ডিম ও দুধ খেলে স্বাস্থ্য বাড়বে?
1 Answers
প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করবেনও ১ টি
ডিম খাবেন।
যারা একেবারে বেশি খাবার খেতে পারেন না তারা দিনে ৩ বার না খেয়ে খাবার ভাগ করে নিন পুরো দিনের জন্য। অল্প অল্প করে সারাদিন খেতে থাকুন। এ ক্ষেত্রে দিনে ৫/৬ বার খেতে পারেন।
ওজন বাড়ানোর জন্য অনেকে বেশি জাঙ্ক ফুড(বার্গার, হট-ডগ, পিজ্জা, চিপস) খেয়ে থাকেন। কিন্তু এগুলোতে চিনি ও তেল বেশি পরিমাণে থাকে। তাই ওজন না বেড়ে অনেক সময় শরীরে চর্বি জমতে পারে যা ক্ষতিকর। তাই জাঙ্ক ফুড বেশি না খেয়ে প্রতিদিন বেশি করে স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন উপকার পাবেন।
প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে যুক্ত করুন। দুধ, ডিম, মাছ-মাংস, পনিরে অনেক প্রোটিন থাকে। এসব খাবার বেশি করে খেলে আপনার স্বাস্থ্য ভালো হবে।
সকালের নাস্তা করার ১ ঘন্টা পর পাউরুটির সাথে পি-নাট বাটার লাগিয়ে খান। পাউরুটি গোটা শস্যের তৈরী হলে বেশি উপকার পাবেন।
সবজি খাওয়ার আগে তার সাথে মাখন বা মার্জারিন, সস, পনির মিশিয়ে নিবেন। এরপর শুধু বা ভাতের সাথে খাবেন।
প্রতিদিন আলু ও ডাল খাওয়ার চেষ্টা করুন। যে কোন সব্জী বা তরকারীর সাথে আলু মানিয়ে যায়। তাই আলুর উপর প্রাধান্য দিন।
চর্বিহীন লাল মাংস খাবেন।
ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে খেয়ে নিবেন। ভাত না খেতে পারলে নুডলস বা পাস্তা বানিয়ে নিন বেশি করে বিন, আলু, অলিভ অয়েল, মুরগির মাংস, গাজর দিয়ে। নুডলস বা পাস্তা যখনই খাবেন তার সাথে পনির মিশিয়ে নিবেন।
প্রতিদিন অন্তত ৩ বেলা ভাত খাবেন। কম করে হলেও খাবেন।
দিনে ৪ ঘন্টার বেশি খালি পেটে থাকবেন না।
বিকেলের নাস্তায় যে কোন এক ধরণের খাবার না খেয়ে কয়েক ধরণের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। ৩ ধরণের খাদ্য বিভাগ একসাথে খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমনঃ সর পড়া দুধ, একটি কলা ও মাখন দিয়ে ভাজা পাউরুটি।
ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে তরল খাবার ভালো কাজ করে। সকালের নাস্তায় রুটি না খেয়ে পাতলা করে রান্না করা খিচুড়ি খান। এর সাথে সব্জী বা মুরগির মাংস মিশিয়ে নিবেন। ফলের রস বানিয়ে খান। বাইরে থেকে কেনা জ্যুস না খেয়ে বাসায় বানিয়ে নেয়াই ভালো হবে। ফলের রস খেতে ভালো না লাগলে স্মুদি (smoothie) বানিয়ে খান। স্মুদি বানানোর সময় এতে দুধ, আইস-ক্রিম মিশিয়ে নিতে পারেন, স্বাদ বাড়বে।
নাস্তায় দই, চীনাবাদাম, কাজুবাদাম খান। অনেক উপকার পাবেন।