5 Answers
বর্তমান গরমের চরম অবস্থা?
গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায় লবণ আর পানি। এটা স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু এ পানির অভাবও পূরণ হওয়া চাই। গরমে ডাবের পানি ভালো। ডাবের পানি ঘামের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। পানি আছে এমন শাকসবজি এবং ফলমূল খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন লাউ, শসা, গাজর, আলু, তরমুজ, ফুটি, পেঁপে ইত্যাদি।
প্রচুর পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে বেশি গরমে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে হতে পারে হিট স্ট্রোক। জ্বর, ঘামহীন শুষ্ক ত্বক, শ্বাস প্রশ্বাসের হার বৃদ্ধি, হৃদস্পন্দনের হার বৃদ্ধি, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যাথা, খিঁচুনি, এমন কি অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
বাইরে বের হলে মুখে সানস্কি্ন দিন, ছাতা ব্যবহার করতে পারেন রোদে। এই গরমে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন, প্রচুর পানি খান, বার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন এবং সবার ওপরে নিজের ত্বককে ভালোবাসুন। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী হলো সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন। এর পাতার ভেতরের থকথকে আঠালো অংশটুকু সরাসরি ত্বকে লাগাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গেই অনুভব করবেন, ত্বকের জ্বালাভাব কমে যাচ্ছে এবং নিয়মিত ব্যবহারে উজ্জ্বল স্বাস্থ্যকর ত্বক ফিরে পাবেন। এটি যে কোনো ধরনের ত্বকের জন্যই উপকারী এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অতি সংবেদনশীল ত্বক কিংবা ব্রণ ওঠার প্রবণতা যাদের বেশি তারা এর থেকে অনেক বেশি উপকার পাবেন।
গরম মানেই প্রচুর পিপাসা, ঘাম, আহারে অরুচি আর ক্লান্তি। কি খাবেন, কেমন পোশাকে আরাম পাবেন, সানবার্ন থেকে মুক্তির উপায় এবং সর্বোপরি কি করলে এই গরমেও থাকবেন সুস্থ, সুন্দর, সতেজ, নির্মল তা নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন।
আমাদের সবারই উচিত প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা। তৈলাক্ত ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, রাস্তার খোলা খাবার বা পানীয় এড়িয়ে চলা ভালো। এসব খাবারে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গরমকাল মানেই ব্যাকটেরিয়া-ভাইরাসের বেশি বংশবিস্তারের আশঙ্কা থাকে। খাবার বা পানিবাহিত অসুখ_ টাইফয়েড, জন্ডিস এসব অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ এ সময় বেশি হয়। সে জন্য ফুটপাতের শরবত, খোলা খাবার বা কাটা ফল খাওয়া পরিহার করা উচিত। একসঙ্গে বেশি পরিমাণ খাবার না খেয়ে বার বার অল্প পরিমাণে হালকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এ সময় শরীর থেকে ঘাম হয়ে দরকারি লবণ-পানি ঝরে পড়ে।
তাই মৌসুমি সবজি, লাউ, পেঁপে, পোটল, ঝিঙে ও রসালো ফল তরমুজ, আম, জাম, জামরুল ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত। সেই সঙ্গে ডাবের পানি, টাটকা ফলের রস, শসা বেশি করে খাওয়া দরকার। টক দই আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। গরমে নানাভাবে টক দই খাওয়া দরকার।
মোটকথা, এমন খাবার বেছে নিন যাতে ফাইবার, ক্লোরোফিল, ওয়াটার কনটেন্ট, প্রচুর জলীয় উপাদান ও অ্যান্টি অঙ্েিডন্ট বেশি থাকবে।
গরমে রূপচর্চা : রোদে পোড়া ত্বক গ্রীষ্মে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করে। সানবার্নে মুখসহ শরীরের অনাবৃত অংশের ত্বক সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। হয়তো ছাতা, সানস্ক্রিন, সানগ্লাস কোনো কিছুই এই পোড়া ত্বকের কবল থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারছে না। সবার পক্ষে সব সময় পার্লারে যাওয়া সম্ভব হয় না।
তাই ঘরোয়া উপায়েই করে নিতে পারেন আপনার ত্বকের যত্ন। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী হলো সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন। এর পাতার ভেতরের থকথকে আঠালো অংশটুকু সরাসরি ত্বকে লাগাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গেই অনুভব করবেন, ত্বকের জ্বালাভাব কমে যাচ্ছে এবং নিয়মিত ব্যবহারে উজ্জ্বল স্বাস্থ্যকর ত্বক ফিরে পাবেন। এটি যে কোনো ধরনের ত্বকের জন্যই উপকারী এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অতি সংবেদনশীল ত্বক কিংবা ব্রণ ওঠার প্রবণতা যাদের বেশি তারা এর থেকে অনেক বেশি উপকার পাবেন। রেফ্রিজারেটরেও এটি সংরক্ষণ করা সম্ভব।
গ্রিন টিও প্রকৃতি প্রদত্ত আরেকটি উপকারী উপাদান। চায়ের লিকার বানিয়ে তা ফ্রিজে রেখে দিন। ঠাণ্ডা হলে প্রয়োজনীয় অংশে প্রয়োগ করুন। দেখবেন ত্বকের লালচে গাঢ় রং স্বাভাবিক হয়ে আসছে। টক দই, চালের গুঁড়া, মধু ও ডিমের কুসুম মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন। প্যাক হালকা শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভিজিয়ে সামান্য ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। কাঙ্ক্ষিত ‘স্কিনটোন’ ফিরে পাবেন নিমিষেই।
খাবার সোডাও ব্যবহার করতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ খাবার সোডা মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে লাগান। ১০-১২ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পোড়া ভাব দূর করার সঙ্গে সঙ্গে এটি আপনার ত্বকের পিএইচ লেভেল ঠিক রাখতেও সাহায্য করবে।
শুষ্ক ত্বকে পাকা কলা, লেবুর রস ও মধুর মিশ্রণ ১৫ থেকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন, উপকার পাবেন। চন্দন বাটা, নিমপাতা বাটা, কাঁচা হলুদ বাটা পেস্ট তৈরি করে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতেও বেশ উপকার পাবেন। আলুর রসে দুই চা চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে লাগালেও ভালো ফল পাওয়া যায়।
তৈলাক্ত ত্বকে ডাবের পানি, তরমুজের রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মাখলে প্রচণ্ড তাপেও ত্বকে বার্ন হওয়া থেকে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা দুধ, লেবুর রস ও চন্দন পেস্ট তৈরি করে ত্বকে কিছুক্ষণ মাসাজ করে ৫-১০ মিনিট রেখে দিন। প্যাক শুকিয়ে এলে দুধ দিয়ে প্যাকটি ভিজিয়ে নরম করে নিন। ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন এবং পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
দু’তিনবার ব্যবহারেই আপনার ত্বক থেকে সানবার্ন মুক্ত হতে অনেকটাই বাধ্য। মনে রাখা প্রয়োজন, রোদে পোড়া ত্বক কখনোই ঘষামাজা বা চুলকানো ঠিক নয়। এতে ত্বকের অভ্যন্তরীণ স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে পরবর্তীতে ওই জায়গায় ছোট ছোট দানার মতো হতে পারে। অনেক সময় চামড়া উঠে যেতে পারে। যা কোনো স্থায়ী ক্ষতির পূর্বাভাস মাত্র। এ ছাড়া অতিরিক্ত গরমে সিনথেটিক পোশাক না পরে হালকা রংয়ের সুতির নরম পোশাক পরাই ভালো। খুব টাইট, পা ঢাকা জুতা পরার চেয়ে খোলা স্যান্ডেল পরাই ভালো।
বাইরে বের হওয়ার সময় সঙ্গে ছাতা, সানগ্লাস এবং পানির বোতল নিতে ভুলবেন না। এই গরমে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন, প্রচুর পানি খান, বার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন এবং সবার ওপরে নিজের ত্বককে ভালোবাসুন। এই সহজ টিপসগুলো ব্যবহার করে গ্রীষ্মের পিচগলা রোদ্দুরেও আপনি থাকুন উজ্জ্বল ও সতেজ ত্বকের অধিকারী।
শীতকালের চেয়ে গরম কালটা মনোরম হলেও অনেক সময়েই প্রচণ্ড গা-জ্বালানো গরম পড়ে। বিশেষ করা আমাদের দেশের গরমকালটা একটু কষ্টকরই। তাই গরম কালে কীভাবে সুস্থ সবল ও ভালো থাকা যায় সেই উপায়গুলো জেনে রাখা আমাদের উচিত।
গরম কালের ক্রমবর্ধমান গরমের সাথে শরীরের তাপমাত্রাকে মানিয়ে নিতে হয় আর শরীর যদি সেটা মানিয়ে নিতে ব্যর্থ হয় তবেই আমরা অসুস্থ হয়ে পরি।তাই গরমের সময় যদি কোন কাজে অথবা বেড়ানোর জন্য কোথাও ভ্রমণ করতে হয় তবে অবশ্যই কিছু স্বাস্থ্য পরামর্শ মেনে চলা উচিত। আর এটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে পরিবারের সবাই এই অতিরিক্ত গরম মোকাবেলা করার ক্ষমতা আছে কিনা।যখন অসহ্য গরম থাকে তখন খুব প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাইরে না ঘুরাই উচিত।যদিও শরীরের বেশ শক্তিশালী নিজস্ব ঠাণ্ডা করার ব্যবস্থা রয়েছে তবুও সবকিছুরই তো সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কারন শরীর অত্যাধিক গরম হয়ে গেলে হিট স্টোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে যার ফলে অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
এখানে গরমে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কিছু উপায় জানাচ্ছি-
ঠাণ্ডা, আরামদায়ক পোশাক পরিধান-
গরমকালে আরামদায়ক সূতি পোশাক এবং মোজা পরলে তা তাপমাত্রা ও ঘাম প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কারণ এই সময় অতিরিক্ত আঁটসাঁট পোশাক পরলে অস্বস্তির সৃষ্টি হবে।
হাল্কা খাবার গ্রহণ-
অবশ্যই এই দিকটি নিশ্চিত করতে হবে যে এই সময় হালকা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া হচ্ছে। কম মশলাযুক্ত, প্রাকৃতিক ও কাঁচা খাবার খেতে হবে ঝাল তেল মশলাযুক্ত ভারী খাবারের পরিবর্তে।
হিট স্ট্রোক-
স্বাস্থ্যকর ভাবে থাকার আরো একটি উপায় হচ্ছে হিট স্ট্রোকের ব্যাপারে সাবধান থাকা। তাই তীব্র জ্বর, বমি, মাথা ব্যাথা ও দ্রুত হৃদস্পন্দন এর মতো যেকোনো একটি উপসর্গও যদি দেখা দেয় তবে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
বেশি পানি পান করা-
একমাত্র পানিই অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে দেহকে রক্ষা করতে পারে। তাই গরমে বাইরের কোন কাজ বা ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই বার বার পানি বা অন্য কোন তরল পানীয় পান করে দেহকে আর্দ্র রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
গরমে অসুস্থতা-
যদি দেখা যায় অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ব্যাথা, মাথা ঘোরানো,বমি বমি ভাব, পেশীতে টান পরা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিচ্ছে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
মধ্য দুপুরের তপ্ত সূর্য-
দিনের মধ্য ভাগে সূর্যের তাপ অনেক বেশি থাকে তাই খুব ভালো হয় যদি এই সময় এর থেকে নিজেকে বাঁচানো যায়। তাপমাত্রা যখন বেশি থাকে বাইরে না থেকে ভেতরে থাকাই উত্তম।
সানগ্লাসের ব্যবহার-
যদি সম্ভব হয় ভালো মানের একটি সানগ্লাস ব্যবহার করা উচিত যার ফলে চোখকে সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
প্রতিরোধেই সুস্থতা, তাই প্রত্যেকেরই উচিত অসুস্থ হওয়ার পর সাবধান হওয়ার চেয়ে আগে সাবধান থেকে নিজেকে এবং সবাইকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করা।
তথ্য সূত্রঃ বোল্ডস্কাই
১. সরাসরি রোদে যাওয়া থেকে বা অধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে বেলা ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরাসরি রোদে যাবেন না। এই সময়টা দিনের সবচেয়ে বেশি গরম থাকে।
২. সূর্যের আলো থেকে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদচশমা ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সূর্যের আলোয় সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে মাথায় ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
৩. তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি পান করুন। পানি ছাড়াও ডাব, জুস, লাচ্ছি, লেবুপানি, দই প্রভৃতি খেতে পারেন। এতে শরীর আর্দ্র থাকবে।
৪. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অল্প অল্প খান।
৫. কোথাও যাওয়ার আগে সঙ্গে পানি অবশ্যই নেবেন।
৬. সুযোগ থাকলে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। বিশেষ করে, ঘুমানোর আগে গোসল করে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে।
৭. হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরবেন।
৮. ঘর যাতে ঠান্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে সুযোগ রাখবেন।
৯. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
১০. গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।
১১. গরমে আর ক্লান্তিতে বাইরের খোলা খাবার ও পানীয় গ্রহণের হার বেড়ে যায়। তার ওপর গরমে সহজেই খাদ্যদ্রব্য দূষিত হয়। বাড়ে মাছি ও পোকামাকড়ের বিস্তার, যা রোগবালাই ছড়াতে সাহায্য করে। এসবের ফলে বাড়ে পানি ও খাবারবাহিত রোগের প্রকোপ। এর মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো জন্ডিস। জন্ডিস থেকে বাঁচতে, বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
১২. গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অতিরিক্ত গরমে প্রচুর পানি পান করা উচিত। প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার গোসল করা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান মাখতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
১৩. গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিটস্ট্রোক। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে। হিটস্ট্রোক এড়াতে যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন। পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয়, যেমন: খাবার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদিও পান করতে হবে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয়, যেমন: চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।
১৪. গরমে প্রচুর সবজি খেতে পারেন। শসা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লাউ, শাক-পাতা আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন। তথ্যসূত্র: জিনিউজ, বারডেম
প্রচুর পরিমান পানি গ্রহণ করতে হবে। ডাব, শরবত পান করতে হবে। চাইলে দিনে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। তবে হ্যা, লক্ষ্য লাগবেন যাতে ঠান্ডা না লাগে।পেন এর নিচে থাকবেন।বায়িরের বাতাস এর হাবা খাবেন।