3 Answers

অনেকেই মনে করেন অতিরিক্ত ঘুমানো বদ অভ্যাসের ফসল এবং এজন্য অনেক সময় কটু কথাও বলা হয়।কিন্তু উপরের আলোচনা থেকে আশা করি বুঝতে পারছেন অতিরিক্ত ঘুমানোর জন্য অনেক ক্ষেত্রেই সুনির্দিষ্ট কারণ বিদ্যমান।এসব কারণের চিকিৎসা হলে অতিরিক্ত ঘুমানোর সমস্যা কমে যায়।তাছাড়া অনেকেই ঘুম তাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত চা/কফি পান করে থাকেন যা মোটেও যুক্তিযুক্ত ও উপকারী নয়।বরং সকল ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক ঘুমের সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে।সুতরাং অতিরিক্ত ঘুমের প্রতিকারে দুটো বিষয় মনে রাখতে হবে- কারণ নির্ণয় ও তার চিকিৎসা: অনেক ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ঘুমের সুনির্দিষ্ট কারণ আছে।উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় বিশ্বব্যাপী রোগের প্রাদুর্ভাবের হার বিবেচনায় আমাদের দেশের প্রায় ৮০লক্ষ মানুষ হাইপোথাইরয়েডিজমে,গর্ভধারণে সক্ষম নারীদের অধিকাংশই লৌহ ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতায় (Iron Deficiency Anaemia),প্রায় ৫০লক্ষ থেকে ১.৫কোটি মানুষ ফাইব্রোমায়েলজিয়ায়,৫০+ বয়সের প্রায় ৩০% মানুষ Periodic Limb Movement Disorder (PLMD) নামক সমস্যায়,৫০হাজার-৮০হাজার মানুষ নারকোলেপসিতে, প্রায় ৭০-৮০ লক্ষ লোক Restless Legs Syndrome(RLS) নামক সমস্যায় ভুগছে।এসব অসুখের বেশ কিছু ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ঘুমানোর সমস্যা হতে পারে।সুতরাং অতিরিক্ত ঘুমের প্রতিকারে এর সম্ভাব্য কারণ নির্ণয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।কারণ খুঁজে পাওয়া গেলে ও তার সঠিক চিকিৎসা করলে অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব। ঘুমের আদর্শ অবস্থার নিয়ম-কানুন : ঘুম অতিরিক্ত হোক আর কম হোক উভয় ক্ষেত্রেই পরিচ্ছন্ন ঘুমের নিয়ম-কানুন মেনে চলা উচিৎ ঘুমের প্রক্রিয়া ও এর ব্যাপ্তিকালকে স্বাভাবিকীকরণের জন্য। এগুলো হলো- ১) ঘুম না আসা পর্যন্ত বিছানায় না যাওয়া ৩) রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ছাড়া যখন তখন যেখানে সেখানে শুয়ে বিশ্রাম নেওয়ার অভ্যাস যথাসম্ভব ত্যাগ করা। ৪) বিছানায় যাওয়ার পর ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসলে জোর করে শুয়ে না থেকে বরং বিছানা ও বেডরুম ত্যাগ করে পুনরায় ঘুম না আসা পর্যন্ত বেডরুমে না ঢোকা। যারা জোর করে ঘুমানোর চেষ্টা করেন তাদের পরবর্তীতে ঘুমানোর সময় সমস্যা আরও তীব্রতা লাভ করে। ৫) প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠা তাতে রাতে যে পরিমাণই ঘুম হয়ে থাকুক না কেন। ৬) সন্ধ্যার পর স্নায়ু উত্তেজক খাবার বা পানীয় যেমন চা.কফি,কোলা,চকোলেট,এনার্জি ড্রিংকস, ধূমপান সেবন না করা। ৭) সকালে বা দিনের অন্য সময় নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা। ৮) টিভি দেখার সময় সোফায় গা না এলিয়ে বরং চেয়ার বা মেঝেতে পিঠ সোজা করে বসে দেখা। ৯) ঘুমানোর সময় ঘরের সকল লাইট বন্ধ রাখা। ১০) বেডরুমের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা যথাসম্ভব স্বস্তিকর অবস্থায় রাখা। ১১) সন্ধ্যার পর থেকে বিশেষত ঘুমানোর পূর্বে কোন কারণে উত্তেজিত না হওয়া বা জটিল কোন কিছু চিন্তা না করা। বিছানায় শুয়ে টিভি দেখা,ফেসবুক চালানো বা চ্যাট করা,মোবাইলে কথা বলা, জীবনের সমস্যা নিয়ে চিন্তা করা,ভবিষ্যত পরিকল্পনা করা ইত্যাদি বিষয় ত্যাগ করা। ১২) কোন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন না করা।

2972 views Answered

১. শরীরে রক্ত কমে গেলে ঘুম বেশী আসে। এইজন্য আয়রন ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। আয়রন ট্যাবলেট কমলা বয়ামে যেটা বিক্রি হয় সেটাতে রক্তে ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায় । সেজন্য আপনি ফলিসন ট্রাই করতে পারেন-এটা বেশ কাজে দেয়।

২.  পড়াশুনা বেশী থাকলে দিনের বেলা, বিকেল বেলা পড়ুন।

৩.  চা কফি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। তবে অবশ্যই তা বেশি না।

৪. আপেল কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন। আপেলের ক্যাফেইন ঘুম তাড়ায়। আর রাতে শোবার আগে কলা খেলে ঘুম ভালো হয়। রাতে খুব ভালো ঘুম হলে সকালে ঝিমুনি ভাবটা থাকেনা।

এছাড়া যা যা করবেন :

১. দুপুরে ঘুমাবেন না ।

২. রাতের ঘুমটা সময়মতে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

৩. সারাদিন অল্প অল্প করে চার থেকে পাঁচবার খাবেন, বেশি খাবার ঘুম বাড়ায়। তাই বেশি খাবার সম্পূর্ণ রুপে বর্জন করুন।

৪. লাল মাংস, মিষ্টি, ভাত, আম -এগুলো ঘুম বাড়ায়-যথাসম্ভব বর্জন করুন।

৫. শুয়ে শুয়ে বই পড়ার অভ্যাস বাদ দিন।

৬. প্রতিদিন আধাঘন্টা ব্যায়াম করুন -ঘুমানোর আগে হাঁটুন।

৭.  নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করুন।

2972 views Answered

ভাই আপনি পাঁচ ওয়ক্ত নামায পড়েন ইনশাআল্লাহ্ ঠিক হয়ে যাবে.....

2972 views Answered

Related Questions

Next steps