3 Answers
রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবি নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে তারাবি নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ।
তবে ঘরে সূরা-কিরাআতের মাধ্যমে আদায় করলেও সওয়াব পাওয়া যায়।যেমন একটি হাদিস: হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, ‘নবী করিম (সা.) রমজান মাসে বিনা জামাতে (একাকী) ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করতেন, অতঃপর বিতর নামাজ পড়তেন।’ (বায়হাকি)
হানাফিদের মতে তারাবিহ নামাজ পড়া সুন্নতে মুকাদ্দাহ । যদি কোন মহল্লার সকল লোক একা একা তারাবিহ নামাজ পড়ে তবে সেই মহল্লার সবাই গুণাহগার হবে । আর যদি কিছু লোক জামাতে পড়ে আর কিছু লোক একা একা পড়ে তাহলে কোন সমস্যা নেই । সুতারাং আপনে একা একা পড়তে পারবেন কিন্তু একথা মনে রাখতে হবে যে আপনে জামাতে নামাজ আদায় করার সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবেন ।