আমার মাথার চুল নিয়ে সমস্যায় পরছি...দয়াকরে সাহায্য করুন....?
5 Answers
আপনার এটা হরমোনাল কোন সমস্যা বা বংশগত রোগ হতে পারে তাই ভাল কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অরিজিনাল ইন্ডিয়ান লিভন তেল ব্যবহার করে দেখতে পারেন ভাল উপকার পাবেন আশা করি। সপ্তাহে অন্তত 2-3 বার শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার রাখুন।
চুল পড়ার অনেক কারণই থাকে l তবে হ্যা প্রতিদিন সঠিক ভাবে শ্যাম্পু না করলে চুল পড়ার হার অনেক সময় বেড়ে যায় l এছাড়াও মানসিক চাপ,রাত জাগা,অনিদ্রা,হরমোনাল চেঞ্জ,কেমোথেরাপির পর,টিনিয়া ক্যাপাইটিস,ট্রাকশন অ্যালোপেসিয়া, হেয়ার প্রোডাক্টের জন্য,বিভিন্ন অপারেশনের পর,ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া,ক্যামিকাল বেস প্রোডাক্ট হুটহাট ব্যবহার করা,সুষম পুষ্টির অভাব,অযত্ন,খুসকি,প্রখর রোদে ঘোরা,ভেজা চুল বেধে রাখা বা ভেজা চুলে বাহিরে যাওয়া,বাহিরে থেকে ফিরে ঘামে ভেজা-ধুলোবালি লাগা চুল পরিস্কার না করা,বৃষ্টিতে ভেজা ও এরপর পরিস্কার পানিতে চুল না ধোয়া,চুলে নিয়মিত অয়েল ম্যাসাজ না করাও চুল পড়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী l আপনার চুল যদি এসব সমস্যার মধ্যে দিয়ে যায় তবে চুল পড়বেই l আপনি কোন চর্মরোগ বিশেষঙ্গের সাথে কথা বলে দেখুন।
ভিবিন্ন কারণে মাথার চুল পড়তে পারে, এমতাবস্থায় যদি অধিক হারে চুল পড়ে তাহলে অবশ্যই ..বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে আপনি চুল পড়া রোধ করতে এবং মাথার যেসব জায়গায় চুল পড়ে সেই স্থানে ziska pharma এর trugain - minoxidil usp 5% স্প্রে ব্যবহার করুন এই স্প্রে পুনরায় চুল গজানোর জন্যপরীক্ষত ঔষুধ .. 8-10 টি স্প্রে দিনে ২বার ঐ স্থানে প্রয়োগ করতে হবে নিয়মিত ব্যবহার করার পর প্রায় সুফল পেতে ৩মাস সময় লাগতে পারে .. দাম 398 টাকা।
চুল পড়ার নানান কারণ থাকতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে দুশ্চিন্তা, অপর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত কাজের চাপ, অসুস্থতা, বংশগত সমস্যা, পরিবেশের প্রভাব ইত্যাদি। আর এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য ক্যাস্টর অয়েল হতে পরে অনন্য একটি উপায়। ক্যাস্টর অয়েল, অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন নামটি। তবে এর প্রকৃত গুনাগুণ সম্পর্কে আমরা হয়তো খুব কমই জানি। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, মিনরেলস, প্রোটিন, এসেন্সিয়াল ফ্যাটি এসিড যা চুল পড়া রোধ করার সাথে সাথে নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। এটি চুলের যাবতীয় সমস্যা দূর করে চুলের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনে। তবে চুলের জন্যে সবসময় আনরিফাইনড ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করাই উত্তম। কারণ আনরিফাইনড ক্যাস্টর অয়েলে প্রাকৃতিক গুণাবলী বিদ্যমান যা চুল এবং স্ক্যাল্পের জন্য খুবই কার্যকরী। রিফাইন্ড ক্যাস্টর অয়েল বিভিন্ন প্রসেসিং এর মধ্যে দিয়ে যাওয়ার কারণে এর মধ্যে প্রাকৃতিক গুণাবলী অতোটা থাকে না এবং এটি কম কার্যকরী। বাংলাদেশে আপনারা Well’s Castor Oil নামে এই অয়েলটি পাবেন। দাম পড়বে ১৫০-১৮০ টাকা এর মধ্যে। আর চাইলে দেশের বাইরে থেকেও আনাতে পারেন। সেক্ষেত্রে দামটা একটু বেশি পড়বে। এছাড়া পিঁয়াজ এর রস লাগালেও নতুন চুল গজায়।
ঘন কালো লম্বা চুলের অধিকারিনী হতে কে না চায় । আমাদের সৌন্দর্যে চুলের গুরুত্ব কতোখানি তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু প্রতিদিনের নানা ভুলের কারণে এবং অযত্ন- অবহেলায় আমরা এই সৌন্দর্যের প্রতীকটি নষ্ট করে ফেলি। আগের মতো ঘন কালো লম্বা চুলের অধিকারিণী নজরে পড়ে না। চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধির মূল কৌশলগুলো কিন্তু আপনার হাতেই। দ্রুত চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে এই ছোট্ট টিপসগুলো অনেক বেশি কার্যকরী। জেনে নিন দ্রুত চুল ঘন ও লম্বা করার সহজ উপায় – ১) প্রতিবার গোসলের সময় শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না চুল পরিষ্কার রাখা জরুরী, কিন্তু তা বলে প্রতিবার গোসলের সময় চুলে শ্যাম্পুর ব্যবহার চুলের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। অতিরিক্ত শ্যাম্পুর ব্যবহারে চুলের প্রাকৃতিক তেল চলে যায়, যার ফলে চুল সহজে বাড়তে চায় না। তাই অন্তত ১ দিন পরপর চুল শ্যাম্পু করুন। ২) ভেজা চুল তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখবেন না চুল শুকানোর জন্য অনেকেই গোসল শেষে ভেজা চুল তোয়ালেতেই পেঁচিয়ে রাখেন যা চুলের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে চুলের গোঁড়া একেবারেই নরম হয়, যার কারণে চুল পড়া বাড়ে। চুল বৃদ্ধি একেবারেই কমে যায়। গোসল সেরে ফ্যানের বাতাসে চুল ছড়িয়ে শুকিয়ে নিন। এবং অবশ্যই চুল ঝাড়ার কাজটিও করবেন না। ৩) তেলের ব্যবহার চুলের ঘনত্ব দ্রুত বৃদ্ধির জন্য তেলের অন্য কোনো বিকল্প নেই। চুলের বৃদ্ধিতে তেল যতোটা কাজ করে অন্য কোনো কেমিক্যাল সমৃদ্ধ উপাদান তা করতে পারে না। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন তেল গরম করে চুলের গোঁড়ায় ম্যাসেজ করা উচিত। এছাড়াও সপ্তাহ অন্তত ১ দিন ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল ও আমন্ড অয়েল সমপরিমাণে মিশিয়ে চুলে লাগানো উচিত। এতেও চুলের দ্রুত বৃদ্ধি হয়। ৪) খাবারের দিকে নজর দিন শুধু বাহ্যিকভাবেই নয় চুলের বৃদ্ধি হয় ভেতরের পুষ্টিগুণ থেকে। আপনি যদি খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর এবং চুল বৃদ্ধিতে সহায়ক খাবার রাখেন তাহলে চুলের বৃদ্ধি দ্রুতই হবে। দ্রুত চুল বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ই, এ, ফলিক অ্যাসিড, ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়। ৫) চুল আঁচড়ানোর সময় মনোযোগ দিন চুল অনেক জোরে ঘষে আঁচড়ানো, চুলে টান লাগা, চুলের জট এক টানে ছাড়িয়ে ফেলার মতো ভুল করবেন না। এতে করে চুলের গোঁড়া নরম হয়, চুল পড়া বাড়ে এবং চুল ভেঙেও যায়। চুল খুব ভালো করে সময় নিয়ে আঁচড়ান ৬) কেঁচিকে হ্যাঁ বলুন অনেকেই ভাবেন চুল লম্বা করতে বা চুলের ঘনত্ব ঠিক রাখতে গেলে চুল একেবারেই কাটা ঠিক নয়। কিন্তু ৬ থেকে ১০ সপ্তাহ পরপর অন্তত ১ ইঞ্চি চুল কাটা চুলের জন্য খুবই জরুরী। এতে চুলের আগা ফাটা দূর হবে যা চুল বাড়তে সহায়তা করবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy