8 Answers

অল্প বয়সে চুল পাকার জন্য অনেক কিছুই দায়ী। এসবের মধ্যে ঘুম কম হওয়া, নিম্ন মানের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, অত্যাধিক পরিমাণে চুলে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার, চুলের নিয়মিত যত্ন না নেয়া, তেলে ভাজাপোড়াসহ ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া, পুষ্টিকর খাবারের অভাব, ভিটামিন ও পুষ্টির অভাবে বংশগত হরমোনের কারণে, অতিরিক্ত চিন্তা, চুল অতিরিক্ত ড্রাই করা, পানি দূষিত হওয়া, চুলে খুব বেশি রোদ তাপ লাগা ইত্যাদির যে কোন কারণে চুল পেকে যায়। একজন চুল পড়া অ্যালার্জি চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

3072 views

মানব জীবনে চুলের গুরুত্ব অপরিসীম। সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষ চুলের পরিচর্যা করে আসছে। পরিপাটি ও সুন্দর চুলের জন্য মানুষের অবিরাম প্রচেষ্টা থাকে। অনেক সময় মানুষকে হতাশার সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে মাথার কালো চুলগুলো পাকতে শুরু করে। স্বাভাবিক নিয়মে একটি নির্দিষ্ট বয়সে মানুষের চুল পাকতে দেখা যায়; কিন্তু কখনও কখনও অল্প বয়সের কারো চুল পাকা দেখলে আমরা অবাক হই। যার চুল পাকে তার দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত ২৪ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মানুষের মধ্যে শতকরা প্রায় ২৫ জনের চুলে পাক ধরে। পরে বয়স বাড়ার সঙ্গে চুল পাকার সংখ্যা আরও বেড়ে ৫০% এ দাঁড়ায়।এটা রোগের কারনে হয়ে থাকে। রোগের কারণ : আমাদের ত্বকে মেলানোসাইট নামে এক ধরনের কোষ থাকে, যা মেলানিন উৎপাদন করে। যাদের কম মেলানিন উৎপাদন হয় তাদের গায়ের রঙ সাদা হয় এবং বেশি উৎপাদন হলে গায়ের রঙ কালো হয়। চুলের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। যদি কোনো কারণে চুলের গোড়ার মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে মেলানিনের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়- ফল স্বরূপ চুলের রঙ সাদা হয় যাকে আমরা চুল পাকা বলি। এটা যে কোনো বয়সেই ঘটতে পারে। চুল পাকলে করণীয় কি : মেয়ে মহলে প্রচলিত,মাথায় নিয়মিত তেল না মাখলে চুল পেকে যায়। কিন্তু ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। চুল পাকার সঙ্গে চুলে তেল দেওয়া- না দেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। সত্যিকার অর্থে পাকা চুল কালো করার স্থায়ী কোনো উপায় এখনো আবিস্কার হয়নি। একমাত্র কলপ ব্যবহার করে চুল সাময়িক কালো রঙ্গ করা যায়। তবে রোগের কারনে চুল সাদা হলে যথাযথ চিকিতসার মাধ্যমে সাদা চুল কাল অবস্থায় ফিরে আসতে দেখা গেছে। সাবধানঃ বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি চুল কালো করে দেওয়ার গ্যারান্টি দিয়ে তেল বা ওষুধের বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এইসব তেল বা ঔষধ চুলে মাখলে চুলে সাময়িক একটা কালো প্রলেপ পড়ে মাত্র কিন্তু কিছু দিন পর আবার চুলের রঙ্গ ফিকে হয়ে আসে। গবেষণায় দেখা গেছে এই ধরনের তেল বা ঔষধ ব্যবহারের দরুন মাথার ত্বকে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। তাই চুলে পাক ধরলে প্রথমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে চুল পাকার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা উচিত।

