চুল পাকা সমস্যা সমাধান চাই?
5 Answers
১ কাপ নারকেল তেল, ১ টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া, ২ টেবিল আমলকী গুঁড়া একসাথে মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিন। তেল বাদামি রঙ ধারণ করলে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ছেঁকে নিন। এই তেল.সপ্তাহে ২ দিন চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ২ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল ও দাড়ি পাকার সমস্যা দূর হবে দ্রুত। এছাড়া চুলের ধরন অনুযায়ী নিয়মিত ভালো ব্যান্ডের শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের ক্রিম, জেল, স্প্রে, সিরাম, কালার ইত্যাদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ সবই বিভিন্ন ক্ষতিকর কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে, যেগুলো চুলের জন্য কোনোভাবেই ভালো নয়। নিয়মিত ফলমূল, রঙিন শাকসবজি, পুষ্টিকর খাবার খান ও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। চুল সাদা হওয়া প্রতিরোধ তো করবেই, সেই সাথে চুল হবে সুন্দর ও ঝলমলে। আমলকী খেলে চুলের স্বাস্থ্য তো ভালো থাকেই সঙ্গে চুল পাকা রোধ করতেও তা সাহায্য করে। আমলকী থেঁতলে নিয়ে হালকা করে বেটে নিন, একটু পানি মিশিয়ে মণ্ড তৈরি করুন। আমলকীর মণ্ড চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে মাখুন। ১৫-২০ মিনিট রেখে দিয়ে বেশি করে পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে দু- একদিন আমলকীর মণ্ড মাখলে চুল পাকা রোধ করতে উপকার পাবেন সংগৃহীত :
প্রথম যখন দেখবেন চুল পাকতে শুরু করেছে তখন হেনা, ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মাথায় লাগান। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। হেনা ব্যবহারের ফলে চুল পাকা রোধ হবে এবং চুলের সাদা ভাবটা কম বোঝা যাবে।যারা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাদের চুল দ্রুত পাকার প্রবণতা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে রোদে কাজ করলে মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে ক্রিম সমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু করুন।অনেকে চুলে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। যেমন: জেল, ক্রিম, কালার ইত্যাদি। এসব ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। সব সময় ভালো ব্র্যান্ড ব্যবহার করা উচিত।
চুল পাকা বন্ধ করতে সপ্তাহে একবার/দুবার মেহেদীর পর অয়েল ম্যাসেজ করতে পারেন । অয়েল মেসেজ যা লাগবেঃ ভিটামিন ই-ক্যাব একটি, কাস্টার্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, মেথি গুড়া । নিয়মাবলীঃ সব একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে মাথায় ভালো করে মেসেজ করতে হবে ।
* সমস্যা দেখা দেওয়ার শুরুতেই যদি পরিচর্যা করেন, তাহলে অনেকাংশে চুল পাকা রোধ সম্ভব। * সপ্তাহে দু-তিন দিন তেল গরম করে মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। তেল চুলের পুষ্টি জোগায়। * চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন। শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। * চুলে খুশকি দেখা দিলে শুরুতেই সাবধান হন। কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পাকে। সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক দিন লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস মাথার ত্বকে দিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে খুশকি কমে যাবে। * প্রথম যখন দেখবেন চুল পাকতে শুরু করেছে তখন মেহেদি, ডিমের কুসুম ও টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মাথায় লাগান। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। মেহেদি ব্যবহারের ফলে চুল পাকা রোধ হবে এবং চুলের সাদা ভাবটা কম বোঝা যাবে। * যাঁরা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ যাঁদের চুলে সরাসরি রোদ লাগে, তাঁদের চুল পাকার প্রবণতা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে রোদে কাজ করলে মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে ক্রিম-সমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু করুন। * পাকা চুলের যত্নে লাল জবাফুলের নির্যাস চুলের গোড়ায় লাগাতে পারেন। এতে করে সাদা চুলগুলো প্রাকৃতিক রঙে কালো দেখাবে। আবার ইচ্ছা করলে ব্যবহার করতে পারেন তেলাকোচা পাতাও। এতেও কালো হয় চুল।
কম বয়সে চুল পাকার কারন: জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং হরমোন মেলানিনের উপর নির্ভর করে কার চুল কি কালার হবে। এই মেলোনিনের যখন অভাব দেখা দেয় তখন চুল পাকতে শুরু করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে ফলে বুড়ো বয়সে চুল পাকে। কম বয়সে চুল পেকে যাওয়ার একটা অন্যতম কারণ হতে পারে আমাদের শরীরে জিন বা বংশগতির প্রভাব। আবার ভেজাল খাবার, পরিবেশ দূষণ, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান এবং জীবনযাপনের নানা সমস্যার কারণেও কম বয়সে চুল পাকতে পারে। পাকা চুল ঢাকুন ঘরে বসেই: চুল পাকা ঠেকাতে বাজারে কলপসহ নানা ধরনের প্রসাধনীর পাওয়া যায়। কিন্তু এসব ব্যবহারের ফলে দীর্ঘমেয়াদে চুলের ক্ষতি হতে পারে। তাই চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগান দিতে পারে এমন খাবারদাবার খাওয়ার অভ্যাস করা এবং যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে পাকা চুল ঢাকার চেষ্টা করাই ভালো। ঘরে বসে নিজেই নিজের পাকা চুলের সমস্যা দূর করার এমন কিছু সহজ এবং কার্যকারী উপায় তুলে ধরা হলো। কারি পাতা আর নারকেল তেল: প্রতিদিন খাবারের তালিকায় কারি পাতা যোগ করুন। কারি পাতায় যে পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা আপনার হারিয়ে যাওয়া চুলের রং ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। নারকেল তেলের সাথে কারি পাতা মিশিয়ে মাথার চুুলে লাগান। নারকেল তেলে কিছু টাটকা কারি পাত ছিড়ে ছোট ছোট করে দিয়ে ৭-৮মিনিট গরম করুন। তারপর তেলটা ঠান্ডা হতে দিন। তেল ঠান্ডা হয়ে গেলে তা মাথার চুলের গোড়ায় ভালকরে ঘষে ঘষে লাগান। আধ ঘন্টা পর মাথা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন অথবা আপনি চাইলে রাতেও দিয়ে ঘুমাতে পারেন আর সকালে উঠে মাথা ধুয়ে ফেলুন। বাদামের তেল ও লেবুুর রস: বাদামের তেলের সঙ্গে আমরা কমবেশী সবাই পরিচিত। তো বাদামের তেলের সঙ্গে অল্প একটু লেবুর রস মেশান । আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে, মাথার চুুলের গোড়ায় ভালভাবে ঘষে ঘষে তেল মাখুন। মাঝে মধ্যে এই বাদামের তেল ও লেবুর রস এক সঙ্গে চুলে মাখলে চুল পেকে যাওয়া অনেকটা কমে যাবে। আমলকী: পাকা চুলের সমস্যা সমাধানে আমলকীর ভূমিকা অনেক। ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ আমলকী তারুণ্য ধরে রাখতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন আমলকী খেলে চুলের স্বাস্থ্য তো ভালো থাকবেই সঙ্গে চুল পাকা রোধ করতেও তা সাহায্য করবে। আমলকী থেঁতলে হালকা করে বেটে নিন, অল্প পানি মিশিয়ে মণ্ড তৈরি করুন। আমলকীর মণ্ড চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে দিয়ে বেশি করে পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ১-২দিন আমলকীর মণ্ড মাখলে চুল পাকা রোধ করতে উপকার পাবেন। চা-পাতা: হাতের কাছে চুল পাকার দাওয়াই হিসেবে চা-পাতা খুবই কার্যকরী ঔষধ। অল্প কিছু চা-পাতা নিয়ে সামান্য কিছু পানিতে ঘন করে সেদ্ধ করুন। পানি ঠান্ডা হয়ে গেলে মিশ্রনটি ভালভাবে চুলে মাখুন। চুলসহ মাথার তালুতে এই চায়ের পানি মেখে ঘণ্টা খানেকের জন্য রেখে দিন। শ্যাম্পু ছাড়া কেবল ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। মেহেদি পাতার রস: মাথার পাকা চুলগুলো মেহেদি পাতার দিয়ে একটু রাঙিয়ে নিতে পারেন। কালো চুলের পাশাপাশি মেহেদিরঙা কিছু চুল অনেককেই খুব ভালো মানিয়ে যায়। মেহেদি পাতার গুড়া বা প্যাকেটজাত মেহেদি পাউডারের সাথে একটু কফির গুঁড়ো মিশিয়ে তাতে অল্প কিছু পানি দিয়ে মণ্ড তৈরি করুন। এই মণ্ডে অল্প টকদই ও লেবুর রসও মেশাতে পারেন তাতে আরও ভালো ফল পাবেন। মেহেদির গুঁড়ো, কফি, দই ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে পেষ্ট করে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর এই মণ্ড চুলের গোড়া থেকে ভালো করে চুলে মাখুন এবং ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন এবং প্রথমে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। পরে চুলে শ্যাম্পু করে নিন। এসবের পাশাপাশি নিয়মিতভাবে চুলে হালকা গরম সরিষা বা নারকেল তেল মাখুন। তেল মাখার সময় মাথার তালুটা মালিশ করার মতো করে ঘষে ঘষে মাখবেন। অকালে চুল পেকে যাওয়া ঠেকাতে এটা উপকারী। এ ছাড়া খাবারদাবারে যত্নবান হওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিনই প্রচুর পানি পান করা প্রয়োজন। শরীরে পানির চাহিদা মিটিয়ে ঠিকঠাক পানি খেলে শরীর থেকে টক্সিন দূর হয়। অকালে চুল পাকার জন্য পরিবেশগত দূষণের সঙ্গে শরীরে জমা হওয়া নানা দূষিত উপাদান দায়ী।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy