4 Answers

বেশি ঘুমানোর কারণ সাধারণত চিন্তা মুক্ত থাকা ,, আপনি নিশ্চয় এখন চিন্তা মুক্ত এবং আপনার তেমন কোনো কাজের চাপ ও নাই , তাই আপনি প্রয়োজনের বেশি ঘুমাচ্ছেন . আমার মনে হয় , আপনার একটা ডেইলি রুটিন করা উচিত ,, খুব ভোরে না হলে ৭-৮ তার দিকে উঠে মর্নিং ওয়াক অ যেতে পারেন, এইভাবে আপনার সুবিধা মত একটা রুটিন করে মোটামুটি সেই হিসেবে চললেই দেখবেন কিছুটা ঘুম কমে গেসে ..
4076 views Answered

কিছু উপায়--

১. শরীরে রক্ত কমে গেলে ঘুম বেশী আসে। এইজন্য আয়রন ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। আয়রন ট্যাবলেট কমলা বয়ামে যেটা বিক্রি হয় সেটাতে রক্তে ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায় । সেজন্য আপনি ফলিসন ট্রাই করতে পারেন-এটা বেশ কাজে দেয়।

২.  পড়াশুনা বেশী থাকলে দিনের বেলা, বিকেল বেলা পড়ুন।

৩.  চা কফি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। তবে অবশ্যই তা বেশি না।

৪. আপেল কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন। আপেলের ক্যাফেইন ঘুম তাড়ায়। আর রাতে শোবার আগে কলা খেলে ঘুম ভালো হয়। রাতে খুব ভালো ঘুম হলে সকালে ঝিমুনি ভাবটা থাকেনা।

এছাড়া যা যা করবেন :

১. দুপুরে ঘুমাবেন না ।

২. রাতের ঘুমটা সময়মতে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

৩. সারাদিন অল্প অল্প করে চার থেকে পাঁচবার খাবেন, বেশি খাবার ঘুম বাড়ায়। তাই বেশি খাবার সম্পূর্ণ রুপে বর্জন করুন।

৪. লাল মাংস, মিষ্টি, ভাত, আম -এগুলো ঘুম বাড়ায়-যথাসম্ভব বর্জন করুন।

৫. শুয়ে শুয়ে বই পড়ার অভ্যাস বাদ দিন।

৬. প্রতিদিন আধাঘন্টা ব্যায়াম করুন -ঘুমানোর আগে হাঁটুন।

৭.  নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করুন।

4076 views Answered

অনন্য কাজে ব্যস্ত থাকুন। যেমন ফেইসবুক অথবা নিজের কাজ। এভাবেই কম ঘুমানো যায়। । তবে কম ঘুমানো ভালো নয়। পযাপ্ত পরিমান ঘুমানো উচিৎ। একটি সুস্থ মানুষের কমপক্ষে 8 ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ।

4076 views Answered

আপনার শরীর দুর্বল তাই হয়তো ঘুম বেশি হয়,আবার বেশি ঘুমানো একটা বদ অভ্যাসও হতে পারে! শরীর হলো মহাশয় যা সহাইবে তাই সয়! ঘুম আসলে রং চা বা গ্রিনটি খেতে পারেন,কারণ চা তে থাকে ট্যানিক এসিড় যা ঘুম নিরোধকের মত কাজ করে! ঔষধ:বিকোজিন খান! না সারলে ডাক্তারের চিকিৎসা নিন! ধন্যবাদ

4076 views Answered

Related Questions

Next steps