3072 views

চুল পাকার কারণ কি ? এবং এর প্রতিকার

Posted on May 19, 2014 in চুলের যত্ন, নারীর স্বাস্থ্য, পরামর্শ, পুরুষের স্বাস্থ্য, প্রশ্ন-উত্তর, ভেষজ, রোগ ব্যাধি, সমস্যা ও সমাধান, স্বাস্থ্য খবর

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাথার চুল পাকা একটি বিব্রতকর সমস্যা। যা অনেক সময় আমার মত অনেকেই আছেন হয়তো আয়নার সম্মখে যাওয়ায়ই হয় না প্রতিদিন . আর গেলে ও চুল গোঁফ এ সবের দিকে তাকানোর খেয়াল করি না । তার পর ও হঠাত যখন চুখে পরে কয়েক টা চুল সাদা হয়ে গেছে, বা মাসে মাসে বাড়তেছে, তখন লুকিয়ে ও না হয় আয়নার দিকে তাকাতে ইচ্ছা করে , কথাটি সত্য বললাম কি না জানি না – তখন নিজে নিজকে প্রশ্ন করলে বিশ্বাস ও হবে না , বয়স যে চলে যাইতেছে, অথচ আমরা সবাই মনের দিক দিয়ে এখন ও ভিশন আত্মবিশ্বাসী স্টিল ইয়ং !! বা কেউ কেউ ভিন্ন ওজুহাতে চুলের ভিন্ন ধরণের কালার ব্যাবহার করা শুরু করে দেন অথবা গৃহিণী কে দিয়ে সপ্তায় সপ্তায় পাকা চুল গুলো উঠিয়ে নেন ।

যদি ও প্রথম কয়েক মাস বেঁচে যাওয়া যায় এভাবে , তার পর চলে আশে দাড়ি গোঁফের চুল পাকা নিয়ে , তখন আগের চাইতে সপ্তায় একদিন বেশি সেইভ করা বাড়িয়ে নেন কেউ কেউ । এ জন্য সু খবর আসতেছে আগামি বছর ? সবাই যখন ধৈর্য ধরেছেন তা হলে আর মাত্র কয়েক টা মাস ধৈর্য ধরুন- এপ্রিল ১৫। ২০১৫ এর ভিতরে বাজারে ঔষধ চলে আসবে, এতে ২৭ টি টেবলেট থাকবে এবং ইহা সেবনের পর যাদের চুল সাদা তাদের চুল কাল হয়ে যাবে বা যাদের চুল অল্প অল্প করে কিছুটা সাদা হইতেছে , তাদের চুল আর কখন ও সাদা হবে না ।

ইউকে ব্রেডফোরড লুরেল গ্রোফের চেয়ারম্যান সাহেব ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে বলেছেন, সর্ব প্রথম তাদের কোম্পানি ই এই ঔষধ টি বাজারজাত করবে- যেহেতো বিজ্ঞানিরা আবিস্কার করেছেন গত বছর এখন শুধু আইনগত অনুমোদন এবং এই সব বিষয়ে অন্যান্য জটিলতা কাঠিয়ে উঠার বাকি , ঔষধ টি পুরুষ/ মহিলা উভয়ের জন্য সমান ভাবে কার্যকর— সত্যি ই যদি ঔষধ টি বাজারে আসে তা হলে আমাদের মত যাহারা আগামি যোগে চুল পাকার কারনে সামাজিক ভাবে বয়স্কের চাপ বেড়ে গেছে বলে মনে হবে না , তবে সেই সাথে যদি পরম করুনাময় আমাদের দৈহিক অবকাঠামো সুন্দর ও সুস্থ রাখেন, তা হলে খুব বেশি একটি মজার বিষয় তৈরি হবে , যারা চুল পাকা দেখে বয়স নির্ধারণ করেন তাদের জন্য –তখন, কার বয়স বেশি এবং কার বয়স কম বলা অস্মভ হয়ে যাবে ।
এখন জেনে নিন বৈজ্ঞানিক ভাবে চুল কেন সাদা হয় তার কারনঃ–

