6 Answers
১) অলিভ অয়েল
ব্রণের কারণে ত্বকে যে ক্ষতি হয় এবং দাগের সৃষ্টি করে তা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী এই অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েলের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে ত্বকে লাগান। দেখবেন ব্রণের সমস্যা ও সেই সাথে ব্রণের ও অন্যান্য দাগ ত্বক থেকে দূর হয়ে যাবে।
২) শসা
শসার প্রায় ৯০% পানি যা ত্বকের রোমকূপে জমে থাকা ময়লা দূর করতে বিশেষভাবে সহায়ক। শসার রোদ ভালো করে মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে করে রোমকূপের ময়লা, অতিরিক্ত তেল এবং মরা কোষ চলে যাবে। এতে করে আপনি রেহাই পাবেন ব্রণের হাত থেকে।
৩) রসুন
রসুনের অ্যালিসিন, জিংক, সালফার এবং ক্যালসিয়াম ত্বকের জন্য বেশ ভালো উপাদান। এছাড়াও রসুনের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ব্রণের সংক্রমণ থেকে ত্বককে রক্ষা করে। আপনি কাঁচা রসুন খেতে পারেন, এতে করে ত্বক ভেতর থেকে পুষ্টি পাবে ও ব্রণের উপদ্রব কমবে।
৪) লেবুর রস
লেবুর রসের ভিটামিন সি, সাইট্রিক অ্যাসিড এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণের সমস্যা চিরতরে দূর করার ক্ষমতা রাখে। এছাড়াও এটি প্রাকৃতিক ব্লিচ বলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ১ চামচ মধু ও ১ চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করে নিন। প্রতিদিনের ব্যবহারে ব্রণের সমস্যা খুব সহজেই দূর হবে। তবে যদি লেবুতে অ্যালার্জি থাকে তাহলে এই পদ্ধতি থেকে দূরে থাকুন।
৫) মধু ও দারুচিনি
মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণের সমস্যা দূর করে এবং সেই সাথে ত্বকের দাগ দূর করতেও সহায়তা করে। দারুচিনি প্রদাহ এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া রোমকূপ খুলতে সহায়তা করে। মধু ও দারুচিনি গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন প্রতিদিন। বেশ ভালো ফলাফল পাবেন।
ব্রণের দাগ দূর করতে "মেলাসিন" ক্রীম ১০০% কার্যকরী একটা ক্রীম, যেকোনো বড় ফার্মেসিতে আপনি এটা পাবেন, দাম ১১৫ টাকা।।
১। আপনার ব্রণ থেকে নখকে দূরে রাখুন
আপনার ব্রণের সাথে খেলবেন না। একে একা থাকতে দিন। ভুলেও নখ লাগাবেন না বা চাপ দিবেন না। চুলকানি হলেও স্পর্শ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন। আর যদি প্রতিকারের জন্য কোন ওষুধ বা কোনও কিছু ব্যবহার করেন, তবে অবশ্যই আলতোভাবে করতে হবে।
২। সূর্যের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন
সূর্যের আলোতে ব্রণের দাগ বসে যায়। তাই চেষ্টা করবেন সূর্যের সংস্পর্শ থেকে নিজেকে দূরে রাখার। কিন্তু বাইরে না গিয়ে তো উপায় নেই। তাই যখনই বাইরে যাবেন, তখন অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম লাগিয়ে যাবেন। আর ছাতা, হ্যাট, ওড়না, স্কার্ফ ইত্যাদি দিয়ে নিজের ত্বককে সূর্যের রশ্মি থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করবেন।
ব্রণের দাগ দূর করার প্রাকৃতিক প্রতিকার
১।লেবুঃ
(ক) লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন।
(খ)যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া একটানা ৭-১০ দিন নিচের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
লেবুর ফেসপ্যাকঃ
১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল, ২ টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ থাকা অবস্থায় দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
২।মধুঃ
(ক) রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে তা ধুয়ে ফেলুন।
(খ) মধুর সাথে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধুমাত্র দাগের উপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে সারারাতও রাখতে পারেন।
মধুর ফেসপ্যাকঃ
২-৩ টি এস্পিরিন ট্যাবলেট এর সাথে ২ চামচ মধু ও ২-৩ ফোঁটা পানি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। এস্পিরিন এর স্যালিসাইলিক এসিড ব্রণের দাগ দূরের জন্য খুবই সহায়ক।
৩। অ্যালোভেরা জেলঃ
দিনে দুইবার অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগান এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধুমাত্র ব্রণের দাগই দূর করবে না, বরং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং টানটান হবে।
৪। বেকিং সোডাঃ
২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সামান্য পানি একসাথে মিশিয়ে মুখে ২-৩ মিনিট ঘষুন এবং শুকানোর জন্য কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে এর উপর কোনও ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা অলিভ অয়েল লাগান।
৫।টমেটোঃ
একটি লাল টমেটোর কিছু অংশ নিয়ে তার রস নিন। এরপর তা শশার রসের সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাকটি লাগান। ব্রণের দাগ দূর তো হবেই সেই সাথে রোদে পোড়া দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
উপরের সবগুলো উপাদান ত্বকের দাগ দূরের জন্য বেশ উপকারী। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী যে উপাদান বেশি ভালো তা ব্যবহার করুন এবং আপনার মূল্যবান ত্বকের যত্ন নিন, বেশি করে পানি পান করুন, সুস্থ থাকুন।
ব্রন ও মুখের কালো দাগ দুর করার জন্য বেটনোভেট ক্রিমটি ব্যবহার করতে পারেন! সাথ বেটনিলান ট্যাবলেট টি নিয়মিত খেতে পারেন!
মুখের দাগ দূর করতে
আপনি গারনিয়ার একনোফাইট ফেসওয়াস
ও রেমি স্পট ক্রিম ব্যাবহার করুন।
ও হামদার্দ কোম্পানির সাফি ঔষধ খান।
কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে।এরপর মিশ্রণটি ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।
* আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং গায়ের রঙ হালকা করে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন।
* ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।