মাথায় যন্ত্রণার বিভিন্ন কারণ কী?

মাথায় যন্ত্রণার বিভিন্ন কারণ গুলো সম্পর্কে কিছু জানতে চাই যদি বলেন ..
10669 views

4 Answers

দৈনন্দিন জীবনে মাথা ব্যথা সাধারণ একটি সমস্যা। যদিও বেশীর ভাগ মাথা ব্যথা বিরক্তিকর, তবে বেশীর ভাগ মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগ নির্দেশ করে না। দুশ্চিন্তা ও মাইগ্রেন শতকরা ৯০ ভাগ মাথা ব্যথার জন্য দায়ী। মাথা ব্যথা নানা রকমের! টেনশন কিংবা দুশ্চিন্তা জনিত মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, ক্লাস্টার , সাইনাস কিংবা চক্ষু জনিত মাথা ব্যথা। হরমোন জনিত মাথা ব্যথা তাছাড়া মগজের টিউমার, মগজের ভিতর রক্তপাত, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি কারণে মাথা ব্যথা হয়। মাথা ব্যথা মাথার উভয় দিকে হয়। মাথায় তীব্র চাপ অনুভূত হয় এবং ব্যথা ঘাড়ে সংক্রমিত হতে পারে। মানসিক চাপে ব্যথা বাড়তে পারে। পুরুষ, মহিলা সমান ভাবে আক্রান্ত হয়। লক্ষণ সমূহ মাথা ব্যথা সাধারণত মাথার পিছনে দুই দিকে ও ঘাড়ে অনুভূত হয়। মাথা ব্যথা সপ্তাহব্যাপী কিংবা মাসব্যাপী স্থায়ী হয়। তবে ব্যথার তীব্রতা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের হতে পারে। মাথা ব্যথা দিনের যেকোনো সময় হতে পারে। মাথায় চাপ অনুভূত হয়। কিন্তু ব্যথার সাথে কখনো জ্বর থাকে না। চিকিত্সা সাধারণত বেদনা নাশক দ্বারা চিকিত্সা করা হয়। স্বল্পমাত্রার Trackalyzer দেয়া যেতে পারে। মাইগ্রেন শতকরা ১০/১৫ ভাগ লোক এধরণের মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়। মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়। সাধারণত: ১৫/১৬ বছর বয়স থেকে মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ৪০/৫০ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাইগ্রেনের আক্রমণের সময় মগজের রাসায়নিক বাহক serotonin এর মাত্রা বেড়ে যায় এবং মাথা বাইরের ধমনী গুলো প্রসারিত হয়। লক্ষণ সমূহ ১. মাথা ব্যথা সাধারণত মাথার এক দিকে হয়। তবে ব্যথা সমস্ত মাথায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২. মাথা ব্যথার সাথে বমি বমি ভাব হয়, এমনকি বমিও হতে পারে। ৩. রোগী তখন আলো সহ্য করতে পারে না। ৪. এধরণের মাথা ব্যথা কয়েক ঘন্টাব্যাপী চলতে পারে, কিন্তু সারাদিনব্যাপী খুব কম হয়। ৫. মাইগ্রেন রোজ, সপ্তাহব্যাপী কিংবা মাসব্যাপী হতে পারে। ৬. দুশ্চিন্তা, মদ্যপানে মাথা ব্যাথা বেশী হয়। পনি, চকোলেট ইত্যাদি খাবারেও মাথা ব্যথা বেশী হয়। ঘুমালে মাথা ব্যথা কমে যায়। ৭. মাইগ্রেনের বংশগত ইতিহাস থাকতে পারে। ৮. সাধারণত কোন স্নায়ুবিক উপসর্গ থাকে না। চিকিত্সা যেসব কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ বৃদ্ধি পায়, তা পরিহার করতে হবে। স্বল্পস্থায়ী চিকিত্সা হিসাবে aspirine কিংবা paracetamol এর সাথে antiemetic যেমন prochlorperazine, metoclopramide দেয়া যেতে পারে। তীব্র আক্রমণের চিকিত্সা হিসাবে somatree protein যা মাথার বাইরের ধমনীকে সংকুচিত করে। এবং মুখে কিংবা ইনজেকশনের মাধ্যমে দেয়া যেতে পারে। ergotamine বিকল্প হিসাবে দেয়া যেতে পারে। ঘন ঘন আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিরোধকারী হিসাবে propanol, Pizotifen কিংবা amitriptyline দেয়া যেতে পারে। ক্লাস্টার ক্লাস্টার মাইগ্রেনের চেয়ে কম হয়। এধরনের মাথা ব্যথা মধ্য বয়স্ক পুরুষদের বেশী হয়ে থাকে। কিন্তু মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়। লক্ষণ সমূহ ১. তীব্র যন্ত্রণা দায়ক মাথা ব্যথা। ২. মাথা ব্যথা সাধারণত এক চোখে এবং চোখের পিছনে হয় এবং সেদিকের চোখ লাল হয়, পানি পড়ে। নাক দিয়েও পানি পড়ে। ৩. মাথা ব্যথা হঠাত করেই হয়ে থাকে। পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যে ব্যথা সবচেয়ে বেশী হয় এবং আধ ঘন্টার মধ্যে সেরে যায়। ৪. মাথা ব্যথায় ঘুম ভেঙে যেতে পারে। ৫. মদ্যপানে মাথা ব্যথা বেশী হয়। ৭. মাথা ব্যথা কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হয় এবং দিনে কয়েকবার করে হয়। চিকিত্সা চিকিত্সা হিসাবে উচ্চ মাত্রায় প্রদাহ বিনাশ কারী antiinflamatorio দেয়া হয়। somatree protein ও ফলপ্রসূ। ergotamin এবং verapamil রোগ প্রতিরোধের জন্য কার্যকর। অর্ধেকের বেশী রোগী ফেস মাস্কের মাধ্যমে ১০০% অক্সিজেন শ্বাসের সাথে নিয়ে উপকার পায়। ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করা উচিত। সাইনাস এর মাথা ব্যথা যাদের ঘন ঘন সর্দি কাশি হয়, তাদের sinusitis থেকে এধরণের মাথা ব্যথা হয়ে থাকে লক্ষণ সমূহ ১. ঠান্ডা কিংবা সর্দি কাশি লাগার সময় কিংবা পরে থেকে এধরণের মাথা ব্যথা শুরু হয়। ২. ব্যথা মুখ মন্ডলের কিংবা মাথার কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে। ৩. মাথা ব্যথা সকালের দিকে বেশী হয়। ৪. হাঁচি কাশি দিলে ব্যথা বেশী হয়। হঠাত্ করে মাথা নাড়লেও ব্যথা বেশী হয়। ৫. শীতকালে বেশী হয়। ৬. রোগ নির্ণয়ের জন্য এক্সরে বা সিটি স্ক্যান করতে হবে। চিকিত্সা চিকিত্সা হিসাবে এন্টিবায়োটিক, antihistamin, nasal decongestant কিংবা nasal sprey দেয়া হয়। চক্ষু জনিত মাথা ব্যথা শতকরা ৫ ভাগ মাথা ব্যথা চক্ষু জনিত। চোখের দৃষ্টি শক্তি কম থাকলে মাথা ব্যথা হতে পারে। অনেক ক্ষণ পড়াশোনা করা, সেলাই করা, সিনেমা দেখা কিংবা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চোখের কোন রোগ যেমন কর্ণিয়া, আইরিশের প্রদাহ, গ্লুকোমা এবং রেট্রোবালবার নিউরাইটিস ইত্যাদি কারণে মাথা ব্যথা হতে পারে। চক্ষু জনিত মাথা ব্যথা সাধারণত চোখে, কপালের দু’দিকে কিংবা মাথার পিছনে হয়ে থাকে। চক্ষু জনিত মাথা ব্যথায় চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। হরমোন জনিত মাথা ব্যথা মহিলাদের মাসিক কালীন সময়ে progesterone এবং estrogen হরমোনের উঠানামার কারণে মাথা ব্যথা হতে পারে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে মাথা ব্যথা হতে পারে। মাসিক চক্র শেষ হলে কিংবা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে এধরণের মাথা ব্যথা ভাল হয়ে যায়। কখন সিটি স্ক্যান কিংবা MRI করতে হবে ১. তীব্র ও অসহ্য মাথা ব্যথা। ২. কোনো পরিশ্রমের কাজ করার পর মাথা ব্যথা শুরু হলে। ৩. মাথা ব্যথার সাথে ঘাড় শক্ত হলে। ৪. অস্বাভাবিক স্নায়ুবিক উপসর্গ দেখা দিলে ৫. ৪০/৫০ বত্সর বয়স্কদের মাথা ব্যথা যদি দুই মাসের বেশী স্থায়ী হয়।

10669 views Answered

মাথা ব্যাথা তেমন বড় রোগ না হলেও দৈনন্দিন জীবনে একটা বড় সমস্যা। সাধারনত মাথার ওপর একটু বেশি চাপ পড়লে মাথা ব্যাথা করে অর্থাৎ বেশি পড়াশোনা করলে মেধাশ্রম ভিত্তিক বিভিন্ন কাজ বেশি করলে। আবার খুব বেশি আবার কম আলোতে পড়লে মাথা ব্যাথা করে। ঠান্ডা লাগলেও মাথা ব্যাথা করে।

10669 views Answered

ঘুমের সমস্যা টেনশন/ দুশ্চিন্তা, মাইগ্রেন, সাইনোসাইটিস,  চোখের কোনো সমস্যা, হরমোনজনিত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, মস্তিষ্কের কোন রোগ ইত্যাদি কারণে মাথা ব্যথা হয়।

10669 views Answered

মাথাব্যথা যে শ্রেণীরই হোক না কেন তা যদি মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে তবে আমাদের উচিত কোন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। কারণ অনেক সময় দেখা যায় খুব ছোট কোন রোগও আসলে বড় কোন রোগকে ডেকে নিয়ে আসে।


সাম্প্রতিককালে মেডিকেল গবেষকরা বিশ্বাস করেন, যে সকল মাথা ব্যাথা হয় মানসিক চিন্তা/টেনশান থেকে সে সকল মাথা ব্যাথার কারণ হল- মাথা ও ঘাড়ের পেশিগুলো পরস্পরের সংস্পর্শে চলে আসে এবং মস্তিষ্ক ও কপালের সম্মুখভাগ এর রক্তনালী গুলোর প্রসারণ ঘটে, যার ফলাফল স্বরূপ এই প্রচণ্ড মাথা ব্যাথা হয়। ধারণা করা হত যে রক্তনালীর সংকোচন, যার কারনে মাথায় ও চোখে রক্ত সরবরাহ কমিয়ে দেয়, ফলে মাথা-ব্যথা হয়। এসকল মতবাদ চিকিৎসক ও রোগী উভয় এরই নিকট আগে প্রচলিত ছিলে এবং এটাই মনে করা হত মাথা ব্যাথার কারন নির্নয় এর উপায়. এই নালীসম্বন্ধীয় তত্ত্ব আরো অনেক মাথা-ব্যাথা সম্পর্কিত বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। যেমন- মাথা ব্যাথার আগে ও পরে মানসিক অবস্থার ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায় এবং মাথা ব্যাথার সময় যে বিতৃষ্ণাবোধ জাগে ও বমি হয়।–


কি ভাবে শুরুঃ


আমাদের ব্রেইন, স্নায়ুর সাথে কিছু রাসায়নিক বস্তুর মাধ্যমে যোগাযোগ করে যেগুলোকে বলা হয় নিউরোট্রান্সমিটার। স্নায়বিক সিস্টেম এর কার্যাবলীর জন্য এইসব নিউরোট্রান্সমিটার অত্যাবশ্যক। যেমন- পেশী সংকোচন, ইন্দ্রিয়সমূহের উপলব্ধির ক্ষমতা, চিন্তা-ভাবনা, মানসিক অবস্থা, এবং সচেতনতা ইত্যাদি।কিন্তু কোন একক নিউরোট্রান্সমিটার এইসব কার্যাবলী নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা। অধিকন্তু প্রতিটি নিউরোট্রান্সমিটার মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বহু-সংখ্যক বৈশিষ্টপূর্ন কার্যাবলীতে ভূমিকা পালন করে- যেমন মাথা ব্যাথার জন্য স্বতন্ত্র একটি নিউরোট্রান্সমিটার , ‘’সেরোটিন’’ এর পরিবর্তন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। সেরোটিন সাধারণত ঘুম, মনমর্জি/মানসিক অবস্থা,রক্তকনিকার সংকোচন ও প্রসারন ক্ষমতা এবং মাংসপেশীগুলোর সংকোচন (যেমন অন্ত্র) এর ক্ষতি করার জন্য পরিচিত।


