3 Answers
গরমে কেউ বেশি ঘামে কেউ কম ঘামে এটার অনেক গুলো কারণ রয়েছে যেমন : ১. যারা কম পানি পান করেন তাদের ঘাম বেশি হয় এবং যারা পযার্প্ত পরিমাণে পানি পান করেন তাদের ঘাম কম হয়। ২. শারীরিক দুর্বলতা থেকেও প্রচুর ঘাম হতে পারে আর যাদের শারীরিক দুর্বলতা নেই তাদের ঘাম ও কম বের হয়। ৩.যাদের শরীরের তাপমাত্রা সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশী হয়ে যায় মূলত তাদেরই ঘাম সৃষ্টি হয়। ৪.অনেকের অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে ঘাম হয়ে থাকে যেমনঃ পারকিনসন্স, ভয়ভীতি, ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজ ইত্যাদি।
সবার শরীরে তাপ সহ্য করার ক্ষমতা এক নয় ৷ গরমে অনেকে তারা তারি দুরবল হয়ে যায় তাই তারা তারি ঘেমে যায় ৷যারা কম দুর বল হয় তারা দেরিতে ঘামে ৷ যারা কঠোর পরি শ্রম করে তারা একটু বেশী ঘামে এবং তারা তারি ঘেমে যায় ৷
সকলে সমান ঘামেন না৷ কারও ঘাম বেশি হয় কারও আবার ঘাম কম হয়৷ দেখে নেওয়া যাক কেন ঘাম বেশি হয়: ঘাম বেশি না কম হবে তা কিছুটা নির্ভর করে বংশগতির ওপর। কিছুটা পরিবেশের ওপর। অনেকটাই পরিশ্রমের ওপর এবং মানসিক অবস্থা অর্থাৎ উৎকণ্ঠা, টেনশন আছে, না মানসিক ধৈর্যের অধিকারী তার ওপর। তবে কম-বেশি যাই হোক না কেন, ঘাম সবারই হয়।