বয়স২২। কোন মহিলার কাছে যাই নি কোনদিন। টোপরানিল ঔষদ খেলে স্বপ্নদোষ সপ্তাহে ২-১ দিন হয়। বীর্য খুব পাতলা। স্বপ্ন ছাড়া ও স্বপ্নে দুভাবে স্বপ্নদোষ হয়।পায়খানার সময় পস্রাবে পাতলা বীর্য বের হয়। শরীরে শক্তি কম। স্বপ্নদোষ নিয়ে খুব হতশায় ভুগি।মাঝে মাঝে মনে মরে গেলে ভালো হত। জীবন টা অস্বাভাবিক মনে হয়। ডাক্তার অামি স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চাই।
3951 views

4 Answers

হোমিও ঔষধ খান। ভাল হয়ে যাবে।

অথবা

রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ পরিমাণ গরুর কাঁচা দুধের সাথে আড়ই থেকে ৩ গ্রাম অশ্বগন্ধা গোঁড় মিশিয়ে খেলে এ রোগটি চিরকালের মতো ভালো হয়ে যাবে। তবে ঔষধ খওয়ার সঙ্গে কু-চিন্তা ও কু-অভ্যাস এবং অশ্লীল ছবি, বই-পত্র পাঠ সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে।

3951 views Answered

হামদর্দ কোম্পানির "জারনাইড" সিরাপটি খান|ইনশাআল্লাহ স্বপ্নদোষ ভালো হয়ে যাবে

3951 views Answered

* স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির পথ ও পদ্ধতির মধ্যে প্রথমটি হল নিজের খেয়াল ও ধ্যান ধারণাকে সব সময় পাক সাফ রাখবে। নিজের মনকে নিজের আয়ত্বে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করবে। সৎ ও ভালো লোকদের সাথে চলাফেরা করবে। এসবের সাথে সাথে খাবার ও পেট ভালো রাখাও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। * অধিক মসলাজনিত খাবার, যেসব খাবার বিলম্বে হজম হয়, সেগুলো যথাসম্ভব কম খাবে। যেমন-গোশত, কাবাব, ডিম, অধিক পরিমাণে চা পান, কফি পান, বেগুন, মশুরির ডাল ইত্যাদি। * খাবার দাবারে বিশেষ করে রাতের খাবার কমিয়ে দিবে এবং শোয়ার কমপক্ষে দুই ঘণ্টা পূর্বে খাবে। শোয়ার সময় অধিক পরিমাণে পানি ও চা পান করবে না। শোয়ার পূর্বে পেশাব পায়খানার প্রয়োজন সেরে ঘুমাবে। মূত্রথলীতে পেশাব জমা হয়ে স্বপ্নদোষ হওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করে। নরম ও গরম বিছানায় শয়ন করা অনুচিত। বরং এমন ঘরে শোবে, যে ঘরে আলো বাতাস প্রবেশ করে। * চিত হয়ে শয়ন করাও স্বপ্নদোষ হওয়ার সহায়ক। * শেষ রাতে পেশাবের বেগ হলেই উঠে পেশাব করবে। * গরমকালে রাতে অধিক গরম লাগলে এবং মেজাজও গরম থাকলে যদি গোসল করার দ্বারা কোনো সমস্যা না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে গোসল করে নেওয়া অনেক লাভ জনক। * স্বপ্নদোষ প্রতিরোধক ওষুধ বেশি দিন সেবন করবে না। এতেও উল্টা এ্যাকশন হতে পারে। আজিবনের জন্য ধ্বজভঙ্গ রোগ হতে পারে। * স্বপ্নদোষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি শয়নকালে কখনো লিঙ্গে কোনো প্রকার মলম বা মালিশ ব্যবহার করে শয়ন করবে না। অন্যথায় স্বপ্নদোষের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। * স্বপ্নদোষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বপ্নদোষের চিকিৎসার পূর্বে হেকিমের নিকট নিজের পেটের হালত বর্ণনা করবে। চিকিৎসা চলাকালিন যৌন চাহিদা বৃদ্ধকারী কোনো প্রকার খাবার বা ওষুধ ব্যবহার করবে না। * এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রাতের খাবারে কাঁচা পেঁয়াজ খাবে না। অন্যথায় এ রাতেই স্বপ্নদোষ হবে। * তামাক, বিড়ি, সিগারেটও সেবন করবে না। যদি এসব পান করতে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে তা পরিত্যাগ করবে। কেননা, তামাক মানুষের দেমাগ ও বীর্যের জন্য অধিক ক্ষতিকর। বিষ যেমন মানুষের ক্ষতি করে, তামাক মানুষকে তাঁর চেয়েও বেশি ক্ষতি করে। এটা যদি মাত্রায় একটু বেশি সেবন করা হয়, তবেই তাঁর প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমস্ত শরীরকে দুর্বল বানানো, মাথা ঘেমে পানি পড়া, মাথা ঘুরা, বমি , চোখে সরিষার ফুল দেখা, দৃষ্টিশক্তি কম, শ্রবণশক্তি হ্রাস, হাত পায়ে জ্বলন, শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট, হজম শক্তি দুর্বল এমনকি আত্মভোলা হয়ে যায়। হেকিমদের মতে তামাক অধিক পরিমাণে ব্যবহার করলে এক সময় মানুষের ফোফরাও নষ্ট হয়ে যায়। দিলে ধুক ধুকানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ জাতীয় আরো অনেক রোগ দেখা দেয় যা একজন সুস্থ মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অভিজ্ঞিদের মতে তামাক গ্রহণকারীদের সন্তানও দুর্বল হয়ে থাকে। স্বপ্নদোষের চিকিৎসা এভাবে করবে- কাবাবচিনি ও মকরধজ এক সাথে মিশিয়ে চিনি সহযোগে সাতদিন ব্যবহার করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। দৈনিক সকালে কবিতরের গম সমান পরিমাণ ইছবগুলের ভূষি সেবন করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। সকাল বেলা এক ছটাক ধনিয়া ভালোভাবে কচলে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাতে শয়নকালে উক্ত পানি ছেকে ২ চামচ চিনি দিয়ে শরবতের মতো বানিয়ে পান করবে। এতেও স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যাবে। আধা তোলা ধনিয়ার গুড়ো ২ চামচ মধুসহ সকালে নিয়মিত সেবন করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যাবে। রাতে শয়নকালে লিঙ্গে ওলিভয়েল তৈল মালিশ করে শয়ন করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। চার আনা পরিমাণ অরশ্বগন্ধা চূর্ণ করে রাতে ঘুমের কিছুক্ষণ আগে, কাঁচা দুধে মিশিয়ে সেবনের পর ঘুমালে ইনশাআল্লাহ স্বপ্নদোষ হবে না। শনিবার অথবা মঙ্গলবার রাত্রি বেলা শশ্মানঘাটের ধুতরা গাছের মূল অর্থাৎ শিকড়, কোমরে বেধে রাখলে আর কোনোদিন স্বপ্নদোষ হবে না। রাতে শোয়ার সময় ভালোভাবে মুখমণ্ডল কান পর্যন্ত, হাত বগল পর্যন্ত এবং পা হাটু পর্যন্ত এমনকি গলাও উত্তমরূপে ধৌত করে ঘুমাবে। মাত্রাতিরিক্ত চা ও সিগারেট সেবন না করা। রাতে বেশি পরিমাণ খানা খাওয়া উচিৎ নয়। অধিক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। নিয়মিত আহার ও নিদ্রা যাওয়া উচিৎ। জৈতুনের তেল পুরুষাঙ্গ মালিশ করে শয়ন করলে স্বপ্নদোষ হয় না। একখন্ড শিশা পুরুষাঙ্গের মূলদেশে বেধে রাখলেও শুক্রপাত হয় না। তদ্রুপভাবে দুই তোলা চিনি ভালোভাবে গুড়ো করবে। তারপর সিকি তোলা পরিমাণ আফিম ভালোভাবে মিশিয়ে দুই রত্তি পরিমাণ অর্থাৎ প্রতি তোলায় ৪৮ টি করে বড়ি তৈরি করবে। এরপর প্রতি রাতে শয়নকালে একটি করে বড়ি এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানিসহ সেবন করবে। আল্লাহ চাহে তো অচিরেই স্বপ্নদোষ হতে রক্ষা পাবে। প্রত্যেক দিন ভোর বেলা কৈতরগম কিংবা ইছবগুলের ভূষি এক গ্লাস সরবত বানিয়ে নিয়মিত সেবন করলে স্বপ্নদোষ রোগ ভালো হয়ে যাবে। অধিক স্বপ্নদোষের কারণে কারো ধাতু বা বীর্য পাতলা হয়ে গেলে নিম্মোক্ত চিকিৎসা গ্রহন করবে। সালাম মিছরী ২০০ গ্রাম, শ্বেত মুসরী ১০০ গ্রাম, সকাকুল মিছরী ২০০ গ্রাম, কালো মুসরী ১০০ গ্রাম, সিংঘাড়ের আঠা ৫০ গ্রাম ও চিরিডাল চূর্ণ ৫০ গ্রাম। এগুলো চূর্ণ করে পরিস্কার কাপড়ে ছেকে নিতে হবে। তারপর ঐ চূর্ণগুলো ৩ কিলো গরুর ঘি ও ৭৫০ গ্রাম চিনি মিশিয়ে আরো কিছুক্ষণ আগুনে ফুটাতে হবে। এরপর যখন খুব বা একটু শক্ত হবে, তখন একটি কাঁচের পাত্রে রেখে দিতে হবে।