অধিকন্তু এটা অন্য আরেকটি নিউরোট্রান্সমিটার ‘’সাবস্ট্যান্স-পি’’ এর পরিবর্তন নিয়ন্ত্রন করে। এর ফলে আমাদের শরীর ফুলে যায় তরল জমা হওয়ার কারনে।জ্বালাপোড়া ও দাহজনক রাসায়নিক পদার্থ যেমন- ব্রাডিকাইনিন এর মুক্তির জন্য ব্যাথা পরিবাহী স্নায়ুগুলোকে জেগে উঠে। একই সময়,সাবস্ট্যান্স-পি হল ব্যাথা প্রশমনকারী জিনিসগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ব্যাথা প্রশমনকারী। এর উপস্থিতিতে ব্যাথা পরিবাহী স্নায়ুগুলোকে সংবেদনশীল করে তোলে। এটা ধারণা দেয় যে দু’ধরনের তত্ত্ব আছে মাথা-ব্যাথার-যাইহোক সাবস্ট্যান্স-পি এবং ব্রাডিকাইনিন এর কার্যকরী ভূমিকায় ব্যাথার সংবেদনশীলতা খুব বেড়ে যায়।


মাথাব্যথাকে আবার চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণ দুই ভাগে ভাগ করেছেন- প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারী।


Primary Headache: এই শ্রেণীর মাথাব্যথার মূলত তিনটি কারণ রয়েছেঃ


 মাইগ্রেনঃ ‘মাইগ্রেন’ নামক শব্দটির সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ মুশকিল। যার হয় সেই কেবল বোঝে এই ব্যথার তীব্রতা কতটুকু। আমাদের সেরেব্রাল কর্টেক্সের বিভিন্ন অংশে রক্ত প্রবাহ কমে যাওয়াই মূলত এর জন্য দায়ী। মাইগ্রেনের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে আলো ও গোলমালের প্রতি সংবেদনশীলতা, বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি বিতৃষ্ণাবোধ, বমি হওয়া এবং মাথার কোনো এক পাশে তীব্র ব্যথা অনুভূত হওয়া।

দুশ্চিন্তাঃ আমাদের মাথা এবং গলার বিভিন্ন পেশীতে অতিরিক্ত স্ট্রেসের ফলে অথবা আবেগিক নানা কারণে দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা হয়ে থাকে। এই ধরণের মাথাব্যথাগুলোর সময় মাথায় এক ধরণের ঝিম ধরা অনুভূতি হয় এবং সেই সাথে মাথার দু’পাশেই তীব্র ব্যথা হতে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণ মনে করে থাকেন যে এর সাথে হয়তো মাইগ্রেনের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

ক্লাস্টারঃ এ ধরণের মাথাব্যথাগুলো সাধারণত কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস ধরে নিজেদের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে চলে। এদের উৎপত্তিও মাথার যেকোন এক পাশেই হয়ে থাকে। ক্লাস্টার টাইপের মাথাব্যথার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা না গেলেও ধারণা করা হয়ে থাকে রক্ত প্রবাহের পরিবর্তনের ফলেই এর উৎপত্তি। কারণ অ্যালকোহলের মতো যেসব উপাদান রক্ত প্রবাহকে প্রভাবিত করে তারা এই ধরণের মাথাব্যথার ক্ষেত্রে আরো উত্তেজক ভূমিকা পালন করে থাকে।

এছাড়া আমাদের মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহের ফলেও প্রাইমারী টাইপের মাথাব্যথা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে ক্যাফেইন আমাদের মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এখন কারো যদি নিয়মিত ক্যাফেইন নেবার অভ্যাস থাকে আর সে হঠাৎ করেই সেটা বন্ধ করে দেয় তবে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত প্রবাহের ফলে তার মাথাব্যথা হয়ে থাকে।


Secondary Headche: এই শ্রেণীর মাথাব্যথাগুলো মূলত ইনফেকশন, জ্বর, মাথায় আঘাত, হাইপোগ্লাইকেমিয়া, টিউমার ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।

টেনশনাল হেডেক বা দুশ্চিন্তা জনিত মাথাব্যথা ( Tension Headaches )

আমাদের মাথা এবং গলার বিভিন্ন পেশীতে অতিরিক্ত স্ট্রেস

10669 views Answered

Related Questions

Next steps