6 Answers
প্রথমে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ব। তারপর মায়ের কাছে যাব। নিজের ভালো লাগা শেয়ার করব মায়ের ও পরিবারের বাকীদের সাথে। সবাই মিলে দিনটি সেলিব্রেট করব।
মহান আল্লাহ তা’আলার নিকট শোকরিয়া আদায়, পরিবারের প্রিয় মুখগুলির সাথে সুখকর সেই মূহুর্ত উপভোগ আর কর্মজীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তা করব। তবে অবিবাহিত হলে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজ করাটাও আড়ালে-আবডালে শুরু হয়ে যাবে। :D
প্রথমেই মহান আল্লাহ তা’আলার নিকট শোকরিয়া আদায় করব,তাঁরপর আমার ফ্যামিলির সবার সাথেই আনন্দ উপভোগ করব,আমার আত্তিয়জন যারা আছে তাদের সবাইকে বলব,খুশিতে আশে পাশের প্রতিবেশীদের মিস্টি খাওয়াব,সর্বশেষে আমার প্রান প্রিয় বন্ধু বান্ধবদের সাথে অবশিস্ট সময়টা উপভগ করব ,আর এটাই হবে আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত,এই দিনটার কথা আমি কখনেই ভুলব না,এই দিনটাই আমার সারা জিবনের অন্নতম সবচেয়ে সেরা দিন হয়ে আমার মনের ভিতর মিশে থাকবে,
প্রথমেই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবো। তারপর ঐই দিনটিতে একটি ছক আঁকবো, ঐই চাকরীটিতে জয়েন করে কিভাবে কাজ করবো, কার সহযোগীতা নেব, কি করে সবার মধ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করবো।
প্রথমত আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করবো যাতে আমি আমার চাকরিটা ন্যায়ের পথে করতে পারি।শয়তানের প্রলোচনায় না পরে সত্যের পথে চাকরিটার সব দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে পারি।দ্বিতীয়ত তাদের জন্য কিছু উপহার নিয়ে যাবো যদের জন্য আজ আমার এত বড় সাফল্য মানে আমার মা-বাবা।তাদের ইচ্ছাকে পূরন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
সব মানুষই স্বপ্ন দেখে একটা আশা করে আর সেই আসা যখন পুরন হয় তখন খুশির আর আনন্দের শেষ থাকে না,, সেরা দিন টি যখন আসবে তখন আল্লাহর কাছে বিশেষ শুকরিয়া আদায় করবো, আল্লাহর সাহায্য প্রাথনা করবো, যেনো সেই ধারবাহিকতায় সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারি। মা, বাবা সন্তানের পাশে সবসময় থাকে আর তখন সেই মূহুত মা, বাবার সাথে শেয়ার করবো উনাদের দোয়া নিবো,