3 Answers
শরীরের সাথে সামঞ্জস্যতা আনতে চাইলে স্বাভাবিক রোদে চলাফেরা করলেই যথেষ্ট,আর মুখে কোন ক্রীম ব্যবহার করলে তা বন্ধ রাখুন। সাধারণত এই ধরনের প্রবলেম হয় না। আর যদি মুখের সাথে শরীরের সামঞ্জস্যতা চান তবে, নিয়মিত ভালোভাবে গোসল করুন, দুধ খান,পন্ডস অথবা ভ্যাসলিন এর হোয়াইটনিং ট্রিটমেন্ট এর বডি লোশন ব্যবহার করু,রোদে একটু কম যান।
আপনার দরকার শরিরের যত্ন করা। যেহেতু শরির মুখের তুলনায় কাল তাহলে আপনি ভেসলিন লোশন ব্যবহার করতে পারেন আর খালি গায়ে থাকবেন না। সব সময় কিছু না কিছু গায়ে দিয়ে থাকবেন। তাহলেই ভাল হয়ে যাবে।
দুধ ও কাঁচা হলুদ : রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা। দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রঙ ধারণ করলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন। কাঁচা হলুদ : শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ ফর্সা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর। উপকরণ : দুধ ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, এবং কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ। কীভাবে ব্যবহার করবেন? দুধ, লেবুর রস ও হলুদ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানিতে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের রং হয়ে উঠবে ফর্সা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর। আপনার মুখ তো আগে থেকেই ফর্সা আছে, এগুলি করলে আপনার শরীরের রং -ও ফর্সা হয়ে উঠবে।