নকের কোনায় সমস্যা?
আমার পায়ের বৃদ্ধ আংগুল গুলো আজ ১০ বছর পর্যন্ত সমস্যা আছি।নকের কুনি গুলো পাক থাকে এবং হালাকা হালকা ব্যথা করে।অনেক ওষুধ খাইছে এবং মলমও ব্যবহার করছি কোন পয়দা পাইনি।।।।মাঝখান দিয়ে ঠিক আছে শুধু কুনি পাক থাকে। ।প্লিজ কি করলে আমার নক গুলো সুন্দর ভাবে উঠবে প্লিজ ভাল একটা পরামর্শ দিন??
3 Answers
আপনি নখের কোণে ময়লা জমতে দিবেন না,যদি ময়লা কোনো ভাবে ডুকে যায়,তাহলে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে ফেলুন! এর জন্যে আপনি হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ব্যবহার করুন ডেইলি তিন বার! এটি ফার্মেসিতে পাবেন
নখকুনির ঘরোয়া প্রতিকারগুলো জেনে নেই আসুন।
১। উষ্ণ জলে ভিজানো –
উষ্ণ জলে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখলে নখকুনির ব্যথা ও ফোলা কমে যায়। এজন্য একটি ছোট বোলে উষ্ণ গরম পানি নিন। এই পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১৫-২০ মিনিট। দিনে ৩-৪ বার এটি করতে পারেন।
২। নখের নীচে গজ দিয়ে রাখুন –
গরম জলে পা ডুবানোর পরে আক্রান্ত নখের নীচে তুলা বা গজ বা সুতির নরম কাপড় ঢুকিয়ে দিলে নখটি উপরের দিকে উঠে আসবে। উষ্ণ গরম পানিতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখার পরে ভালো করে পা মুছে নিন। তারপর ভোঁতা চিমটা দিয়ে আক্রান্ত নখটি সাবধানে উপরে উঠান এবং ত্বক ও নখের মাঝখানে সুতির কাপড়ের টুকরাটি ঢুকিয়ে দিন। ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য প্রতিবার পা ভেজানোর পরে কাপড়টি পরিবর্তন করে নিন।
৩। ইপসম লবণ –
ইপসম লবণের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা নখের অন্তরবৃদ্ধির চিকিৎসায় কার্যকরী। এটি আক্রান্ত নখের ত্বককে নরম হতে সাহায্য করে। যার ফলে মাংসের ভেতরে ঢুকে যাওয়া নখকে বের করা সহজ হয় এবং প্রদাহ ও কমে। এর জন্য উষ্ণ গরম পানিতে পূর্ণ একটি বোলে ১ টেবিলচামচ ইপসম লবণ মিশান। এই মিশ্রণে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। তারপর মিশ্রণটি থেকে পা উঠিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এই প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করুন।
এছাড়াও হাইড্রোজেন পারওক্সাইড, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, লেবু, টি ট্রি ওয়েল, আপেল সাইডার ভিনেগার ও হলুদ ব্যবহার করা যায়। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই শ্রেয়। তাই নখ সোজা ভাবে কাটুন, পায়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, বাহির থেকে আসার পর পা ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন, আরামদায়ক ও পায়ের মাপ মত জুতা পরুন,
নখ কাটার দোষে অনেক সময় নখের কোণা মাংসের মধ্যে ঢুকে গিয়ে পাশগুলো ফুলে ওঠে ও পেকে নখে এই কুনি'র সৃষ্টি করে কিংবা বেশি পানি ঘাটাঘাটি করলেও এমন হতে পারে। মূলত এটা নখের দুই পাশের অভ্যন্তরের মাংসের জীবানুগত সমস্যা। এটা বেশ বেদনাদায়ক হয়। নখ সব সময় শুকনো রাখবেন। জনকপুরী খয়ের ও চন্দন শিল-পাটায় ঘষে লাগালে উপকার হয়। কচি বেগুন অর্ধেক কেটে আঙুল পরিমাণ ফুটো করে তার মধ্যে আঙুলটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ব্যথা কমবে। এ ছাড়া খয়ের ও নিমপাতা সমপরিমাণ নিয়ে একত্রে বেটে লাগালে উপকার পাবেন।