1 Answers

চাল কুমড়ার পোকা দমনেঃ


কাঁঠালে পোকা ও বিটল পোকা গাছের পাতা খায় এবং ফুলের রস চুষে খেয়ে গাছ দুর্বল করে দেয়৷ এই পোকা দমনের জন্য সাড়ে সাড়ে ১২ লিটার পানিতে চা চামচের পাঁচ চামচ পরিমাণ ডায়াজিনন ঔষধ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে৷ খেয়াল রাখতে হবে যে, ঔষধ ছিটানোর কমপক্ষে ৭ দিন পর্যন্ত লাউ এর ডগা ও ফল বাজারে বিক্রি বা খাওয়া যাবে না৷


ফলের মাছি পোকা: এই পোকা ফল ছিদ্র করে ডিম পাড়ে এবং পরবর্তীকালে ঐ ফলের মধ্যে কীড়া জন্মায় এবং ফল পঁচে যায়৷ এই পোকা দমনের জন্য সাড়ে ১২ লিটার পানিতে চা চামচের ৫ চামচ পরিমাণ ডিপটেরেক্স ঔষধ মিশিয়ে স্প্রে করলে পোকা দূর হবে৷ এই ঔষধ ১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ছিটাতে হবে৷ খেয়াল রাখতে হবে যে, ঔষধ ছিটানোর কমপক্ষে ৭ দিন পর্যন্ত কোনো ফল বাজারে বিক্রি বা খাওয়া যাবে না৷


মাছি পোকা দমনের বিষটোপ তৈরি ও প্রয়োগ : বিষটোপের জন্য ১০০ গ্রাম পাকা মিষ্টি কুমড়া কুচি কুচি করে কেটে থেতলিয়ে ০.৫ মিলি লিটার (১২ ফোটা) নগস অথবা ডিডিভিপি ১০০ তরল এবং ১০০ মিলি লিটার পানি মিশিয়ে ছোট একটি মাটির পাত্রে রেখে ৩টি খুঁটির সাহায্যে মাটি থেকে ০.৫ মিটার উঁচুতে রাখতে হবে৷ খুঁটি তিনটির মাথায় অন্য একটি বড় আকারের মাটির পাত্র রাখতে হবে৷

বিষটোপ গরমের দিনে ২ দিন এবং শীতের দিনে ৪ দিন পর্যন্ত রাখার পর তা ফেলে দিয়ে নতুন করে আবার তৈরি করতে হবে৷ মাছি পোকার সংখ্যা বিবেচনা করে প্রতি হেক্টরে ২০-৪০টি বিষটোপ ব্যবহার করা যেতে পারে৷ 


পাউডারি মিলিডিউ রোগ: এই রোগে পাতার উপর সাদা পাউডার দেখা যায় এবং গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ফলন হ্রাস পায়৷ এই রোগ দূর করার জন্য ২০ গ্রাম থিয়োভিট ৮০ ডব্লিউপি ১০ সের পানির সঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে পাতা ভিজিয়ে দিতে হবে৷ এই পরিমাণ ৫ শতক জমিতে দেয়া যায়৷ প্রতি বিঘার জন্য ১২০ গ্রাম ঔষধ দরকার৷ ঔষধ প্রয়োগের ১৫ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা বা খাওয়া যাবে না৷ 

2733 views

Related Questions