আমার বয়স ১৫ আমি প্রায় দিন ই হস্থমৈথুন করি। এখন কিভাবে এটা ছাড়বো যদি একটু টিপস দেন।
5843 views

7 Answers

হস্তমৈথুন ছাড়ার কোন ঔষধ নেই । তবে আপনি আপনার মনকে খারাপ দিক,মেয়েদের চিন্তা এবং খারাপ কোন ভিডিও না দেখা থেকে বিরত রাখুন। এবং যতটা সম্ভব খারাপ চিন্তা ভাবনা বাদ দিন।

5843 views

না হস্ত মৈথুন ছাড়ার কোন ঔষুধ নেই ঔষুধ হচ্ছে একমাত্র নিজের বিবেক ... আপনি যদি নিজেকে শুধরে নিতে পারেন, তবে আশা করি কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হবেনা এটি একটি গুনাহর কাজ নিজের হাতে নিজের বীর্যপাত ঘটানো পর্নগ্রাফি দেখা বন্ধ করুন, খারাপ চিন্তা থেকে দূরে থাকুন, উত্তেজিত অবস্থায় লিঙে হাত দিবেন না, ঠিকমতো নামাজ পড়ুন নামাজ ই মানুষ কে একমাত্র খারাপ কাজ থেকে বিরতো রাখে। এই কাজ গুলো করলে অবশ্যই এই বাজে অভ্যাস টি ছাড়া পারবেন।

5843 views

এটা ছাড়ার কোন ঔষধ নাই|আপনি সবটুকু পড়েন আশা করি উপকৃত হবেন| হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় কী? নিয়মিত হস্তমৈথুন শরীরের জন্য ভালো। তবে এটা খুব বেশি করলে এবং সেই অনুপাতে শরীরের যত্ন না নিলে শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্তি আসতে পারে। এটা যাতে নেশায় পরিনত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের কাছে এটা নেশার মত মনে হয়, এবং মনে প্রাণে কমিয়ে দিতে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করণীয় হতে পারে- ১. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, হস্তমৈথুন বা স্বমেহন কোন পাপ বা অপরাধ নয়। এটা প্রাণীদের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা করে ফেলে কোন প্রকার অনুশোচনা, পাপ, বা অপরাধবোধে ভুগবেন না। এমন হলে ব্যাপারটা সব সময় মাথার মধ্যে ঘুরবে এবং এ থেকে মুক্তি পেতে আবার এটা করে শরীর অবশ করে ফেলতে ইচ্ছে হবে। মনে রাখবেন আপনি মানুষ। আর মানুষ মাত্রই ভুল করে। এটা করে ফেলার পর যদি মনে করেন ভুল হয়ে গেছে তো সেজন্য অনুশোচনা করবেন না। নিজেকে শাস্তি দেবেন না। বরং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন যাতে ভবিষ্যতে মন শক্ত রাখতে পারেন। ২. যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না। যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান। ৩. বসে না থেকে সময়টা কাজে লাগান। জীবনকে সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। সব সময় নতুন কিছু করার দিকে ঝোঁক থাকলে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। এই সাথে আরো সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন ভাবে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবেন, বেঁচে থাকার নতুন মানে খুঁজে পাবেন। সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে পড়ুন। লেখালেখি করতে পারেন, গান-বাজনা শিখতে পারেন, আঁকাআঁকি করতে পারেন, অথবা আপনি যা পারেন সেটাই করবেন। নিয়মিত খেলাধূলা করুন। ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন। স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন। ফলমূল- শাকসবজি বেশি খাবেন। নতুন কোন শখ বা হবি নিয়ে মেতে উঠুন। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন, আরো কত কিছু আছে করার। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন। অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশ ও দশের জন্য সেবামূলক কাজে জড়িত হোন। ৪. ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনের একটা নেশা থেকে মুক্ত পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার আগাতে হবে। ভালো কাজ করলে নিজেকে নিজে নিজে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন। ৫. অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

