অকালে চুল পাকা রোধ করবেন কীভাবে?
চুল আঁচাড়ানোর সময় হঠাৎ একটা পাকা চুল চোখে পড়ল। ব্যস, অমনি কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে গেল। তাহলে কি বয়স হয়ে গেল?
1 Answers
অকালে চুল পাকা রোধে করণীয় কিছু চুলের পরিচর্যা সম্পর্কে জেনে নিন।
আমলকী:
প্রতিদিন রাতে আমলকীর রস, বাদামের তেল আর কয়েক ফোটা লেবুর রস এক সাথে মিশিয়ে চুলে মাস্যাজ করুন, অকালে চুল পাকা থেকে রেহাই পাবেন।
কারি:
এতোদিন সবাই জানেন কারিপাতা রান্না করে ক্ষেতে হয়। কিন্তু কারি গাছের কারিপাতা ও শিকর সবকিছুতে রয়েছে অনেক পুষ্টি উপাদান যা চুলের জীবনী শক্তি বাড়িয়ে দেয়। কারি পাতা অথবা তাঁর শিকর ছেঁচে রস করে চুলে লাগান। চুল পরা ও চুলের অকালপক্কতা রোধ হবে। কারি পাতা নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন তারপর ঠাণ্ডা করে চুলে লাগান।
গরু দুধ মাখন:
গরুর দুধের তৈরি টকদই ও তাঁর মাখন চুলের অকাল পক্কতা দূর করতে সাহায্য করে। চুল সাদা হওয়ার শুরুতে মেহেদী, ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগালে চুল সাদা হওয়া কমে যাবে। হেনা ব্যবহারে শুধু চুল সাদা হওয়া থেকে রক্ষা করবে না সেই সঙ্গে সাদা চুলে কালো রঙে ফিরে আসবে।
হরতকি:
হরতকি ও মেহেদী পাতার সঙ্গে নারিকেল তেল দিয়ে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে চুলে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলতে হবে।
নারিকেল তেল:
নারিকেল তেল গরম করে মাথার তালুতে ভালো করে ম্যাসেজ করলে চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টির সঙ্গে সঙ্গে চুল সাদা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
ধুমপান পরিহার করে নিয়মিত পানি, ফলমূল, রঙিন শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবার খেলে চুল সাদা হবে না বরং চুল হবে সুন্দর ও ঝরঝরে। চুলের ধরণ অনুযায়ী নিয়মিত ভালো ব্রান্ডের শ্যাশ্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের ক্রিম, জেল, কালার, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।-সূত্র: হোমেরিজোম।