একটা মেয়েকে কে এক দুষ্ট ছেলে দুবছর আগে যাদুটোনা করে এবং মেয়েটিকে তার প্রেমে পড়ায় ।ভাগ্যক্রমে মেয়েটি তা টের পেয়ে তার শরির বন্ধের তাবিজ দেয়।এবং ছেলেটিকে ভুলে যায় এতে ছেলেটি মেয়েটির ক্ষতি করার চেষ্টায় আছে।এ কাজ করে ছেলেটি এলাকা থেকে চলে যায় এবং দুবছর পর সেদিন বাড়িতে আসে।এখন মেয়েটি খুব দুঃচিন্তায় আছে নাজানি কি ক্ষতি করে।এখন মেয়েটিকে ছেলেটি কি কি ক্ষতি করতে পারবে।এ ক্ষতির হাত থেকে বাচার উপায় কি।মেয়েটি আবার নতুন করে শরিরবন্ধের তাবিজ দিয়েছে,এখন ও কি যাদুটোনা করে তার মন ভুলাতে পারবে জানান প্লিজ।পারলে এখন কি ব্যাবস্থা নিবে মেয়েটি?
3 Answers
যাদু টোনার উপর বিশ্বাস রাখারই কোনো দরকার নেই। আজকাল যেসব তথাকথিত যাদু টোনার কথা শোনা যায় তার ৯৯%-ই ফেইক। তবে ইসলামি বিশ্বাস মতে আপনি যদি প্রত্যহ সূরা ফালাক পাঠ করেন তাহলে আপনার উপর কোনো জাদুশক্তি প্রভাব বিস্তার করতে পারবেনা। মহানবী (স.) এভাবেই কাফেরদের জাদুমন্ত্রের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত রেখেছিলেন।
নিচের আমল গুলো করলে ইনশাআল্লাহ কোনো সময়-ই জাদুটুনা বা কোনো বদ আছর তার উপর পরবে না।
১। ফজরের ফরজ নামাজের পর ৩ বার সূরা ইখলাস, ৩ বার সূরা ফালাক এবং ৩ বার সূরা নাস।
.
২। মাগরীবের ফরজ নামাজের পর ৩ বার সূরা ইখলাস, ৩ বার সূরা ফালাক এবং ৩ বার সূরা নাস।
.
৩। রাতে শুয়ার সময় বিছানায় সুন্নত তরীকায় বসে ১ বার ইখলাস, ১ বার ফালাক, ১ বার নাস। পুনরায় ১ বার ইখলাস, ১ বার ফালাক, ১ বার নাস। পুনরায় ১ বার ইখলাস, ১ বার ফালাক, ১ বার নাস। মানে Same কাজ ৩ বার। এগুলো পরার পর ২ হাত মুঠ করে হাতের মাঝে ৩ বার ফুক দিয়ে সমস্ত শরীর ১ বার মুছা। যতটুকু সম্ভব ।
বিঃদ্রঃ শরীর মুছা শুধু রাতে বিছানায় আমলের সময় অন্য সময় নয়।
সেটা ভয় করে তাবিজ নিয়ে শরীর বন্ধ করার কোনো দরকার নাই ।। ঐ ছেলেটারে ধইরা জুতা পেটা করেন তাইলে ঠিক হইব
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy