5 Answers
আপনি যেহেতু রোদে কাজ করেন, এমন অবস্থায় হাতে ধুলো ময়লা থাকলে মুখে হাত দিবেন না,এতে ব্রন হওয়ার সম্ভভনা বেশি।ব্রন ১০-২০ বয়স এই সময়ের মধ্যো হয়ে থাকে।
মুখের দাগ সারানোর জন্য ভিটামিন-ই ক্যাপসুল।
প্রথম এ বলি রোদে যখন কাজ করবেন তখন পানি বেশি পান করবেন তা হলে শরীর পরিস্কার থাকবে।আর মুখ কয়কবার ধুবেন তা হলে আর হরন ওঠবে না।।আর কালো দাগ দৃর করার জন্য১।লেবুঃ (ক) লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন। (খ)যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া একটানা ৭-১০ দিন নিচের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। লেবুর ফেসপ্যাকঃ ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল, ২ টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ থাকা অবস্থায় দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ২।মধুঃ (ক) রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে তা ধুয়ে ফেলুন।দেখবেন কালো দাগ ছলে যাবে।
আপনি gernier acno fight ফেসওয়াস নিয়মিত ব্যবহার করুন।অনেক উপকার পাবেন।দাম পড়বে ২০০ টাকা।
আপনি রোজ রাতে ঘুমোনোর আগে, মুখে লেবুর রস তুলো দিয়ে ঘসে লাগিয়ে রাখতে পারেন এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আপনি কোনো ভালো একটি facewash দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে দেন। আপনার ব্রণ আস্তে আস্তে একেবারেই কমে যাবে, দাগ গুলিও মুছে যাবে।। ( যদি দেখেন আপনার মুখ জ্বলছে লেবুর রস লাগানোর সময়, তাহলে লেবুর রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে নেন, এতে আপনার মুখ জ্বলাটাও কমবে, আবার মুখ আরও ফর্সা হবে)
আপনি নিয়মিত মেডোনা ক্রিম এবং ফেইসওয়াস ব্যবহার করুন। এটি শ্যামবর্ণকে দ্রুত উজ্জ্বল করে তুলে।