আমার বয়স 14 ,আমাকে কি পরিমাণ খেতে হবে, একটি আদর্শ সাস্থ্য তৈরির জন্য?
3 Answers
আদর্শ সাস্থ্যের জন্য কিছু নিয়ম পালন করতে হবে।নিচে কয়েকটি উপায় দেয়া হল: টিপস-১: যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং রাতের ঘুম ঠিক রাখেন, তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আপনার স্বাস্থ্য মোটা করতে পারবেন। না ঘুমাতে পারলে আপনার শরীর ক্যালরী ধরে রাখতে পারে না। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন। টিপস-২: একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার, চিকেন ব্রেস্ট খেলেও ক্ষতি নেই। টিপস-৩: সফ্ট ড্রিংকস্ এবং ফ্যাটি খাবার খেলে স্বাস্থ্য মোটা হয়। এতে বেশি পরিমানে ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে। যখন ফ্যাটি ফুডস্ খাবেন, তখন পানি পান করুন; সফ্ট ড্রিংকস্ নয়। এমনকি ডায়েট সফ্ট ড্রিংকস্ও নয়। এটা খেলে আপনি ফ্যাটি ফুড খেতে পারবেন না।চিকন স্বাস্থ্য মোটা করার উপায় টিপস-৪: এনার্জি ফুড খেলেও আপনি মোটা হবেন। শরীরে যদি এনার্জি ফুড না থাকে তাহলে শরীরে শক্তিই থাকে না মোটা হওয়া তো দূরের কথা। উদাহরণে বলি: আপনি কখনো ব্যাটারিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার চালাতে পারবেন না যদি প্লাগ না দেন। শরীরও তার ব্যতিক্রম নয়। টিপস-৫: টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূর করে। টিপস-৬: প্রচুর ফল খান। ফল পুষ্টিকর খাবার এতে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ফল এবং ফলের রস খান। ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, কুবিথ, গাম, জ্যাম, জ্যালি খান এতে ফ্যাট আছে যা আপনার স্বাস্থ্য মোটা করবে। টিপস-৭: এ্যালকোহল পান করলে শরীর মোটা হয়। এটা আপনার মাংশপেশীতে হরমোন তৈরি করে। আপনার শরীরে যখন অতিরিক্ত ক্যালরির প্রয়োজন হয় দিনের শেষে সন্ধ্যার দিকে তখন পরিমাণমত (অল্প পরিমাণ) এ্যালকোহল পান করুন। এ্যালকোহলে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। রাতে এ্যালকোহল পান করে তাড়াতাড়ি রাতের খাবার সেরে ঘুমিয়ে পড়ুন। তবে এই নয় যে, আপনি একেবারে বেশী পরিমাণে এ্যালকোহল পান করে মাতাল হবেন। তাতে কিন্তু লাভে চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশী হবে। আপনি খুব দ্রুত মোটা হয়ে যাবেন। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না কিভাবে এত দ্রুত মোটা হওয়া সম্ভব। একবার চেষ্টা করে দেখুন না, ক্ষতি তো নেই !
যেগুলো মেনে চললে তাৎক্ষণিকভাবেই সুস্বাস্থের দিকে একধাপ অগ্রসর হবেন আপনি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে রিফাইনারি২৯। ১. চিনি/কৃত্রিম চিনি বর্জন করুন চিনির ক্ষতিকর দিক আমরা অনেকেই জানি। আর তাই অনেকেই চিনির বদলে কৃত্রিম চিনি খাওয়া শুরু করেছেন। কিন্তু এসব কৃত্রিম জিনিস খাওয়ার বদলে মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করাই ভালো। একবারে সম্ভব না হলে ধীরে ধীরে চেষ্টা করা যেতে পারে। ২. পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ঘুমান ঘুমের গুরুত্ব অপরিসীম। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে তা নানা মানসিক ও শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ঘুম সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ৩. নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন নানা কাজের ফলে আপনার হাত ময়লা হয়ে যেতে পারে। আর তাই এসব কাজ শেষ হলে আপনার হাত ধোয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপাতদৃষ্টিতে নির্দোষ কাজ যেমন, টাকা- পয়সা গোনার পরও হাত ধোয়া উচিত। এ ছাড়া ঘরের বা বাইরের কোনো জিনিস ধরার পরে হাত ধোয়া উচিত। ৪. উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন খাবার আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে তা আদতে আপনার উপকারেই আসবে। খাবারের তালিকায় রাখুন ফলমূল ও সবজিসহ নানা বৈচিত্রময় খাবার। ৫. পিপাসার্ত থাকবেন না প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা আপনার সুস্বাস্থ্যের অন্যতম চাবিকাঠি। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ৬. জগিং করুন দৌড়ানোর মতো ভালো ব্যায়াম আর হয় না। দৌড়ের প্রভাব সারা দেহেই পড়ে। আর বহু রোগের খপ্পর থেকে দূরে থাকার জন্যও এটা কাজ করে। হৃদরোগ দূরে রাখতে এর তুলনা হয় না। এ ছাড়া মাত্র পাঁচ মিনিটের দৌড়ে আপনার আয়ু বেড়ে যাবে বলে জানা গেছে এক গবেষণা থেকে। ৭. দইজাতীয় খাবার খান দইয়ের মতো যেসব খাবারে উপকারি ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে, এসব খাবার বেশি করে খান। এতে আপনার দেহ যেমন প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার হবে তেমন দেহের বিষও দূর হবে। ৮. খাদ্যতালিকায় রাখুন ভিটামিন বি ভিটামিন বি-এর বহু উপকারিতা রয়েছে। এটি বহু খাবারেই পাওয়া যায়। ভিটামিন বি-সমৃদ্ধ এসব খাবার রাখুন আপনার খাদ্যতালিকায়। ৯. অ্যালকোহল বর্জন করুন অ্যালকোহল আপনার দৈনন্দিন ক্যালরির সঙ্গে যোগ করে বাড়তি ক্যালরি। আর এর বাজে প্রভাব পড়ে হরমোনের ওপরেও। তাই নানা শারীরিক প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে বর্জন করতে হবে এ অ্যালকোহল। ১০. ননফ্যাট দই আবশ্যক নয় অনেকেই দইয়ের ফ্যাটের জন্য চিন্তিত থাকেন। ফলে বাজার থেকে ননফ্যাট দই খাওয়ায় আগ্রহী হন। কিন্তু বাস্তবে এসব ননফ্যাট দইয়ের উপকারিতা প্রমাণিত হয়নি। জানা গেছে, স্বাভাবিক দই দেহের জন্য উপকারী। ১১. খাবারের পাত্রের দিকে নজর দিন খাবারের পাত্রের আকার ও রং আপনার খাবারের মাত্রা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পাত্র ছোট রাখলে মানুষ কম খেতে আগ্রহী হয়। অন্যদিকে বড় পাত্রে বা থালায় খাবার খাওয়া হলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ১২. খাবার দূরে রাখুন হাতের কাছে খাবার রাখলে তা আপনার খাদ্যাভাসে প্রভাব বিস্তার করে। এতে মানুষ বেশি খাবার খেতে আগ্রহী হয়। অন্যদিকে খাবার সহজলভ্য না হলে তা খেতে মানুষ কম আগ্রহী হয়। তাই খাবার যথাসম্ভব দূরে রাখলে আপনার খাওয়ার পরিমাণ কমে যেতে পারে। ১৩. লক্ষ্য নিধারণ করুন আপনার দেহের ওজন কম বা বেশি-যাই হোক না কেন, তা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনার জন্য একটি মাত্রা নির্ধারণ করুন। খাবারের মাত্রা নির্ধারণ করুন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখুন। ১৪. ভিনেগারের বন্ধু হোন ভিনেগার নানা বিকল্প চিকিৎসার কাজে লাগে। রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে এটি ভূমিকা রাখে। নানা খাবারের সঙ্গে ভিনেগার ব্যবহার করা যায়। ১৫. ডেসার্ট নিয়ে নতুন করে চিন্তা করুন খাবার শেষে মিষ্টি কিছু খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। খেয়াল রাখতে হবে, এটি যেন হয় স্বাস্থ্যকর খাবার। প্যাকেটজাত অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে মিষ্টি ফল বা অনুরূপ পুষ্টিকর খাবার, জুস ইত্যাদি রাখতে পারেন আপনার খাদ্যতালিকায়।
ব্যালান্সড খাবার খাবেন। প্রতি বেলায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাটের সমন্বয় থাকতে হবে। মোটামুটি ৪০ শতাংশ প্রোটিন, ৩০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট, ৩০ শতাংশ ফ্যাট হতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, টক দই, লাল চালের ভাত, আটার রুটি, শাকসবজি, ফলমূল, প্রচুর পানি পান করুন। প্রথম দুই সপ্তাহে কমপক্ষে ২৫০০ ক্যালরি খাবেন। মেপে খেতে হবে না। প্রোটিন যেন যথেষ্ট হয়। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর কিছু না কিছু খাবেন। সেই সঙ্গে প্রচুর পানি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy