3 Answers

দাঁতের এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে দরকার প্রতিদিন দুবেলা ভালো টুথব্রাশ ও পেস্ট দিয়ে ব্রাস করা। রাতে খাবারের পর এবং সকালে নাস্তা করার আগে অবশ্যই ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। যাদের দাঁতে বেশি সমস্যা তাদের দিনে তিন বেলা ব্রাশ করা উচিত। ব্রাশ করার সময় অবশ্যই নিয়ম মানা জরুরি। ভালো মানের ব্রাশ দিয়ে উপরে নিচে দাঁত পরিস্কার করতে হবে। এক্ষেত্রে ফ্লেক্সিবল ব্রাশ ব্যবহার খুবই জরুরি কারণ এ ধরনের ব্রাশ মুখের কোনায় কোনায় থাকা ময়লা বের করে আনতে পারে। দাঁত পরিস্কারের জন্য ফ্লস, মাউথ ওয়াস ও পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করা উচিত। এক্ষেত্রে সহজ উপায় হচ্ছে পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করা। এতে যেমন দাঁত পরিস্কার হয় তেমনি মুখও থাকে ফ্রেস ও দুর্গন্ধমুক্ত। প্রকট সমস্যা হলে ডেন্টিসদের পরামর্শ নিন।

3265 views

নিয়মিত সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত পরিষ্কার না করাই এ রোগের প্রধান কারণ। কেননা, অপরিচ্ছন্নতার কারণে দাঁতে জীবাণুর প্রলেপ পড়ে। আস্তে আস্তে এই জীবাণুর প্রলেপ খাদ্যকণা ও লালার সঙ্গে মিশে ক্যালকুলাস বা পাথরে পরিণত হয়।অাঁকাবাঁকা ও উঁচুনিচু দাঁতের জন্যও অতি সহজে ময়লা জমে এই ধরনের অসুবিধা হতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় ব্রাশ বা মেসওয়াক করে এই জীবাণুর প্রলেপ দূর না করলে আস্তে আস্তে মাড়ির প্রদাহ শুরু হতে থাকে। মাড়ি ফুলে লাল হয়ে যায়, সামান্য আঘাতেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে।এই অবস্থায় তেমন ব্যথা না হলেও দৈনন্দিন জীবনে খাওয়াদাওয়া, কথা বলা বা দাঁত ব্রাশ করা, এমনকি কলাজাতীয় নরম খাবার খাওয়ার সময়ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়।রক্ত পড়াই এ রোগের প্রধান লক্ষণ। স্কেলিং বা দাঁতের পাথর পরিষ্কার শুরুহওয়ার পরপরই রক্ত পড়া ও প্রদাহ কমে যায়। তবে দেহগত কোনো রোগের কারণে রক্ত পড়লে সে ক্ষেত্রে ওই রোগের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও একই সঙ্গে করাতে হয়।মাড়ি জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হলে ‘স্কেলিং’ করার পরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয়। অবশ্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না।ভিটামিন ‘সি’র অভাবে রক্ত পড়লে সে ক্ষেত্রে ‘স্কেলিং’ করার পর ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রতিদিন দুইবার করে দাত ব্রাশ করুন ।। খাবার পর পানি মুখে নিয়ে কুলি করুন এতে দাতে আটকে থাকা খাবার বের হয়ে আসবে।।

3265 views

প্রতিরোধ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। এই উক্তিটি জিনজিভাইটিস বা মাড়ি ফোলা রোগে সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। কারণ ঠিকমতো দাঁত ও মুখের যত্ন নিলে এই রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এর জন্য প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করা, ফ্লস বা সুতা দিয়ে দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা ময়লা পরিষ্কার করা এবং মেসওয়াক বা গাছের ডাল দিয়ে দাঁত মাজা। ব্রাশের নিয়ম (ক) উপরের দাঁত নিচের দিকে এবং নিচের দাঁত উপরের দিকে ব্রাশ করা, উপরের এবং নিচের সব দাঁত বাইরের দিকে ব্রাশ করা। (খ) উপরের এবং নিচের মাড়ির দাঁতের ভেতরকার অংশ পেছনের দিক দিয়ে ব্রাশ করা। (গ) সামনে-উপরের এবং নিচের দাঁতের ভেতরকার অংশ উল্টোদিক দিয়ে ব্রাশ করা। (ঘ) উপরের ও নিচের মাড়ির দাঁত এবং এর সঙ্গে যুক্ত সামনের দাঁতের যে অংশ দিয়ে আমরা কামড় দেই সে অংশটুকু ভালোভাবে ব্রাশ করা। (ঙ) সঠিক সময়ে ব্রাশ করা উচিৎ। সঠিক পরিচর্যায় যেমন দাঁতের সৌন্দর্য বজায় থাকে, তেমনি দাঁতের স্বাস্থ্যও ভালো হয়। প্রতিদিন দুবার দাঁত ব্রাশ করা উচিত। রাতে খাওয়ার পর শোবার আগে একবার এবং সকালে নাশতা খাওয়ার পরে একবার। এই দুবার দাঁত ব্রাশ করা অত্যাবশ্যক। প্রত্যেকবার দাঁত ব্রাশ করার সময় হাতের আঙুল দিয়ে মাড়ি ম্যাসাজ করতে ভুলবেন না। মাড়ি ম্যাসাজ করলে আঙুলের চাপে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। বেশিরভাগ মানুষই সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করেন। এটা একেবারেই করবেন না। রাতে শোবার আগে যখন দাঁত ব্রাশ করা হয় তখনই মুখ পরিষ্কার হয়ে যায়। আসলে দাঁত ব্রাশ করার কারণ হল, আমরা প্রত্যহ যা খাই তার থেকে অল্প অল্প খাদ্যকণা দাঁতের গায়ে ও ফাঁকে লেগে থাকে; এই খাদ্যকণাকে পরিষ্কার করার জন্য ব্রাশ করা হয়। ভালো ব্রাশ ও পেস্ট নির্বাচন নরম টুথব্রাশ দিয়ে ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট বা জেল দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। একই পেস্ট নিয়মিত ব্যবহার করা উচিত নয়। ব্রাশ করার পর তা ভালোভাবে ঢেকে রাখতে হবে যেন ধুলাবালি পোকামাকড় ব্রাশে না লাগে। দাঁতে শিরশিরজনিত সমস্যা থাকলে মেডিকেটেড টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়। মেসওয়াক বা দাঁতন গবেষণায় দেখা গেছে যে ব্রাশের মতোই মেসওয়াক বা গাছের ডাল দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়। অনেকেই নিমগাছের ডাল দিয়ে দাঁত মাজেন। ভুলভাবে ব্রাশ ব্যবহারে দাঁত ক্ষয়ের সম্ভাবনা থাকে। মেসওয়াক ব্যবহারে সে ভয় একেবারেই নেই। দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে হলে দিনে অন্তত পাঁচবার মেসওয়াক ব্যবহার করতে হবে। তাই একটু যত্ন নিলেই দাঁত দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যা আর থাকবে না।

3265 views

Related Questions