5 Answers

শীমের বীজে প্রচুর পরিমানে আমিষ/পোট্রিন পাওয়া যায়।

7075 views

শিমের কচি বীজে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও শ্বেতসার থাকে বলে খাদ্য হিসেবে খুবই উপকারী। তা ছাড়া এতে যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ থাকে। আমাদের দেহের পুষ্টিসাধনে এসব পুষ্টি উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

7075 views

শিম সুস্বাদু, পুষ্টিকর, আমিষের একটি ভালো উৎস। এটি সবজি হিসেবে এবং এর শুকনো বীজ ডাল হিসেবে খাওয়া হয়। শিমের পরিপক্ব বীজে প্রচুর আমিষ ও স্নেহজাতীয় পদার্থ আছে। এটি আঁশ-জাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ডায়রিয়ার প্রকোপ কমায়। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে পাকস্থলী ও প্লিহার শক্তি বাড়ায়। লিউকোরিয়াসহ মেয়েদের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে, শিশুদের অপুষ্টি দূরীভূত করে।

7075 views

শিমের বীচি বীর্যকর মূত্রকারক; জ্বরনাশক, ক্ষুধাবর্ধক, মেদ সৃষ্টিকারী, কামোদ্দীপক, খিঁচুনি নিবারক, মৃদুবিরেচক। অনেকের মতে, শিম বাতকারক, তবে তা রসুন দিয়ে পাক করলে দোষটা কেটে যায়। শিমের বীচির গুণ নিচে দেয়া হলোঃ জ্বর : যে জ্বরে জিভে চটচটে একটি প্রলেপ পড়ে থাকে, মাঝে মাঝে ঝিমুনি, অরুচি অথচ পিপাসা থাকে, আবার মাঝে মধ্যে শীত শীত করে। এ অবস্থায় শিমের বীজ বালিতে ভেজে, খোসা ছাড়িয়ে গুঁড়ো করে নিতে হয় এবং সে গুঁড়ো ৫০০ মিলিগ্রাম মাত্রায় এক কাপ গরম পানিতে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার করে কয়েক দিন খেতে হয়। অগ্নিমান্দ্য : যে অগ্নিমান্দ্যে বমি বমি ভাব থাকে; যে রসের খাদ্য খাওয়া হয়, সে রসেরই স্বাদভরা ঢেঁকুর ওঠে এবং শরীর ভারী হয়ে থাকে, সে অজীর্ণে শিম বীচির গুঁড়ো ৫০০ মিলিগ্রাম আধাকাপ গরম পানিতে দিয়ে সকাল ও বিকাল দুইবার করে খেলে অগ্নিমান্দ্য চলে যাবে ও শরীর সামলে উঠবে। রক্তস্রুতি : নাক দিয়ে রক্ত পড়া হলো সাময়িক ও ঊর্ধ্বগত রক্তপিণ্ডের লক্ষণ। এ সময় গোটা শিমের বীচি গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম মাত্রায় ঠাণ্ডা পানিতে দিয়ে সকাল ও বিকেলে খেতে হয়। তাতে এ রোগ সেরে যায়। আমিষের ঘাটতি : আমিষের ঘাটতি হলে শিম ও শিমের বীচি খেলে তা পূরণ হয়। শুক্রগত দুর্বলতা : শিমের বীচির বেসন খেলে শুক্রগত দুর্বলতা দূর হয়ে যায়। স্তন্যবর্ধন : প্রসূতিকে শিম ও শিমবীজ খাওয়ালে দুধ বাড়ে। সূত্র - ওয়েবসাইট

7075 views

শিমের বিচি প্রথম উৎপাদন করা হয় আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে পেরুতে। পরে তা দক্ষিণ আমেরিকার প্রধান খাদ্য সামগ্রীতে পরিণত হয়। এরপরে আস্তে আস্তে এশিয়া মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। কালো শিমের বিচি উচ্চ ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাবার। সাদা ভাতের সাথে মিশ্রিত করা কালো শিমের বিচি পুরোপুরি প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার হয়ে ওঠে। যারা বেশি সবজি খেতে পছন্দ করেন না খুব একটা, তারা ভিটামিনের চাহিদা মেটাতে এই খাবারটি খেতে পারেন। স্বাস্থ্য উপযোগিতা : কালো শিমের বিচি মানবদেহে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্লাইকোজেন সরবরাহ করে। দেহে কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এছাড়া হজমে সহায়তা করে। আসুন জেনে নিই এই পুষ্টিকর খাবারটি আর কি ধরনের স্বাস্থ্যোপকার করে থাকে। ক্যান্সার প্রতিরোধ : কালো শিমের বিচিতে বিপুল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ৮ ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েডস রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয় যে শিমের বিচি কোলন ক্যান্সারে সহায়ক কোলন অ্যাডেনোমার বিপরীতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য : কালো শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে যেটি রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। করোনারি হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া শিমের বিচিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উভয় উপাদানই রয়েছে যা হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে। পরিপাক নালীর উপকারিতা : প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত কালো শিমের বিচি হজমে সহায়তার মাধ্যমে পরিপাকনালীর উপকার করে। এছাড়া দেহের বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। চর্বি নিয়ন্ত্রণ : কালো শিমের বিচিতে মোটামুটিভাবে ২-৩ শতাংশ চর্বি রয়েছে তবে কোলেস্টরেল একেবারেই নেই। এটি শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এবং স্বাস্থ্যোপযোগি ফ্যাট প্রদান করে থাকে। স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য : শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ বা ফোলেট আছে। স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য এই উপাদানটির উপরে নির্ভরশীল যেটি শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করে কাজ সম্পাদন করে। গর্ভবতী মহিলঅদের জন্য এই খাবারটি অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও এই পুষ্টিকর খাবারটি শরীরের অন্যান্য উপকারও করে থাকে। ত্বকের জন্য এই খাবার বেশ উপযোগি। কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে কালো শিমের বিচি ওজন কমাতেও সহায়তা করে থাকে।

7075 views

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views