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুল কেন পাকে তার সঠিক কারণ নির্ণয় করেছেন অধ্যাপক কারিন শেলারয়টার ও তার সহযোগি গবেষকরা । বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলের গোড়ায় জমা হতে থাকে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড নামের একটি রাসায়নিক উপাদান। চুলের গোড়ায় জমা হওয়া এই হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড শেষ পর্যন্ত ব্লিচিং উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং চুলের আসল রং নষ্ট করে সাদা করে দেয় এবং এই সুত্র ধরেই মূলত আগামি বছর নতুন ঔষধ টি আসতেছে । যাকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বলতে পারেন ।

কিন্তু মানশিক দুশ্চিন্তার কারনে যে চুল সাদা হয় ইহা সরা সরি মানতে নারাজ , তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে চুলের স্টেম সেলগুলো অদৃশ্য হয়ে যায় বা শরীরে যে হরমোন নিঃসৃত করে সেটি চুলের রং ধরে রাখার কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বা ধ্বংস করে তখন আমাদের চুল পাকতে শুরু করে , কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম বয়সীদের ও এভাবে চুল হঠাত করে পাকতে দেখা যায় । এত দিন শুধু জানা ছিল, মাথার ত্বকে ফলিকল ও মেলানোসাইটস নামের কোষ চুলের রঙের জন্য দায়ী কিন্তু মেলানোসাইটসই মূলত চুলের রং উৎপাদনের কাজটি করে। তবে ঠিক কী কারণে বা কী প্রক্রিয়ায় চুল পেকে এর রং বদলে ধূসর বা সাদা হয়ে যায়, তা জানা ছিল না। গবেষণায় ‘ডবি্লউএনটি’ নামের একটি প্রোটিনের সন্ধান পেয়েছেন , যা মেলানোসাইটসকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে চুলের রঙের তারতম্য ঘটায়। গবেষক মিস মায়ুসি জানিয়েছেন, তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন, ডবি্লউএনটি প্রোটিনের ঘাটতি হলে চুল পেকে রং ধূসর ও সাদা হতে শুরু করে। গবেষকরা বলছেন, চুলের রং বদলে যাওয়ার প্রকৃত কারণটি এবার জানা সম্ভব হওয়ার ফলে এর কার্যকর সমাধানও পাওয়া গেছে এবং সেই সুত্র অনুসারেই মূলত বাজারে ঔষধ আসতেছে ।

সাধারণত ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মানুষের মধ্যে শতকরা প্রায় ২৫ জনের চুলে পাকা শুরু হয় এবং যদি এই পাকার পরিমান বেড়ে ৫০% এ দাঁড়ায় তাহলে মনে করতে হবে যে কোন রোগের কারনে হইতেছে । এর মধ্যে প্রধান যে কারন থাকতে পারে তা নিম্নে অতি সঙ্কেপে আলোচনা করলাম – যদি ও অনেক কারনেই চুলের স্বাভাবিক রঞ্জক কার্যক্রমের পরিবর্তন এনে দিতে পারে যা চুল পাকার হার বাড়িয়ে দেয় – যেমন—

বংশগত কারণেঃ–

অনেকের মধ্যে এ সমস্যাটি ঘটে। অল্প বয়সে যাদের চুল পাকে তাদের কারও কারও মধ্যে অটোইমিউন ডিজিজের কারণে মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। যার ফলে ডবি্লউএনটি প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয় ফলে চুল পাকে। তবে এর সাথে শরিরের হরমোন জনিত সমস্যাই বেশি –
ভিন্ন অসুখের কারনে ঃ- গবেষনায় চিকিৎসকদের অভিমত ঃ- যারা সোরিয়াসিস ও শ্বেতীরোগে ভোগেন তাদের চুল পাকবেই । কেন না শ্বেতীরোগ যে প্রক্রিয়ায় চর্ম কে সাদা করে ঠিক সেই প্রক্রিয়ায় চুল ও সাদা হয় । যার কারনে শ্বেতীরোগ ও চুল পাকার ঔষধ মূলত একি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত । এ ছাড়া চুল পাকার আর যে সব কারন থাকতে পারে, যেমন, খুব বেশি জ্বর, দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুখ এবং মানসিক দুশ্চিন্তা ভিন্ন ধরণের চর্মরোগ ,ম্যালেরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রভৃতি রোগ চুল পাকানোর দিকে ঠেলে দিতে পারে বা অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে­ – কঠিন ট্রমা, কয়েক প্রকারের রেডিয়েশনের শিকার হওয়া , হাইপার-থাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস, তবে যারা উচ্চরক্তচাপ কিংবা করোনারি হার্টডিজিজে ভুগছেন তাদের চুল পাকবে একটু বেশি ।

তরুন/ তরুণীদের বেলায়ঃ–

প্রাথমিক পর্যায়ে অসুখ জনিত কারনের মধ্যে বংশগত কারন ছাড়া ও চুল পাকার প্রধান একটি কারন , চুলের পুস্টি জনিত প্রোটিন ও ভিটামিনের অভাব কে দায়ি করা হয় এবং এসব অভাবের কারনে হলে তখন চুলের যে পরিবর্তন ধরা পড়ে তা হল চুল শুষ্ক, পাতলা, ভঙ্গুর ও বিবর্ণ হয়ে যাওয়া । এর মধ্যে চুল ধূসর হওয়ার লক্ষন মূলত রক্তহীনতায় ভোগা বা ভিটামিন বি-১২ বলে ধারনা করা হয় । আবহাওয়া ও জলবায়ুগত কারণে ও চুল একটু বেশি পাকে তবে ইহা নির্ভর করে অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে বাথ করা বা অতিরিক্ত উষ্ণ স্ট্রিম ব্যাবহার করার উপর –
শিশুদের বেলায়ঃ- শিশুদের ক্ষেত্রে ম্যারাসমাস ও কোয়াশিওরকর নামক দু’টি রোগে চুল পাকা দেখা দেয়–একটা কথা স্মরনযোগ্য, অল্প বয়সে কিংবা বেশি বয়সে চুল পাকার ব্যাপারটি কিন্তু হঠাৎ করে ঘটে না। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, প্রথমে কয়েকটি চুল পাকতে শুরু করে, পরে ধীরে ধীরে অন্যান্য চুলগুলোতে পাক ধরে।

কিছু ড্রাগসঃ– .

কিছু ঔষধ আপনার চুলএর রঙ কে সাদা করতে পারে । যআর বেশির ভাগি ক্যান্সার জাতীয় ড্রাগস ।
হাইড্রোজেন পার অক্সাইডঃ- এ ধরণের রাসায়নিক পদার্থ চুলের গোঁড়ায় তৈরি হয়ে জমে থাকলে চুলের রঙ পরিবর্তন , সাদা হবেই । ধূমপান অবশ্যই চুল পাকাকে প্রভাবিত করে তবে অতিরিক্ত স্পাইসি ফুডের কারনে চুল পাকে তা এখন ও প্রমানিত হয়নাই বা টক জাতীয় খাবারের ফলে চুল ফাকে এমন ধরণের বাস্থব বৈজ্ঞানিক প্রমান এখন ও মিলেনি । চুল পড়ে যাওয়া এবং পেকে যাওয়া দু ধরণের অসুখ সে জন্য অনেকের চুল পড়ে গেলে যে চুল সাদা হয়ে যাবে ইহা ও সত্য নয় –
কীভাবে হিসাব করবেন আপনার চুল তাড়াতাড়ি পেকে যাইতেছে ঃ- কিভাবে খুভ তাড়া তাড়ি চুল পেকে যায় তা বুঝতে হলে চুল বাড়ার স্বাভাবিক পদ্ধতি বুঝতে হবে। অর্থাৎ চুল পাকার ধরন বা চক্র ঃ- প্রথমত এনাজেনকাল অর্থাৎ চুল জন্মানোর সময় মাসে আধা ইঞ্চি হারে চুল বাড়তে থাকা যা স্বাভাবিক এবং এভাবে বাড়ার পর দ্বিতীয় স্থরে কয়েক সপ্তাহের জন্য চুল বৃদ্ধি পাওায়া একটু বিরতি নেয় । এরপর পর তৃতীয় ও শেষ ধাপ হলো টেলোজেন কাল। অর্থাৎ চুল তখন পেপিলার থেকে আলাদা হয়ে যায় । পরে যখন চক্র অনুসারে এনাজেলকাল শুরু হয়ে নতুন গজানো চুল পুরনো চুলগুলোকে সরিয়ে নতুন চুল সমূহ নির্দিষ্ট জায়গায় গজাতে থাকে , এই হচ্ছে প্রাকৃতিক নিয়ম –

3072 views

আমাদের ত্বকে মেলানোসাইট নামে এক ধরনের কোষ থাকে, যা মেলানিন উৎপাদন করে। যাদের কম মেলানিন উৎপাদন হয় তাদের গায়ের রঙ সাদা হয় এবং বেশি উৎপাদন হলে গায়ের রঙ কালো হয়। চুলের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। যদি কোনো কারণে চুলের গোড়ার মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে মেলানিনের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়- ফল স্বরূপ চুলের রঙ সাদা হয় যাকে আমরা চুল পাকা বলি। এটা যে কোনো বয়সেই ঘটতে পারে। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, মেলানোসাইট কোষ কেন নিষ্ক্রিয় হয়? গবেষণায় দেখা গেছে, বংশগত কারণে অনেকের মধ্যে এ সমস্যাটি ঘটে। অল্প বয়সে যাদের চুল পাকে তাদের কারও কারও মধ্যে অটোইমিউন ডিজিজের কারণে মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে চুলে মেলানিন না পৌছানোর কারণে চুল পাকে। এই অটোইমিউন ডিজিজে ত্বকে মেলানোসাইটের বিরুদ্ধে অ্যান্টি মেলানোসাইট অ্যান্টিবডি তৈরি হয় , যা মেলানোসাইট কোষকে ধ্বংস করে দেয়। গবেষনায় দেখে দেছে, খুব বেশি জ্বর, দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুখ এবং মানসিক দুশ্চিন্তায় অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ কারন হতে পারে। একটা কথা স্মরনযোগ্য, অল্প বয়সে কিংবা বেশি বয়সে চুল পাকার ব্যাপারটি কিন্তু হঠাৎ করে ঘটে না। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, প্রথমে কয়েকটি চুল পাকতে শুরু করে, পরে ধীরে ধীরে অন্যান্য চুলগুলোতে পাক ধরে। চুলের পুষ্টিঃ চুলের পুষ্টি বলতে কি বুঝানো হয়? হ্যাঁ চুলেরও পুষ্টি আছে। চুলের প্রধান পুষ্টি প্রোটিন ও ভিটামিন। যার অভাবে চুল পাকতে পারে। শরীরে যখনই প্রোটিন কিংবা ভিটামিনের তীব্র অভাব ঘটে তখনই চুলের রঙের পরিবর্তন চোখে পড়ে। প্রোটিনের অভাবে চুল শুষ্ক, পাতলা, ভঙ্গুর ও বিবর্ণ হয়।

3072 views

কম বয়সে চুল পাকার কারনঃ

1.ধুমপান

2. মানসিক চাপ

3.ত্রুটিযুক্ত খাদ্য

4.পুষ্টির অভাব

5. ইলেক্টিক ড্রায়ার এবং চুলে অতিরিক্ত কেমিকেল ব্যাবহার

6.ঘুম কম হওয়া

7.জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা

কম বয়সে চুল পাকার কারণ:
১। ধূমপান
২। মানসিক চাপ
৩। ত্রুটিযুক্ত খাদ্য
৪। পুষ্টির অভাব
৫। ইলেক্ট্রিক ড্রাইয়ার এবং চুলে অতিরিক্ত ক্যামিকেল ব্যবহার
৬। ঘুম কম হওয়া
৭। জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা - See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/49869/index.html#sthash.w3icVtOW.dpuf
3072 views

