তারকা দেখে আসলে কি বিষয়গুলো বোঝা যায়? এর সাথে জ্যোতিষী শাশ্ত্রের কোন সম্পর্ক আছে কি? আমি কিন্তু ভবিষ্যৎ এর কথা বলছি না অর্থাৎ নবীর জন্মের আগে তো আর তারা তারকা দেখে বুঝতে পারেনি কারন ভবিষ্যৎ গায়েবের খবর তো আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। নবি জন্ম নেওয়ার অনেক পরে (তার মানে নবীর জন্ম নেওয়া হয়ে গেছে, তার মানে ব্যাপারটা অতীত হয়ে গেছে) তারকা দেখে বঝা গিয়েছিল।

3971 views

2 Answers

এটা মিথ্যা কথা। কুরআন-হাদীসের কোথাও এরকম কোন কথা উল্লেখ নেই। না, তারকা দেখে বিষয়গুলো বুঝা যায় না। এর সাথে জ্যোতিষী শাস্ত্রের কোন সম্পর্ক নেই। জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া এবং তার কথা শুনা নিষেধ। হাদীসে এসেছে, রাসুল (সা) বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি কোনও জ্যোতিষীর কাছে গেলো ও তাকে কিছু জিজ্ঞেস করলো (ভবিষ্যৎ জানতে চাইলো) চল্লিশ দিন ও রাতের জন্য তার সালাত কবুল হবে না।’ [সহিহ মুসলিম, ভলিউম ৪. পৃষ্ঠা ১২১১. নং ৫৪৪০] এই হাদিসে কিন্তু নবীজি শুধু জ্যোতিষীর কাছে যাওয়ার শাস্তিই কতো কঠিন বলেছেন, তা সে বিশ্বাস করুক আর নাই করুক। আর যে বিশ্বাস করলো বা তার মনে ক্ষীণ পরিমাণও সন্দেহ উদ্রেক হল যে ‘হতেও তো পারে’, সে সরাসরি শিরকে পতিত হবে। কারণ আল্লাহ বলেছেনঃ ‘তাঁর (আল্লাহর) কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। কোন পাতা ঝরে না; কিন্তু তিনি তা জানেন। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; কিন্তু তা সব প্রকাশ্য গ্রন্থে রয়েছে।’ [আল কোরআন ৬:৫৯] এবং ‘বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে।’ [আল কোরআন ২৭:৬৫] যেখানে আল্লাহ বলেছেন সকল গায়েব ও অজানার সন্ধান শুধু উনার কাছেই, সেখানে জ্যোতিষীর কাছে ভবিষ্যতের সন্ধান আছে ভাবলে তাকে কি আল্লাহর শরীক করে ফেলা হয় না? নাউজুবিল্লাহ।

3971 views

মহানবী (সঃ) এর জন্মের পূর্বে পৃথীবিতে যেসব আসমানি কিতাব নাজিল হয়েছিলো তাতে নবী কারীম (সঃ) এর আবির্ভাবের লক্ষন বর্নিত ছিলো।তাই তার জন্মের পরে ঈসা (আঃ) এর অনুশারী ধর্মযাজকগন কিতাবে বর্নিত রাসূলের আবির্ভাবের লক্ষনের প্রতিফলন দেখে বুঝেছিলো,কিতাবে বর্নীত রাসূলের আবির্ভাব হয়েছে।

3971 views

Related Questions