5843 views

অন্তরে আল্লাহ্ তাআলার ভয় থাকতে হবে। আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সর্বদা আমাদের দেখছেন , তাই যখনই Sexual Urge অনুভব করবেন তখনই মনে রাখবেন যে আল্লাহ্ তাআলা আপনাকে দেখছেন। তাঁর দৃষ্টিকে এড়িয়ে আপনি কখনোই কোন কাজ করতে পারবেন না। আপনার কাজের জবাবদিহি আল্লাহ্ তাআলার কাছে করতে হবে।যদি তিনি অসন্তুষ্ট হন তাহলে আপনার পরিণাম হবে জাহান্নাম । -- এই কথাগুলো মাথায় রাখবেন।

5843 views

আপনি একজন হোমিওপ্যাথিক ডাঃ এর সাথে কথা বলুন। আমার জানামতে এর চিকিৎসা আছে। যেমন ক্যালকেরিয়া ফস এর জন্য ব্যবহার হয়।

5843 views

হস্তমৈথুন ছাড়ার একমাত্র ওষুধ হচ্ছে মন-মানসিকতা। আপনার মন-মানসিকতাই আপনাকে হস্তমৈথুন ছাড়ার জন্য বিশেষভাবে সাহায্য করবে। এছাড়াও আপনাকে খারাপ চিন্তা-ভাবনা বাদ দিতে হবে এবং পর্ণ ভিডিও দেখা বাদ দিতে হবে। তাহলেই আপনি হস্তমৈথুন ছাড়তে পারবেন বলে আমি মনে করি। ধন্যবাদ।

5843 views

হস্তমৈথুন ছাড়ার কোন ঔষধ নেই। তবে হস্তমৈথুন ছাড়ার কার্যকরী উপায় ★★★★★★★★★★★★★ ০১: সবসময় জনসম্যূখে থাকার চেষ্টা করূন।তাহলেএই প্রবনতা কমবে। ০২: যতটা সম্ভব কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখূন। তাহলে এই প্রবনতা কমবে। ০৩: ব্লু ফ্লিম দেখার অভাস থাকলে তা বন্ধ করুন। এবং অশ্লী ন কার্যক্রম থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। ০৪: যে সমস্ত লোক সবসময় পরো্ বিষয়ে কথা বলে তাদের থেকে দূরে থাকুন। ০৫: বুঝাতে চেষ্টা করূন একদিনেই নিজেকে পরিবর্ন করা জবেনা তাই বলে চেষ্টা করা ছেড়ে দেয়া যাব না। ০৬ : পিসিতে পর্ দেখে হস্তমৈথুন করার অভ্যাস থাকলে পিসি লিভিং রূমি নিন। এই ঊপায় গুলো মেনে চললে হস্তমৈথুন থেকে অনেকটা মুক্তি পাবেন।

5843 views

Related Questions

আমার খুব জরুরী একটা সাহায্য দরকার। আমার পায়ূ পথের ঠিক মুখের এক পাশ কিছু জায়গা উচু হয়ে আছে। কোন ব্যাথা করেনা (হাত দিয়ে টিপ দিলেও ব্যাথা লাগেনা) কিন্তু খুব অসহ্য লাগে। বুঝা যায় এ জায়গার চামড়া খুব টান টান হয়ে আছে। পায়খানা করতে কষ্ট হয়। এটা আমার এর আগেও কয়েকবার হয়েছিল প্রায় বছর খানেক আগে। দুতিনদিন পড় আবার চলে গেছে। এখনও আশা করি দুতিনদিনের মধ্যেই চলে যাবে। কিন্তু এই দুই তিনদিন খুব খারাপ লাগে। জায়গাটা কিছু লালটেও হয়েছে। আমার খুব ভয় হয় পরে কিনা কোন সমস্যা করে। আপনাদের করো কি এ সম্পর্কে কিছু জানা আছে প্লিজ একটু হ্যাল্প করুন। এর একটা সমাধান চাই। যদি ফটো দেওয়া যায় দিতে পারব?
4 Answers 7368 Views