মানুষের সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ চুল। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষের চুলের রং সাধারণত কালো। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলের এই রং পরিবর্তিত হয়ে ধূসর বর্ণ ধারণ করে। একসময় তা সাদা হয়ে যায়। চুল সাদা হয়ে যাওয়াকে প্রচলিত ভাষায় ‘চুল পেকে যাওয়া’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়। বয়স বাড়লে চুল সাদা হবে, এটা স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের চুল তরুণ কিংবা যুবক বয়সেই ‘পেকে’ যায়। চুলের এই দ্রুত ‘পাক’ ধরার কারণ স্বাস্থ্যগত। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সাধারণত স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া, ঘুম কম হওয়া, চুলের যত্ন না করা, কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা এসব কারণে চুলে পাক ধরে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও নানাবিধ অশান্তির কারণে মানুষের চুল পেকে যেতে পারে। শরীরের অতিরিক্ত অ্যাড্রেনালিন হরমোন এ জন্য দায়ী। অ্যাড্রেনালিন হচ্ছে বৃক্কীয় গ্রন্থি-নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন। সাধারণত মানুষ ভীত বা রাগান্বিত হলে অ্যাড্রেনালিন হরমোন মানুষকে শান্ত ও স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। তবে অত্যধিক মানসিক চাপ বা অশান্তির সময় এ হরমোনের কারণে মানুষের চুলের রং পরিবর্তিত হয়ে যায়। শুরুতেই পরিচর্যা করলে অনেকাংশে চুল পাকা রোধ করা সম্ভব। করণীয়ঃ সপ্তাহে দুই-তিন দিন তেল গরম করে তা মাথার চামড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। তেল চুলের পুষ্টি জোগায়। আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন। শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলে খুশকি দেখা দিলে শুরুতেই সাবধান হোন। কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পাকে। সপ্তাহে এক দিন লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস মাথায় দিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে খুশকি কমে যাবে। যারা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাদের চুল দ্রুত পাকার প্রবণতা দেখা যায়। সেখে্ত্রে রোদে কাজ করলে মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে ক্রিম সমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু করুন। অনেকে চুলে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। যেমন : জেল, ক্রিম, কালার ইত্যাদি। এসব ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে।

3072 views

বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে বংশগত কারণই এরকম সমস্যা হয় আসলে এর অনেক ধরণের কারণ আছে। অনেক কিছুর ঘাটতির কারণে এমন হতে পারে। যেমন :- ১। বংশগত কারন ২। দেহে এবং চুলে ভিটামিন B এর ঘাটতি। ৩। শ্যাম্পু বা কন্ডিশনারেরর কারনেও হতে পারে। ৪। ধূমপানের কারণে চামড়া এবং চুল সমস্যা কবলিত হতে পারে। ৫। মাদকাসক্তি দুর্বলতা বা শরীরে প্রয়োজনীয় উপাদানের ঘাটতির কারণ হতে পারে। ৬। থাইরয়েডের সমস্যাও একটি কারণ হতে পারে। ৭। কোন আকস্মিক ঘটনা বা দুর্ঘটনার প্রভাবে এমনটি হতে পারে।

3072 views

আমাদের ত্বকে মেলানোসাইট নামে এক ধরনের কোষ থাকে, যা মেলানিন উৎপাদন করে। যাদের কম মেলানিন উৎপাদন হয় তাদের গায়ের রঙ সাদা হয় এবং বেশি উৎপাদন হলে গায়ের রঙ কালো হয়। চুলের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। যদি কোনো কারণে চুলের গোড়ার মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে মেলানিনের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়- ফল স্বরূপ চুলের রঙ সাদা হয় যাকে আমরা চুল পাকা বলি। এটা যে কোনো বয়সেই ঘটতে পারে।

3072 views

Related Questions

চুল পাকা?
6 Answers 3064 Views