6 Answers
মশার হাত থেকে বাঁচার ৭ কাযর্করী টিপস ১. শরীরে ও রক্তে ক্ষার থাকলে মশা বেশি কামড়ায় না। যে কারণে ক্ষারযুক্ত সবজি ও খাবার খান। ২. মশা কামড় দেয়া জায়গায় খোসা ছাড়িয়ে এক কোয়া রসুন ঘষে ঘষে লাগান। কিছুক্ষণের মধ্যে চুলকানি বন্ধ হয়ে যাবে। ৩. মশা যে গন্ধ অপছন্দ করে, আপনি সে গন্ধজাত খাবার বেশি করে খেতে পারেন। এজন্য ভিটামিন ‘বি-এক’ খেতে পরেন। দু’-তিন দিন ‘বি-এক’ খাওয়ার পরই দেখবেন মশাই আপনাকে দেখে পালাচ্ছে। ৪. ভিটামিন ‘বি-এক’ পানিতে মিশিয়ে সে পানি দিয়ে গোসল করলে মশা আপনাকে আর কামড়াবে না। ৫. ঘরে কমলার খোসা জ্বালালা মশাতো পালাবেই পাশাপাশি দূর হবে ঘরের দুর্গন্ধও। ৬. মশা কালো বা গাঢ় রং বেশি পছন্দ করে। এজন্য হালকা রঙের কাপড় পরলে মশার হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পাবেন। ৭. এক গবেষণায় দেখা গেছে, মোজা পরার পর পায়ের চামড়ার আর্দ্রতা কমে যায় বলে মশা কম কামড়ায়।
মশা থেকে বাঁচার উপায়: বেশি করে ক্ষারীয় সবজি খান। আপনার শরীরে ও রক্তে ক্ষার থাকলে মশা আপনাকে কামড়তে পছন্দ করবে না। আর তারপরও যদি মশা আপনাকে কামড়ায়, তাহলে সেটা থেকে চুলকানি হবে না। রসুনের খোসা ছাড়ান। তারপর মশা যেখানে কামড় দিয়েছে সেখানে সেটা লাগান। সেখানে আর চুলকানি হবে না। বেশ কয়েকজন এক সাথে থাকার সময় মশা আপনাকে বশে কামড়ায়? তাহলে মশা যে গন্ধ অপছন্দ করে, আপনি সে গন্ধজাত খাবার বেশি করে খান। গবষেণায় দখো গেছে, ভিটামিন ‘বি-১’ মশা থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে। আপনি যদি বাইরে ভ্রমণে যান, তাহলে যাওয়ার ৩ থেকে ৪ দিন আগে থেকে ভিটামিন ‘বি-১’ খেতে থাকুন। ভিটামিন ‘বি-১’ খাওয়ার পর নিজে কোনো পার্থক্য হয়তো বুঝতে পারবেন না। কিন্তু মশা ঠিকই এ গন্ধ ধরতে পারবে এবং আপনার থেকে দূরে থাকবে। ভিটামিন ‘বি-১’ পানিতে মিশান। তারপর এ পানি দিয়ে গোসল করুন। তাহলে মশা আপনাকে কামড়াবে না। মসলার মধ্যের রাশি মৌরি ও মৌরি দুটি করে গরম পানিতে রাখুন। এ পানি দিয়ে গোসল করলেও মশা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ঘরে কমলার খোসা জ্বালান। এতে মশা থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি ঘরের দুর্গন্ধ দূর হবে। হালকা রঙের কাপড় পরুন। মশা কালো রং পছন্দ করে। সেজন্য গ্রীষ্মকালে হালকা রঙের কাপড় বেশি করে পরলে মশা থেকে রক্ষা পাবেন। মোজা পরুন। গ্রীষ্মকালে অনেকে মোজা পরতে পছন্দ করেন না। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে, মোজা পরার পর মানুষের চামড়ার আর্দ্রতা ও নাজুকতা কমে বলে মশা কম কামড়ায়। মশার কামড়ের পর জায়গাটি চুলকায়। অনেকে তাৎক্ষণিকভাবে চুলকানি কমানোর জন্য আঁচড় কাটেন। কিন্তু আঁচড় কাটার পর চামড়ার ভেতর থেকে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে এবং জায়গায়টি ফুলে যায়। আর যত বেশি আঁচড় কাটা হয়, পরে তত বেশি চুলকায়। আপনি যদি আঁচড় না কাটেন, তাহলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর জায়গাটি আর চুলকাবে না। সন্ধ্যায় মশা জানালার কাছাকাছি থাকে আবার রাতের বেলা ভারি রঙের জিনিসের ওপর থাকে। সুতরাং মশা মারার সময় এ দুই জায়গার কথা খেয়াল রাখুন।
মশা এবং ফ্যান একে অপরের বিপরীত। মশা পাখা এবং ফ্যানের পাখা উভয়ই বাতাস দেয়। তবে মশার থেকে ফ্যানের বাতাস অনেক বেশি হওয়াতে মশা ফ্যানের বাতাসের সাথে নিজেকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখতে পারেনা। এতে করে মশাকে ফ্যানের পাখা বিভিন্ন দিকে চিটকে ফেলে। মশা এতে আপনার কানের কাছে খুব কম উপদ্রপ করতে পারে মশাদের ভিজুয়াল শক্তি রয়েছে। এরা কিছু রঙের প্রতি বিশেষ আকর্ষী, ফলে আপনাকে এসব রঙ পরিহার করতে হবে। মশারা সাধারণত কালো, নীল আর লাল এই তিন রঙ খুব পছন্দ করে। আপনি রাতে ঘুমাতে গেলে এই তিন রঙ পরিহার করে চলুন আশা করি মশা থেকে কিছুটা রেহাই পাবেন।
মশা তাড়াবার একটা সহজ উপায় হল কর্পূর এর ব্যবহার, কয়েক টুকরো কর্পূর আধকাপ পানিতে ভিজিয়ে খাটের নীচে রেখে দিন। এতে নিশ্চিত ভাবে বাসায় মশার উপদ্রপ কমে যাবে।
★(মশা থেকে বাচার প্রাকৃতিক উপায়)★ নিমের তেল মশা তাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখে। নিমের গন্ধ মশাকে দূরে রাখে। তাই নারিকেল তেল ও নিমের তেল একসাথে মিশিয়ে শরীরে লাগিয়ে নিশ্চিন্তে বসে থাকুন। একটা মশাও কাছে আসবে না। একইভাবে তুলসি পাতাও মশা-মাছি দূর করতে সিদ্ধহস্ত। ঘরের জানালায় তুলসি পাতা ঝুলিয়ে রাখুন। তারপর মশা-মাছি ছাড়া নিশ্চিন্তে দিন কাটান। একটা মশাও আপনার ঘরে প্রবেশ করবেনা। নিমের তেলের মতো লেবু তেল ও ইউক্যালিপটাস তেলের মিশ্রণও মশা তাড়াতে কার্যকরী। দুই তেলের মিশ্রণ তৈরি করে শরীরে লাগান। মশার কামড় থেকে রেহাই পাওয়ার পাশাপাশি সংক্রমণের হাত থেকেও রেহাই পাবেন। বাজারে যেসব মশা দূর করার কিংবা মারার ওষুধ পাওয়া যায় সেসবের সবগুলোতেই কর্পূর থাকে। কারণ কর্পূর মশাকে দূরে রাখে। তাই মশা তাড়াতে ঘরে সরাসরি কর্পূর জ্বালাতে পারেন। সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে, রান্নাঘর থেকে কয়েক কোয়া রসুন নিয়ে এক হাড়ি পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর সেই পানি সাড়া ঘরে ছিটিয়ে দিন। রসুনকে যমের মতো ভয় পায় মশা। ফলে সারা ঘরের কোথাও মশা পাবেন না আপনি।
এতসব ঝামেলা না করে আপনি আপনার বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন যাতে মশারা ডিম পাড়তে না পারে । মতে মশা জন্মাবেনা আর কামড়ও খেতে হবেনা এবং এটাই উত্তম হবে । কারণ মশাকে আপনি কতক্ষণ আদা রসুন হেন ত্যান দিয়ে রুখবেন ?
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy