আমার মাথার চুল পড়ে যাচ্ছে।।বিশেষকরে মাথার এক পাশে অর্থাৎ কপালে উপর বাম কোনটায় বেশি চুল পড়ে পাতলা হয়ে যাচ্ছে।।কি করবো?

আমরা সাধারনত জানি যে মাথার উপরে চুল বেশি উঠে।কিন্তু আমার মাথার উপর বাম পাশে/ কপালের উপর বাম কোন বেশি পাতলা হয়ে যাচ্ছে।।কি করবো?
3178 views

3 Answers

Dr. MD. Mamunur Rashid
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি ( গ্যাস্টোএন্টারোলজি) রেসিডেন্ট বিএমইউ, ঢাকা, মেডিকেল অফিসার (সাবেক), ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী, প্রভাষক, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ(সাবেক), জিপি (মেডিসিন) অভিজ্ঞ (মেডিসিন, লিভার এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

মাথার উপরে থেকেও পরে আবার কপালের পাশ থেকেও পরে, এ দুটাই কমন। আপনি ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খান এবং ই ক্যাপ ক্যাপসুল কিনে তেলের সাথে মাথায় দিতে পারেন। মাথায় খুশকি যেন না থাকে সেজন্য নিয়মিত শাম্পু করুন। পানি ফুঁটিয়ে ঠান্ডা করে গোসল করতে পারলে খুবই ভালো।

3178 views Answered

চুল পড়া বর্তমান সময়ের একটি খুব সাধারণ কিন্তু ভয়াবহ সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে এটা যে কেবল নারীদের সমস্যা তাই নয়। অল্প বয়সে মাথার চুল পড়ে যাওয়া ছেলেদের জন্য ভীষণ দুশ্চিন্তার একটি কারণ। কেনোনা বয়সের সাথে সাথে মাথার চুল কমে আসা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও টিনেজার বা কিশোর ছেলেদের মাথায় টাক পড়তে দেখা একটি অন্যতম বিব্রতকর ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। চুল পড়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী থাইরয়েড গ্রন্থির অসুখ। রক্তস্বল্পতা, ওজন কমানোর জন্য খাওয়াদাওয়া একদম কমিয়ে দেওয়াও চুল পড়ার কারণ হতে পারে। সুষম খাবারের বদলে অতিরিক্ত ফাস্টফুড, চকলেট ইত্যাদি খেলে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি হয়েও চুল পড়ে যেতে পারে। ছেলেদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাকব্রাশ করে চুল আঁচড়ালে সাধারণত কপাল চওড়া হয়ে থাকে। ব্যাকব্রাশ করার কারণে অনেকের মাথায় টাক পড়তেও দেখা যায়। আসুন জেনে নিই কি উপায়ে ছেলেদের চুল পড়া সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। চুল পরিষ্কার রাখা চুল পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে আপনার নিয়মিত চুল পরিষ্কার না করার বাজে অভ্যাস। চুল পড়া রোধে নিয়মিত চুলের যত্ন নিন। নিয়মিত চুল না ধুলে মাথার ত্বকে ময়লা জমে খুশকির জন্ম হয় যা কিনা চুল পড়ার অন্যতম কারণ। আর খেয়াল রাখুন চুল ধোয়ার জন্য আপনার ব্যবহার করা শ্যাম্পু যেন অবশ্যই হালকা হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন গ্রহণ করা আমাদের চুলের গঠনের অন্যতম উপাদান হল কেরাটিন, যা কিনা অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন এ উপাদান। মনে রাখবেন ভেতর থেকে পুষ্টি না সরবরাহ করতে পারলে বাইরের কোন কিছুই আপনাকে চুল পড়া থেকে রক্ষা করতে পারবেনা। ভিটামিন ভিটামিন কেবল মাত্র আমাদের দেহের সুস্থতার জন্যই জরুরী নয় বরং আমাদের চুলের জন্য ও এটা ভীষণ জরুরী। ভিটামিন- এ মাথার ত্বক থেকে উপকারি সিরাম সরবরাহ করে আর ভিটামিন এ মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তাই চুল পড়া রোধ করতে চাইলে আগে সবার আগে নিশ্চিত করুন আপনার শরীর যাতে পর্যাপ্ত ভিটামিন পায়। জিঙ্ক ও আয়রন গ্রহণ জিঙ্ক আর আয়রন আমাদের মাথার ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রাখে। আর মাথার চুল পড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী কারণ গুলোর একটি হলম মাথার ত্বকে অক্সিজেনের সল্পতা। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে জিঙ্ক আর আয়রন বেশী বেশী গ্রহণ করুন। যেমন মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান। আপনি আপনার খাবার তালিকায় এই খাবারগুলো রাখতে ভুলবেন না। পানি চুল পড়ার জন্য দায়ী কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে আপনার শরীরের পানি ঘাটতি বা কম পানি পান করার প্রবণতা। চুল পড়া রোধ করতে চাইলে সবার আগে শরীরকে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করুন। আপনার এই ছোট্ট চেষ্টা টুকুই চুল পড়া কমিয়ে তুলবে। তেল ম্যাসাজ চুল পড়া কমাতে আপনার জন্য আরও একটি কার্যকরী টিপস হলো চুলে তেল ম্যাসাজ করা। দিনে কিছুটা সময় নিয়ে আপনার মাথায় এসেন্সিয়াল অয়েল যেমন বাদাম তেল, অলিভ অয়েল বা নারিকেল হালকা ম্যাসাজ করুন। এতে মাথার ত্বক সুস্থ থাকবে ও চুল পড়ার পরিমাণ কমে আসবে। ভেজা চুল না আঁচড়ানো যাদের চুল পড়ার পরিমাণ বেশী তাদের জন্য একটাই পরামর্শ তা হল ভেজা চুল আঁচড়াবেন না। ভেজা অবস্থায় চুল ভীষণ দুর্বল থাকে আর অল্প একটু টান পড়লেই চুল গোঁড়া থেকে উঠে আসে। তাই চুল আগে ভালভাবে শুকিয়ে তারপর আঁচড়ান। আর চেষ্টা করুন বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করা। পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের রস চুল পড়া প্রাকৃতিক উপায়ে বন্ধ করতে চাইলে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন এই তিন উপাদানের যে কোন একটি বেছে নিন চুলের যত্ন করার জন্য। আপনি চাইলে শুধুমাত্র পেঁয়াজের রস নিয়ম করে চুলে লাগিয়েই উপকার পেতে পারেন। গ্রিন টি চুল পড়ার বিরুদ্ধে আপনার খুব কাজের অস্ত্র হিসেবে আপনার সাহায্য করতে পারে গ্রিন টি। গ্রিনটির দুইটি টি- ব্যাগ এক কাপ পরিমাণ পানিতে ফুটিয়ে ফুটন্ত পানি ঠাণ্ডা করুন। এরপর এই ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া পানিটুকু আপনার চুলের গোড়াসহ সারা চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন এবং পড়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। মেথি চুল পড়া বন্ধ করতে মেথি আপনার উপকারে আসতে পারে। ১ টেবিল চামচ মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে উঠে বেঁটে তা মাথায় লাগান। হালকা ম্যাসাজ করে আধাঘণ্টা পর চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়ার পরিমাণ কমে আসছে। নিমপাতা চুল পড়া বন্ধ করতে নিমপাতার জুড়ি নেই। তাজা নিমপাতা নিয়ে বেঁটে তাতে সামান্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে মাথায় লাগান। কিছুক্ষণ পর হালকা কোন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়তে ফেলুন। Collected

3178 views Answered

চুল পড়া বিশ্বব্যাপী অন্যতম সাধারণ সমস্যা।জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশকে যা প্রভাবিত করে। প্রত্যেকে প্রতিদিন গড়ে প্রত্যেকের ১০০ টি চুল পড়ে যায়।

এটি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা; সুতরাং কয়েকটা চুল পড়ে যাওয়ার কারণে চিন্তা করার দরকার নেই। চুল পড়ার অনেক কারণ থাকতে পারে যার মধ্যে ডায়েট, খনিজ ঘাটতি, ওষুধাদি, চাপ, দূষণ এবং জিনেটিক্স অন্তর্ভুক্ত। টুপি বা হেলমেট লাগানো পুরুষদের মধ্যে অন্য কারণ হতে পারে। চুল পড়া কমাতে ২০ টি সমাধানের তালিকা এখানে রয়েছে।


১।রসুনের রস, পেঁয়াজের রস বা আদার রস ব্যবহার

আপনার মাথার ত্বকে যেকোন একটি্র  রস ঘষুন, এটি সারা রাত রেখে দিন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি এক সপ্তাহ নিয়মিত করুন এবং আপনি লক্ষণীয় ফলাফল দেখতে পাবেন।

২।নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুন

চুলের শ্যাফটে এক চতুর্থাংশ পানি থাকে তাই হাইড্রেটেড থাকার জন্য এবং স্বাস্থ্যকর চুলের বৃদ্ধির জন্য দিনে কমপক্ষে চার থেকে আট কাপ পানি পান করুন ।

৩।আপনার চুলে গ্রিন টি ঘষুন

গবেষণায় দেখা গেছে যে চুলে গ্রিন টি চুল পড়া সমস্যা রোধ করতে পারে। আপনাকে যা করতে হবে তা হ’ল এক কাপ জলে দুই ব্যাগ গ্রিন টি তৈরি করুন, ঠান্ডা হওয়ার জন্য কিছুক্ষন অপেক্ষা করুণ,তারপড় আপনার চুলে লাগান। এক ঘন্টা পরে আপনার চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ফলাফলগুলি দেখতে এক সপ্তাহ থেকে দশ দিন নিয়মিত ব্যবহার করুন।
ফোল আর্টিকেল পড়ুন এখানে

যে ২০ উপায়ে চুল পড়া কমাবেন


3178 views Answered

Related Questions

Next steps