এলারজি জনিত সমসআ?
4 Answers
গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ হতে থাকে ফলে তখনকার এত বেশি পরিমাণ নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থির নালীকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে, যা পানিভর্তি ছোট ছোট দানার আকারে ফুলে উঠতে দেখা যায় এবং যা চুলকায় এবং তাতে সামান্য জ্বালাপোড়া ভাবও থাকে। রক্ষা পেতে যা করবেন: ১� প্রচুর পরিমাণে পানি, টাটকা শাকসবজি, মৌসুমি ফল খান। ২� ত্বকের যেকোনো সমস্যায় নখ দিয়ে চুলকাবেন না। পাতলা কাপড় বা তুলা দিয়ে চুলকাতে পারেন। ৩� ত্বক ও প্রায় প্রতিটি অঙ্গের জন্য তিতা খাবার (করলা, চিরতার রস) খুব উপকারী। ৪� রোদে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ছাতা ও সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করবেন। ৫� নিয়মিত গোসল ও ঘুম জরুরি। ৬� দিনের বেলা বের না হয়ে সম্ভব হলে প্রয়োজনীয় কাজগুলো রাতে বা সন্ধ্যায় সেরে ফেলুন। ৭� বাইরে থেকে এসেই স্বাভাবিক পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তারপর ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে বারবার স্বাভাবিক পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের ধুলাবালি, তেল, রোগজীবাণু পরিষ্কার হয়ে যায়। ৮..আরামদায়ক, ঢিলেঢালা, সাদা বা অন্য হালকা রঙের পোশাক পরুন।
সাধারনত কিছু কিছু খাবার খেলে এলার্জিজনিত সমস্যা বেশি হয় যেমন==>চাল কুমড়া, বেগুন, গরুর মাংস, হাঁসের মাংস ও ডিম ইত্যাদি তাই যেসব খাবার খেলে এলার্জি জনিত সমস্যা বেশি হয় সেসব খাবার পরিত্যাগ করুন। সবসময় পরিষ্কার থাকুন। গরমের সময় সুঁতি পাতলা পোশাক পরিধান করুন । আর নিচে একটি ট্যাবলেটের নাম দিলাম সেবন করে দেখতে পারেন এলোপ্যথিক ট্যাবলেট =অ্যালসেট বি:দ্র= চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অবশ্যই সেবন করবেন।
গরমের সময় অনেকেরই এই সমস্যা দেখা দেয় তারজন্য করনীয় হচ্ছে : ১। সবসময় শরীর কে পরিষ্কার রাখা নিয়মিত গোসল করে, ২। গরমের সময় সুঁতি পাতলা পোশাক পরিধান করুন, ৩। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন, ৪। এলার্জি জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে ভিটামিন যুক্ত শাকসবজি ফলমূল খান ৫। সবসময় ঠান্ডা জায়গায় অবস্থান করুন এবং রোদ থেকে দূরে থাকুন, ৬। শরীরে গরম অনুভব হওয়ার সাথে সাথে ঠান্ডা লেবুর রস বা গ্লুকোজ খান, এতে শরীর ঠান্ডা থাকবে। ৭। রোদে বের হওয়ার আগে ছাতা বা সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন, ৮। শরীরের চুলকানি, এলার্জি দূর করার জন্য প্রতি রাতে ১টা করে alatrol ট্যাবলেট খেতে পারেন
ঔষধ প্রস্তুতির উপকরনঃ (১) এক কেজি নিম পাতা (২) এক প্যাকেট বা অল্প পরিমান খোলা ইসব গুলের ভুষি ঔষধ প্রস্তুত প্রনালীঃ (১) এক কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। (২) এবার নিমপাতা গুলোকে পাটায় পিষে একদম পাউডারের মতো মিহি করে ফেলুন। (৩) এক চা চামচের তিন ভাগের একভাগ নিম পাতার গুড়া এবং এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। (৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন। সেবন প্রক্রিয়াঃ (১) প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খাবেন। (২) এভাবে টানা ২১ দিন খেতে হবে। কার্যকারিতাঃ ইনশা আল্লাহ এক মাসের মধ্যে ফল পেতে শুরু করবেন। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ হারবাল ঔষুধে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। খাবার দাবারঃ আগে যেগুলো এলার্জি বা চুলকানি হলে খেতে পারতেন না, ইনশাআল্লাহ এখন সব খেতে পারবেন।