3951 views Answered
1) আপনার উচ্চতা অনুপাতে ওজন 3
কেজি কম, তাই চিন্তিত হওয়ার কিছু নাই।
দেখুনimage


2)
অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক
রোগ বলে মনে করেন,আসলে এটা ঠিক নয়
আমাদের টেস্টিকলে বীর্য প্রতিনিয়ত উৎপন্ন হচ্ছে।
ফলে স্বভাবতই বীর্য মাঝে মাঝে এত বেশী
হয়ে পড়ে যে বীর্য থলি পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
আর সেগুলো কমানোর করার দরকার পড়ে।
তাই শরীর নিজে নিজেই এগুলোকে শরির
বের করে দেয়। সেটি স্বপ্নদোষের মাধ্যমে,
পায়খানা, অথবা প্রসাবের সাথেও শরির সেই
বাড়তি বীর্য বের করে দেয়।
সপ্তাহে দুইবার সপ্নদোষ হওয়া সাভাবিক।
যা শরিরের জন্য উপকারী।
তবে বেশি মাত্রা বা সপ্তাহে দু বারের বেশি
সপ্নদোষ হলে সমস্যা বলে বিবেচিত হবে।

3) আপনার যেহেতু সপ্তাহে দুইবারের বেশি
হয়, এবং শরির দুর্বল তাই আপনাকে ঔষধ
খেতে হবে। হামদর্দের আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা
নিতে পারেন, ঔষধ হিসেবে সিরাপ জিনসেন্ট
ও সিরাপ জারনাইড সেবন করা লাগতে পারে

ঠিকানা খুঁজে না পেলে জানাবেন আপনার
কাছেই খুঁজে দিয়ে সাহায্য করবে।
3951 views Answered

Related Questions

Next steps